• লা লিগা
  • " />

     

    মেসি, পিকেদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের সত্যতা মেলেনি

    ‘ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগটা উঠেছিল গত ফেব্রুয়ারিতে। মেসি, পিকে আর কিছু সিনিয়র খেলোয়াড়, কিছু বোর্ড পরিচালকের বিরুদ্ধে বার্সার বর্তমান বোর্ড সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা একটা প্রচারের অভিযোগ উঠেছিল। তবে এক তদন্তে সেটার কোনো প্রমাণ পায়নি একটি থার্ড পার্টি নিরীক্ষা কোম্পানি। সত্যতা মেলেনি এ ধরনের কোনো ষড়যন্ত্রের।

    গত ফেব্রুয়ারিতে অভিযোগ উঠেছিল, বেশ কিছু সিনিয়র খেলোয়াড়, সাবেক খেলোয়াড় ও বোর্ড কর্তারা বার্সা সভাপতিসহ ক্লাবের আরও কিছু দায়িত্বশীল লোকদের নামে অপপ্রচারের পাঁয়তারা করেছেন, যেটিকে বলা হচ্ছিল বার্সাগেট। এমনকি তারা এই অপপ্রচারের জন্য আইথ্রি নামের একটা কোম্পানিকে অর্থও দিয়েছেন। পিকে বা ক্লাবের অন্যান্যরা সঙ্গে সঙ্গে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। এই অভিযোগের জের ধরেই তখন ক্লাব ছেড়ে যেতে হয় বার্সা সহ সভাপতি এমিলি সোসাদকে। তবে প্রাইস ওয়াটার হাউস কুপার্স নামের একটা নিরীক্ষা কোম্পানির তদন্তে এ ধরনের কোনো সত্যতা মেলেনি। অভিযোগ উঠেছিল, গুজবের জন্য বার্সেলোনার বোর্ডের কয়েকজনের পক্ষ থেকেও টাকা লেনদেন হয়েছে। ক্লাবের ভেতরে কেউ একজন টাকা ঢালছে। তবে নিরীক্ষায় বার্সার আর্থিক লেনদেনে কোনো অনিয়মের আশ্রয় মেলেনি। বার্সা অবশ্য বলছে, সের কাতালুনিয়া নামে যে প্রচারমাধ্যমে এই প্রতিবেদন ছাপা হয়েছিল তাদের বরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপে যাবে।

    এই অভিযোগের পরেই আইথ্রি কোম্পানির সাথে চুক্তি ছিন্ন করে। বার্সার বেশ কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দায়িত্বে ছিল এই কোম্পানি, প্রায় ১ মিলিয়ন ইউরোর কাজ করত তারা মাসে।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন