• ক্রিকেট, অন্যান্য
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    ডোপ টেস্টে পজিটিভ হয়ে ২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ পেসার কাজী অনিক

    শরীরে নিষিদ্ধ ঘোষিত ড্রাগের উপস্থিতি পাওয়ার পর ২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে বাংলাদেশী পেসার কাজি অনিক ইসলামকে। ২০১৮ সালের নভেম্বরে কক্সবাজারে জাতীয় লিগে ঢাকা মেট্রোর হয়ে চট্টগ্রামের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার পর তার থেকে সংগৃহিত মূত্র-নমুনায় মেথামফেটামিন (ডি) এর উপস্থিতির প্রেক্ষিতে বিসিবির অ্যান্টি-ডোপিং কোডের অধীনে এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে তাকে। 

    তবে অনিকের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শুরু হয়েছে ২০১৯ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই। ওইদিন তার মূত্রনমুনায় নিষিদ্ধঘোষিত ড্রাগের খবর দেওয়া হয়েছিল তাকে টেলিফোনে। অনিকের সুযোগ ছিল এ ফল চ্যালেঞ্জ করে দ্বিতীয় নমুনা দেওয়ার, তবে সেটি করেননি তিনি। 

    ২০১৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ল্যাবরেটরি পরীক্ষার পূর্ণ রিপোর্ট পাওয়ার পর সেটি পর্যবেক্ষণে পাঠায় বিসিবি। তাদের অ্যান্টি-ডোপিং কোড-- যা আইসিসির অ্যান্টি-ডোপিং কোড অনুযায়ী বানানো-- এর ২.১ ধারা লঙ্ঘন করেছেন অনিক, যেখানে ক্রিকেটারের শরীরে নিষিদ্ধঘোষিত বস্তুর উপস্থিতি পাওয়া যায়। 

    এরপর গত বছরের ডিসেম্বরে অনিককে কারণদর্শানো চিঠি দিয়ে তার অপরাধের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় বিসিবি। এ বছরের মার্চে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের দোষ স্বীকার করে নেন অনিক, এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক শুনানির দাবিও করেননি তিনি। 
     


    ২০১৭ সালে বিপিএল অভিষেকে রাজশাহী কিংসের হয়ে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন অনিক/রাজশাহী কিংস


    ধারা অনুযায়ী অনিকের ৪ বছর পর্যন্ত শাস্তি হতে পারতো। তবে “জনাব অনিকের ভুলের মাত্রা, তার কম বয়স ও এর প্রেক্ষিতে অনভিজ্ঞতা, পারফরম্যান্স-বর্ধক হিসেবে নিষিদ্ধ বস্তু গ্রহণ না করা, অ্যান্টি-ডোপিংয়ের জ্ঞানে সীমাবদ্ধতা এবং প্রথমবার তাকে জানানোর পর দোষ স্বীকার করা”-কে বিবেচনায় এনে ২ বছরের শাস্তিকেই যথেষ্ট মনে করেছে বিসিবি। সঙ্গে আনুষ্ঠানিক শুনানি না চাওয়ার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সময় ও অর্থ বাঁচানোর কারণেও তাকে ১৪ জুলাই প্রকাশিত রিপোর্টে সাধুবাদ জানিয়েছে বিসিবি। 

    প্রথমবার তাকে এ ব্যাপারে জানানোর পর থেকেই স্বেচ্ছা-বিরতি নিয়েছিলেন অনিক, ফলে সেটিও তার নিষেধাজ্ঞার আওতার মধ্যেই পড়বে। বিসিবির অ্যান্টি-ডোপিং ধারার অনুচ্ছেদ ১০.১০.১, ১০.১০.২ ও ১০.১০.৩ অনুযায়ী আগামী বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাতে শেষ হবে তার নিষেধাজ্ঞা। এ সময়ে অ্যান্টি-ডোপিং কার্যক্রমের বাইরে কোনও রকমের ক্রিকেট-সম্পর্কিত কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না তিনি। 

    ১৯৯৮ সালের মার্চে জন্ম নেওয়া অনিক ২০১৮ সালে অ-১৯ বিশ্বকাপে খেলেছিলেন বাংলাদেশের হয়ে। সে টুর্নামেন্টে ১০ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সেরা বোলার ছিলেন তিনি। এখন পর্যন্ত ৪টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ ছাড়াও তিনি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেলেছেন আবাহনী ও মোহামেডানের হয়ে। এছাড়াও বিপিএলে রাজশাহী কিংস ও ঢাকা ডায়নামাইটসের হয়ে খেলেছেন তিনি। 
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন