• সিরি আ
  • " />

     

    লেভানডফস্কিকে ছুঁয়ে টট্টিকে মনে করাচ্ছেন ইমমোবিলে

    সিরি আর নিষ্পত্তি হয়ে গেছে কাল রাতেই, সাম্পদোরিয়াকে হারিয়ে টানা নবম বারের মতো শিরোপা জিতেছে জুভেন্টাস। তবে সিরি আর আরেকটা ‘ট্রফি’ নিয়ে লড়াই চলছে এখনো। সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে বেশ কিছুটা এগিয়ে গেছেন চিরো ইমমোবিলে, ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুটের পুরস্কারও এখন তার হাতের নাগালে। আর তাকে ধাওয়া করছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

    লাৎসিওর হয়ে কাল যখন মাঠে নেমেছিলেন ইমমোবিলের গোল ছিল ৩১। অতিরিক্ত সময়ে হ্যাটট্রিক করে গোলসংখ্যা নিয়ে গেলেন ৩৪-এ, ছুঁয়ে ফেললেন রবার্ট লেভানডফস্কিকে। বায়ার্নের হয়ে এই মৌসুমে ৩৪ গোল করেছিলেন লেভানডফস্কি, গোল্ডেন বুটের দৌড়েও এগিয়ে ছিলেন অনেকটা। তবে ইমমোবিলে এখন ছুঁয়ে ফেলেছেন তাঁকে, পরের দুই ম্যাচে এক গোল পেলেই ছাড়িয়ে যাবেন। ইতালি থেকে সর্বশেষ গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন ফ্রান্সেসকো টট্টি, ২০০৬-০৭ মৌসুমে রোমার হয়ে করেছিলেন ২৬ গোল। ইমমোবিলের সামনে আরেকটি হাতছানিও আছে। সিসি আ তে এক মৌসুমে সবচেয়ে বেশি ৩৬ গোল করার রেকর্ড ছিল যৌথভাবে গঞ্জালো হিগুয়াইন ও জিনো রোসেত্তির। আর দুই গোল হলে ইমমোবিলে ছুঁয়ে ফেলবেন তাদের, তিন গোল হলে ছাড়িয়ে সবার ওপরে যাবেন।

    তবে ইমমোবিলে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ এখনো আছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। কাল জুভেন্টাসের হয়ে শিরোপা এনে দেওয়ার ম্যাচে গোল করেছেন, সিরি আ তে এখন তার গোল ৩১। শেষে পেনাল্টি মিস না করলে ৩২ গোল হতো, ইমমোবিলের আরও কাছে চলে যেতেন। করোনা-বিরতি শেষে নতুন করে খেলা শুরুর পর ইউরোপের শীর্ষ লিগে সবচেয়ে বেশি গোল রোনালদোরই। অবশ্য ইমমোবিলেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার জন্য আরও দুইটি ম্যাচ পাচ্ছেন রোনালদো সেই ম্যাচ দুইটি খেলবেন ক্যালিয়ারি আর রোমার সাথে। ইমমোবিলে পরের ম্যাচটি খেলবেন ব্রেসিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে। আর শেষ ম্যাচটি খেলতে হবে নাপোলির মাঠে অ্যাওয়েতে।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন