• সিরি আ
  • " />

     

    হাফসেঞ্চুরি পূরণ করে ইব্রাহিমোভিচ বললেন তিনি বেঞ্জামিন বাটনের মতো

    ইব্রাহিমোভিচ যখন শীতকালিন দলবদলে আবার মিলানে এলেন, এসি মিলান তখন পয়েন্ট টেবিলের ১১ তে। ইব্রা ইফেক্ট ভালোমতোই কাজে দিয়েছে মিলানের।  স্টেফানো পিওলির দল দারুণ প্রত্যাবর্তনে লিগের এক ম্যাচ থাকতে ইউরোপা লিগের জায়গা নিশ্চিত করে ফেলল সাম্পদোরিয়াকে হারিয়ে। মিলানের ৪-১ গোলের জয়ে ইব্রাহিমোভিচ করেছেন জোড়া গোল। এই জয়ের মতো মিলানের প্রত্যাবর্তনেও বড় অবদান আছে ইব্রাহিমোভিচের। লিগের ১৭ ম্যাচে ৩৮ বছর বয়সীর করা হয়ে গেছে ৯ গোল।


    সাম্পদোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ শেষে ইব্রাহিমোভিচ নিজের তুলনা করেছেন ব্র্যাড পিটের সিনেমা কিউরিয়াস কেস অফ বেঞ্জামিন বাটনের সঙ্গে। বেঞ্জামিন বাটন যেমন বয়সের সঙ্গে তারুন্য ফিরে পেয়েছিলেন, হাসতে হাসতে ইব্রাও বলেছেন তার অবস্থাও নাকি ওরকমই!

    "তারা বলেছিল আমি নাকি বুড়ো। অথচ আমি কেবল ওয়ার্ম আপ শুরু করেছি।"

    "আমি হলাম বেঞ্জামিন বাটন, আমি বুড়ো হই না। আমি তরুণ হচ্ছি।"

    সাম্পদোরিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে আরও কিছু রেকর্ডও যোগ হয়েছে ইব্রাহিমোভিচের ক্যারিয়ারে। ২০১০-২০১২ পর্যন্ত ৪২ গোল করে মিলান ছেড়ে পিএসজিতে যোগ দিয়েছিলেন সুইডিশ স্ট্রাইকার। সাম্পদোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের ৪ মিনিটেই বাম দিক থেকে আসা ক্রসে হেড করে গোল করেন ইব্রাহিমোভিচ। সিরি আ ক্যারিয়ারে এটিই ইব্রাহিমোভিচের দ্রুততম গোল। ওই গোলে মিলানের জার্সিতে গোলের হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন ইব্রাহিমোভিচ। এর আগে ইন্টার মিলানের হয়ে ৩ মৌসুমে ৫৭ গোল করেছিলেন তিনি। দুই মিলানের হয়ে গোলের হাফসেঞ্চুরি পূরণ করা একমাত্র ফুটবলার এখন ৩৮ বছর বয়সী।

    দ্বিতীয়ার্ধে হাকান চালহানলুকে দিয়ে গোল করিয়ে একটি অ্যাসিস্টও ইব্রাহিমোভিচ যোগ করেছেন নামের পাশে। এর খানিক বাদেই আবার সেই চালহানলুর থ্রু পাস থেকে বাম পায়ের ফিনিশে ম্যাচের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। জিয়ানলুইজি ডোনারুমা এরপর সাম্পদোরিয়ার একটি পেনাল্টিও ঠেকিয়ে দিয়েছিলেন। তবে ক্রিস্টোফার আস্কিলদসেনের দূর পাল্লার দারুণ শট জালে জড়ালে আর ক্লিনশিট পাওয়া হয়নি ইতালিয়ান গোলরক্ষকের। শেষদিকে মিলানের হয়ে রাফায়েল লেয়াও করেছেন আরেক গোল।

    এই জয়ের পর লিগে ষষ্ঠ স্থান নিশ্চিত হয়েছে রোসোনেরিদের। লিগের শেষ ম্যাচে ক্যালিয়ারির বিপক্ষে খেলবে তারা।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন