• ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    থিয়াগোকে দলে ভেড়াচ্ছে লিভারপুল

    অবশেষে বায়ার্নের ৩০ মিলিয়ন ইউরোর দাবী মেনেই থিয়াগো আলকান্তারাকে দলে টানতে যাচ্ছে লিভারপুল। ব্রিটিশ ওয়েবসাইট দ্য অ্যাথলেটিকের ডেভিড ওর্নস্টেইন খবরটি নিশ্চিত করেছেন। সোমবার থেকে বায়ার্নের সঙ্গে থিয়াগোকে নিয়ে আলোচনা এগিয়েছে দুই ক্লাবের মাঝে। বায়ার্নের সূত্রগুলো বলছে, ১৯ সেপ্টেম্বর বুন্দেসলিগার নতুন মৌসুম শুরুর আগেই এই দলবদল চূড়ান্ত হয়ে যেতে পারে। ৪ বছরের চুক্তিতে লিভারপুলে আসবেন তিনি।


    গত মৌসুম শেষের আগে থেকেই থিয়াগোর বায়ার্ন ছাড়ার গুঞ্জন শুরু হয়। মে-তে ক্লাবের সঙ্গে নতুন চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করলেও দ্রুতই মত পাল্টে থিয়াগো 'নতুন চ্যালেঞ্জে'র জন্য ক্লাব ছাড়ার ইচ্ছের কথা বায়ার্নকে জানান। আর তার লিভারপুলে আসার বিষয়টি নিয়ে তখন থেকেই জল্পনা-কল্পনা চলছে। তবে ইউরোপের অন্যতম সেরা সৃষ্টিশীল এই মিডফিল্ডারের জন্য লিভারপুল ৩০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করতে রাজি নয় বলে শোনা গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত অবশ্য ৩০ মিলিয়ন ইউরো ব্যয়েই তাকে অ্যানফিল্ডে আনতে যাচ্ছে অলরেডরা। থিয়াগোর সঙ্গে বায়ার্নের চুক্তি রয়েছে ২০২১ পর্যন্ত।

    সাত বছর আগে আরেক ইউরোপিয়ান বার্সেলোনা থেকে বায়ার্ন মিউনিখে এসেছিলেন থিয়াগো। বায়ার্নের হয়ে সাত মৌসুমে ২৩৫ ম্যাচ খেলেছেন। সৃজনশীল মিডফিল্ডার হিসেবে বায়ার্নের মধ্যমাঠ দাপিয়ে বেড়িয়েছেন এই সাত মৌসুম। লিভারপুলের মিডফিল্ডার জর্জিনিও ওয়াইনাল্ডামের বার্সেলোনায় যাওয়ার গুঞ্জন উঠেছে। তাই তার জায়গায় ২৯ বছর বয়সী থিয়াগোকে দলে টানাটা দারুণ হবে লিভারপুলের জন্য। সর্বোচ্চ পর্যায়ে তার দীর্ঘ সময়ে খেলার অভিজ্ঞতা দিয়ে মধ্যমাঠে লিভারপুলকে স্থিতিশীলতা এনে দেবেন থিয়াগো।

    থিয়াগোর বাবা মাজিনহো ১৯৯৪ সালে ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন। আর তার ভাই রাফিনহা আলকান্তারা বর্তমানে বার্সেলোনায় রয়েছেন।

    দলবদলের সর্বশেষ খবর জানতে এই থ্রেডে চোখ রাখুন

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন