• প্রীতি ম্যাচ
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    প্রীতি ম্যাচ : পর্তুগাল-স্পেন গোলশূন্য ড্র, প্লাতিনিকে ছাড়িয়ে গেলেন জিরু, জার্মানি-তুরস্ক ৬ গোলের থ্রিলার

    পর্তুগাল-স্পেন গোলশূন্য ড্রয়ে শেষ
    ২০১৮ বিশ্বকাপে এই দুইদলের ম্যাচ দেখেছিল ৬ গোলের রোমাঞ্চ। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো করেছিলেন হ্যাটট্রিক। প্রীতি ম্যাচ হলেও তাই এই পর্তুগাল আর স্পেনের ম্যাচ নিয়ে তাই আগ্রহের কমতি ছিল না। অবশ্য দুই বছর আগের স্মৃতি আর ফেরেনি প্রীতি ম্যাচে। গোলশূন্য ড্র করেছে দুইদল।


    প্রথমার্ধে স্পেনের অধীনে খেলার নিয়ন্ত্রণ থাকলেও আক্রমণভাগে হেলায় সুযোগ হারিয়েছে স্পেন। তবে দ্বিতীয়ার্ধে জ্বলে উঠেছিল পর্তুগাল। ৫২ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বাম পায়ের জোরালো শট গিয়ে লাগে বারপোস্টে। ফিরতি বলে রেনাট সানচেজও হেড আর লক্ষ্যে রাখতে পারেননি। কিছুক্ষণ পর এই জুটি আরও একবার এগিয়ে দিতে পারত পর্তুগালকে। এবার রোনালদোর কাছ থেকে পাওয়া বলে শট করেছিলেন সানচেজ। কিন্তু এবারও কেপার বারপোস্ট কাঁপিয়ে বল চলে যায় বাইরে।

    আক্রমণভাগে স্পেনও সেরা সুযোগটি পেয়েছিল দ্বিতীয়ার্ধেই। বদলি আদামা ত্রায়োরের ক্রস থেকে দানিয়েল ওলমোর শট গোলরক্ষক তুই প্যাট্রিসিও দারুণ এক সেভে আটকে দেন।

    রোনালদো মাঠে ছিলেন ৭২ মিনিট পর্যন্ত। আর সার্জিও রামোস মাঠে নেমেছিলেন ৮১ মিনিটে। সাবেক দুই সতীর্থের দেখা মাঠে হয়নি। তবে রোনালদোর  জায়গায় নামা হোয়াও ফেলিক্স ম্যাচের একেবারে শেষদিকে পর্তুগালকে জিতিয়ে দিতে পারতেন। সানচেজের হেড দূরের পোস্টে তার কাছে গেলেও, বলের নাগাল পাননি ফেলিক্স। পর্তুগালের মাঠে কয়েক হাজার সমর্থকের উপস্থিতি ম্যাচটা তাই শেষ হয়েছে ড্র-তেই।

    ফ্রান্সের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন জিরু
    অলিভিয়ের জিরু কেন ফ্রান্সে নিয়মিত সুযোগ পান- সে প্রশ্ন হরহামেশাই ওঠে। বিশ্বকাপে কোনো গোল না করেও ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী দলের নিয়মিত সদস্য ছিলেন জিরু। ৩৪ বছর বয়সী চেলসি স্ট্রাইকার চেলসির হয়েও একাদশে নিয়মিত নন। কিন্তু জাতীয় দলে জিরু যেন অন্য বস্তু। ফ্রান্সের সেরা ৫ গোলদাতার ভেতর জিরু জায়গা করে নিয়েছিলেন বহু আগেই। এবার জাতীয় দলের হয়ে শততম ম্যাচ খেলতে নেমে জিরু টপকে গেছেন কিংবদন্তী মিশেল প্লাতিনিকে। তার সামনে আছেন কেবল থিয়েরি অঁরি। ইউক্রেনের বিপক্ষে ফ্রান্সের ৭-১ ব্যবধানে জেতা ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন জিরু। ওই দুই গোলে এখন ফ্রান্সের ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি।



    আন্দ্রে শেভচেঙ্কোর ইউক্রেনের বিপক্ষে ফ্রান্সের গোলের সূচনা করেছিলেন এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা। একাদশে নিজের অভিষেকে ওভারহেড কিকে দারুণ এক গোল করেছেন এই তরুণ। এরপর ২৪ আর ৩৪ মিনিটে দুই গোল করে জিরু টপকে যান ফ্রান্সের হয়ে ৪১ গোল করা প্লাতিনির রেকর্ড। ফ্রান্সের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার রেকর্ডটিও এখন হাতছানি দিচ্ছে তাকে। ফ্রান্সের হয়ে সর্বোচ্চ  ৫১ গোল অঁরির। 

    ইউক্রেনের আত্মঘাতী গোলে প্রথমার্ধ শেষেই ৪-০ তে এগিয়ে ছিল বিশ্বকাপ জয়ীরা। পরে দ্বিতীয়ার্ধে ইউক্রেন এক গোল শোধ করলেও, কোরেন্টিন তোলিসো আর বদলি কিলিয়ান এমবাপে আর আন্টোয়ান গ্রিযমানের কাছে গোল হজম করে বড় হার জুটেছে তাদের কপালে।

    ৮৯ মিনিটে গোল করে গ্রিযমান নিজেও টপকে গেছেন জিনেদিন জিদানকে। ৩২ গোল করে এখন এককভাবে ফ্রান্সের পঞ্চম সর্বোচ্চ গোলদাতা গ্রিযমান।

    তিনবার এগিয়ে গিয়েও পার পেল না জার্মানি
    তুরস্কের বিপক্ষে তিনবার এগিয়ে গিয়েছিল জার্মানি। তবে তাতেও পার পায়নি তারা। তিনবারই পেছন থেকে ফিরে এসেছে তুরক্স। ম্যাচ ড্র হয়েছে ৩-৩ গোলে।


    বিরতির ঠিক আগে উলিয়ান ড্রাক্সলারের গোলে লিড নিয়েছিল জার্মানরা। বিরতির পর ৫ মিনিটে মাথায় সেই গোল শোধ করে দেন ওজান তুফান। ৫৮ মিনিটে অভিষিক্ত ফ্লোরিয়ান নেউহাস গোল করলে আবার এগিয়ে যায় জার্মানি। কিন্তু মিনিট দশেক পর আবার এফেসান কারাসার গোলে ম্যাচে ফেরে তুরস্ক। ৮১ মিনিটে ওয়াল্ডশিমঠ গোল পরে যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে শোধ করে জার্মানিকে হতাশায় ডুবিয়েছেন কেনান কারামান।

    ইতালির বড় জয়, নেদারল্যান্ডস হারল মেক্সিকোর কাছে
    মলদোভাকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ইতালি। ব্রায়ান ক্রিস্টান্টে, ফ্রানসেস্কো কাপুতা, ডমিনিকো বেরার্দি করেছেন একটি করে গোল। স্টিফেন এল শারাউই করেছেন জোড়া গোল। আর অন্যটি আত্মঘাতী।

    নেদারল্যান্ডসের নতুন কোচ ফ্রাঙ্ক ডি বোয়ের শুরুটা মোটেই ভালো হলো না। মেক্সিকোর বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ৬০ মিনিটে পেনাল্টি থেকে রাউল হিমেনেজের গোলে হেরে গেছে নেদারল্যান্ডস। রোনাল্ড কোমান বার্সেলোনার দায়িত্ব নেওয়ার পর ডি বোয়ের নতুন কোচ হয়ে এসেছিলেন সপ্তাহখানেক আগে। প্রথম ম্যাচেই হারের তিক্ত স্বাদ পেতে হলো তার দলকে।  

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন