• ক্রিকেট, অন্যান্য
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    চলে গেলেন নিউজিল্যান্ডের প্রথম টেস্ট জয়ের অধিনায়ক

     

    চলে গেলেন নিউজিল্যান্ডের প্রথম টেস্ট জয়ের অধিনায়ক জন রিড। ৯২ বছর ১৩৩ দিনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি, মারা যাওয়ার আগে ইনি ছিলেন টেস্ট ক্রিকেটের পঞ্চম বয়োজ্যেষ্ঠ ক্রিকেটার।

    ১৯৪৯ সালে রিডের টেস্ট অভিষেক যখন হয়, তখনও নিউজিল্যান্ডের কোনো টেস্ট জয় ছিল না। এরপর বছর সাতেক পর রিডের অধীনেই অপেক্ষার পালা সাঙ্গ হয় কিউইদের, ২৬ বছর পর প্রথম টেস্ট জেতে। ১৯৫৬ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেই জয় নিউজিল্যান্ডের ৪৫তম টেস্টে। ১৯৬১-৬২ মৌসুমে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে নিউজিল্যান্ডের প্রথম অ্যাওয়ে জয়ও আসে তার অধীনেই, সেই দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে করেছিলেন ১৯১৫ রান। রিডের একটা রেকর্ড টিকে আছে এখনো। নিউজিল্যান্ডের ১৫৯ রানের অল আউট হওয়ার ইনিংসে রিড একাই করেছিলেন ১০০। এখনো সব রানের ইনিংসে সেঞ্চুরির রেকর্ড হয়ে আছে সেটি। খেলতে চেয়েছিলেন রাগবি, তবে হার্টের জন্য সেই স্বপ্ন জলাঞ্জলি দিয়ে এসেছিলেন ক্রিকেটে। ক্যারিয়ারে ৫৮ টেস্টে ৩৪২৮ রান বলছে খুব বেশি ভুল করেননি তিনি। সঙ্গে মিডিয়াম পেস বোলিংটাও করতেন ভালো, ৮৫টি টেস্ট উইকেটও আছে তার। প্রথম শ্রেণিতে তার ২৯৬ রানের ইনিংস ১৫টি ছয়ের রেকর্ড অনেক দিন টিকে ছিল প্রথম শ্রেণিতে এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ছয়ের রেকর্ড হিসেবে।

    খেলা ছাড়ার পর কিছুদিন কোচের ভূমিকায় কাজ করেছেন রিড, ছিলেন দেশের নির্বাচক। কাজ করেছেন আইসিসির ম্যাচ রেফারি হিসেবেও ১৯৯৩ সাল থেকে ২০০২ পর্যন্ত। এরপর হয়েছিলেন নিউজিল্যান্ড বোর্ডের চেয়ারম্যান।

    রিডের মৃত্যুর আগে তিনি ছিলেন নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে বেশি বয়সী ক্রিকেটার। তার মৃত্যুর পর ৯০ বছর ৩৪১ দিন নিয়ে নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে বেশি বয়সী ক্রিকেটার এখন ট্রেভর ম্যাকমোহন।

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন