• লা লিগা
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    ভিএআর বোঝেন না কোমান, পেনাল্টি নিয়ে ল্যাম্পার্ডেরও ক্ষোভ

    পেনাল্টি কেন দেওয়া হল বা হল না, ফুটবলে এখন প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই এই বিতর্ক কমবেশি থাকে। শনিবার ইউরোপে দুটি বড় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে, লা লিগায় এল ক্লাসিকো এবং প্রিমিয়ার লিগে দুই ইংলিশ জায়ান্ট ম্যান ইউনাইটেড ও চেলসি মুখোমুখি হয়েছিল। ক্লাসিকোতে ভিএআর রিয়াল মাদ্রিদকে পেনাল্টি দেওয়াতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বার্সা কোচ রোনাল্ড কোমান, আর প্রিমিয়ার লিগে চেলসি কোচ ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের আক্ষেপ, ম্যান ইউনাইটেডের হ্যারি মাগুয়ের ‘পরিষ্কারভাবে’ আজপিলিকুয়েতাকে ফাউল করার পরেও কেন পেনাল্টি দেওয়া হল না।

    এল ক্লাসিকোতে ফেদে ভালভার্দের পঞ্চম মিনিটের গোলে রিয়াল মাদ্রিদ এগিয়ে যাওয়ার মিনিট তিনেক পরেই আনসু ফাতির গোলে সমতায় ফেরে বার্সেলোনা। এরপর প্রথমার্ধে কোনো গোল হয়নি। ১-১ গোলে সমতায় খেলা চলছিল। তখনই ৬৩ মিনিটে একটি কর্নার ডিফেন্ড করতে গিয়ে বক্সের ভেতর বার্সা ডিফেন্ডার ক্লেম লংলে রিয়াল অধিনায়ক রামোসের জার্সি টেনে ফেলে দেন। রেফারি ভিএআরের সঙ্গে পরামর্শের পর মাঠের পাশে রাখা স্ক্রিনে ঘটনাটি দেখে তবেই পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন।

    আপাতদৃষ্টিতে পেনাল্টির সিদ্ধান্তটি পরিষ্কার মনে হলেও বার্সা কোচ কোমান ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া সেই মুহূর্তে ভিএআরের সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না, “আমি ভিএআর বুঝি না। এটাকে শুধু বার্সার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত দেওয়ার জন্যেই ব্যবহার করা হয়। বক্সের মধ্যে এভাবে শার্ট টানাহেঁচড়া প্রায়ই হয়। আর আমি মনে করি, রামোস আগে লংলেকে ফাউল করেছিল। শার্ট টানা হয়েছিল, তবে রামোস যেভাবে পড়ে গেছে অত জোরে টানা হয়নি। আমার কাছে এটা পেনাল্টি মনে হয়নি।”

    ওদিকে প্রিমিয়ার লিগে চেলসি কোচের ক্ষোভও ভিএআর নিয়ে। তবে ভিএআরের কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে নয়, বরং নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে। প্রথমার্ধের ৪০ মিনিটে কর্নার ডিফেন্ড করতে গিয়ে শুন্যে লাফিয়ে অনেকটা চেলসি ডিফেন্ডার আজপিলিকুয়েতাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে ফেলে ম্যান ইউনাইটেডের মাগুয়ের। চেলসি খেলোয়াড়রা তৎক্ষণাৎ পেনাল্টির জোর আবেদন জানালেও রেফারি বা ভিএ আর কেউই সেই আরজি কানে তোলেননি।

    ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হওয়ার পর তাই ভিএআরের ওপর ক্ষোভ ঝেড়েছেন ল্যাম্পার্ড, “হ্যা, বক্সের ভেতর আটকে রাখা যায়। তবে হেডলক করা ঠিক নয়। ভিএআর আরেকটু সময় নিতে পার্ট, রেফারি মনিটরেও ঘটনাটি দেখতে পারত। আমি নিশ্চিত, রেফারি মনিটরে ঘটনাটি দেখলেই পেনাল্টি দিত।”

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন