• ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাংলাদেশ সফর ২০২১
  • " />

     

    কোভিড-১৯ সংক্রান্ত শঙ্কায় বাংলাদেশ সফরে আসছেন না ও. ইন্ডিজের ১০ জন সিনিয়র ক্রিকেটার

    কোভিড-১৯ সংক্রান্ত শঙ্কায় বাংলাদেশ সফরে আসছেন না ও. ইন্ডিজের ১০ জন সিনিয়র ক্রিকেটার    

    টেস্ট অধিনায়ক জেসন হোল্ডার, সীমিত ওভারের অধিনায়ক কাইরন পোলার্ডসহ ১০ জন সিনিয়র ক্রিকেটারকে ছাড়াই বাংলাদেশ সফরে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কোভিড-১৯ সংক্রান্ত ‘ব্যক্তিগত উদ্বেগ’ ও ‘আশঙ্কা’র কারণে এ সফর থেকে হোল্ডার-পোলার্ড ছাড়াও নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন ড্যারেন ব্রাভো, শামারহ ব্রুকস, রসটন চেজ, শেলডন কটরেল, এভিন লুইস, শেই হোপ, শিমরন হেটমায়ার ও নিকোলাস পুরান। এছাড়া ব্যক্তিগত কারণে আসবেন না উইকেটকিপার শেন ডাওরিচ ও ফ্যাবিয়ান অ্যালেন। 

    আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অধীনে দুটি টেস্ট ও আইসিসি বিশ্বকাপ সুপার লিগের অধীনে তিনটি ওয়ানডের জন্য মঙ্গলবার দল ঘোষণা করেছে ক্রিকেট উইন্ডিজ।

    নিয়মিত টেস্ট অধিনায়ক হোল্ডারের বদলে নেতৃত্ব দেবেন ক্রেইগ ব্রাথওয়েট, সহ-অধিনায়ক করা হয়েছে জেরমাইন ব্ল্যাকউডকে। ওয়ানডে দলকে নেতৃত্ব দেবেন জেসন মোহাম্মেদ, তার সহকারি হিসেবে থাকবেন সুনিল আমব্রিস। ২০১৮ সালের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেননি ২৮টি ওয়ানডের অভিজ্ঞতা থাকা ৩৪ বছর বয়সী মোহাম্মেদ। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। 
     


    টেস্ট দলে অভিষেকের অপেক্ষায় আছেন চারজন-- লেগস্পিনিং অলরাউন্ডার এনক্রুমাহ বোনার, টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান কাভেম হজ, বাঁহাতি ওপেনার শায়েন মোসেলি এবং অলরাউন্ডার কাইল মেয়ার্স। টেস্ট স্কোয়াডে মোটামুটি অভিজ্ঞতা থাকলেও ওয়ানডে দল একেবারেই নবীন ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ৮ জনের অভিষেকই হয়নি, সবার মিলিত অভিজ্ঞতা ১০০ ম্যাচেরও কম। 

    “ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোভিড-১৯ নীটি অনুযায়ী যে কোনো ক্রিকেটার যে কোনো বিদেশ সফর থেকে নিজেদের সরিয়ে নিতে পারবেন, যদি তারা নিজেদের নিয়ে কোনো শঙ্কা বা উদ্বেগে থাকেন। এমন সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে তাদের দলে নির্বাচনের ক্ষেত্রে বাধা হবে না”, এক বিবৃতিতে বলেছে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ। 
     


    এমন দল নিয়ে আসার চেয়ে সফর বাতিল করা শ্রেয় ছিল কিনা-- সে প্রশ্নের জবাবে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান নির্বাচক রজার হার্পার বলেছেন, সেটি তার আওতার বাইরে। তবে এটিকে একটি সুযোগ হিসেবে দেখেন তিনি, “বাংলাদেশ সফর কখনোই সহজ নয়, যেহেতু তারা নিজেদের সফরে ভাল খেলে সবসময়। হয়তো বেশ কয়েকজন সিনিয়র ক্রিকেটার নেই, তবে আমি আশা করি আমাদের দল প্রতিদ্বন্দ্বীতামূলক ক্রিকেট খেলবে। আশা করি, তারা একটা লক্ষ্য নিয়ে খেলবে, প্যাশন এবং নিজেদের প্রমাণের জন্য খেলবে, যে তারা এই পর্যায়ে খেলার যোগ্য।” 

    ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশে এসে পৌঁছানোর পর ১৮ তারিখ বিকেএসপিতে একটি একদিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২০ থেকে ২৫ জানুয়ারি হবে তিনটি ওয়ানডে, যার প্রথম দুটি ঢাকায়, শেষটি চট্টগ্রামে। এরপর চট্টগ্রামে প্রথম টেস্ট শুরু হবে ৩ ফেব্রুয়ারি, ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে মিরপুরে হবে দ্বিতীয় টেস্ট। 

    কোভিড-১৯ মহামারি আসার পর এটিই হবে বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক সিরিজ। 
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন