• ক্রিকেট, অন্যান্য
  • " />

     

    দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরছেন কলপ্যাকে যাওয়া কাইল অ্যাবট

    দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরছেন কলপ্যাকে যাওয়া কাইল অ্যাবট    

    দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরছেন কলপ্যাকে ইংল্যান্ডে খেলতে যাওয়া কাইল অ্যাবট। ‘ব্রেক্সিট’-এর কারণে সব রকম কলপ্যাক চুক্তি বাতিল হয়ে গেছে। ২০১৭ সালে ৪ বছরের চুক্তিতে হ্যাম্পশায়ার খেলতে গিয়েছিলেন অ্যাবট। সামনে দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া ওয়ানডে টুর্নামেন্টে খেলবেন তিনি। 

    ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের এক সমঝোতা অনুযায়ী, কলপ্যাক চুক্তিতে খেলতে যাওয়া ক্রিকেটাররা স্থানীয় হিসেবে বিবেচিত হতেন। তবে যেহেতু যুক্তরাজ্য ইইউ ছেড়ে যাচ্ছে, ফলে সেসব ক্রিকেটার এখন বিদেশী ক্রিকেটারে পরিণত হবেন। যদিও কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ ও রয়্যাল লন্ডন ওয়ানডে কাপে প্রতি দলে বাড়ানো হয়েছে বিদেশী ক্রিকেটারের সংখ্যা। 

    ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে হ্যাম্পশায়ারের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়েছিলেন অ্যাবট। তবে কোভিড-১৯ মহামারিতে আন্তর্জাতিক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা থাকায় শেষ মৌসুমে খেলতে পারেননি তিনি। সে বছরের ডিসেম্বরের পর থেকে মাত্র দুটি শীর্ষস্থানীয় ম্যাচ খেলেছেন অ্যাবট, লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে। 

    আরও পড়ুন- কলপ্যাক কেন দক্ষিণ আফ্রিকার 'অভিশাপ'?

    “সবার মতো ২০২০ আমার জন্যও কঠিন ছিল। প্রায় এক বছর খেলিনি আমি। ডারবানে আরামসে বসে থেকে মাছ ধরেছি, এটা-সেটা করেছি। নতুন বছরে মনে হয়েছে, ‘কমফোর্ট জোন’ থেকে বের হওয়া উচিত আমার। এটা একটা পেশাদার দল, এবং আমার জন্য উপযুক্ত বলে মনে হয়েছে”, বলেছেন অ্যাবট। 

    কলপ্যাক চুক্তি বাতিল হয়ে যাওয়ার কারণে এভাবে দক্ষিণ আফ্রিকা ছেড়ে চলে যাওয়া ক্রিকেটাররা আবারও দেশের হয়ে খেলার জন্য বিবেচিত হবেন। তবে তাদেরকে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ড কীভাবে নেবে, সেটি একটা প্রশ্ন। 

    অবশ্য কলপ্যাক ছেড়ে দেশে চলে আসার ঘটনা নতুন নয়। দক্ষিণ আফ্রিকায় কলপ্যাক বরাবরই নিয়মিত এক ঘটনা, সেটি ছেড়ে আবারও দেশের হয়ে খেলতে ফিরে আসাটাও তাই। আবার দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া ক্রিকেটেও কলপ্যাকে থাকা ক্রিকেটাররা খেলেছেন, তবে এর আগে তাদেরকে বিদেশী হিসেবেই বিবেচনা করা হতো। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন