• লা লিগা
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    ডি ইয়ং-পুইয়ে এলচে বাধা পার হলো মেসিবিহীন বার্সেলোনা

    লিওনেল মেসি ছিলেন না আজ। সুপারকোপার ফাইনালে লাল কার্ড দেখেছিলেন, সেজন্য দুই ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা হয়েছে তার। এলচের সঙ্গে তাই অধিনায়ককে ছাড়াই মাঠে নেমেছিল বার্সা। তবে অভাবটা বুঝতে দেননি বাকিরা, ২-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে। 

    বার্সা ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যেতে পারত। ১১ মিনিতেই উসমান দেম্বেলের ক্রস থেকে গ্রিজমানের হেড সরাসরি চলে যায় এলচে গোলরক্ষকের হাতে। তার আগে রোনাল্ড আরাউহোও হেড থেকে দলকে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করেন। এলচেও হেড থেকে গোল করার সুযোগ পেয়েছিল অবশ্য। এরপর পেদ্রি, সার্জিও বুস্কেটসের শট এলচে গোলরক্ষকে চাপে ফেললেও গোল আর পাওয়া হয়নি। সেজন্য বার্সাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে প্রথমার্ধের প্রায় শেষ পর্যন্ত। বাঁদিক থেকে মার্টিন ব্রাথওয়েটের ক্রসটা ক্লিয়ার করতে গিয়ে প্রায় নিজের জালেই ঢুকিয়ে দিচ্ছিলেন এলচে ডিফেন্ডার। গোললাইন পেরিয়ে যাওয়ার একেবারে শেষ সময়ে পা ছুঁইয়ে গোলটা নিজের নামে লিখে নেন ফ্রাংকি ডি ইয়ং।

    দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরানোর দুর্দান্ত একটা সুযোগ পেয়েছিল এলচে। কিন্তু গোলরক্ষক মার্ক আন্দ্রে স্টেগান ওয়ান টু ওয়ানে ঠেকিয়ে দেন এমিলিয়ানো রিগানোর শট। নিশ্চিত গোল থেকে বাঁচিয়ে দেন দলকে। এরপর অন্তত দুবার বার্সা এগিয়ে যেতে পারত, দুবারই ত্রিনকাওকে গোলবঞ্চিত করে দারুণ সেভ করেন এলচে গোলরক্ষক। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। শেষ মুহূর্তে ডি ইয়ং এর পাস থেকেই গোল করে জয় নিশ্চিত করেন রিকি পুই। 

    এই জয়ে ১৯ ম্যাচে ৩৭ পয়েন্ট নিয়ে তিনে উঠে এলো বার্সা। সমান ম্যাচ খেলে রিয়ালের পয়েন্ট ৪০, ১৭ ম্যাচে ৪৪ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে অ্যাটলেটিকো।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন