• ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাংলাদেশ সফর ২০২১
  • " />

     

    অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশ আসছে ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ডও

    অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশ আসছে ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ডও    

    শুধু অস্ট্রেলিয়া নয়, এ বছর বাংলাদেশ সফরে আসবে ইংল্যান্ড-নিউজল্যান্ডও। তবে অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি এখনও। মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমকে এসব জানিয়েছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরি। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বাংলাদেশ সফরের কথা নিশ্চিত করেছেন বিসিবি প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপনও। 

    এফটিপিতে এমনিতেও ইংল্যান্ড সফর আছে আগে থেকেই, সেখানে ৩টি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলার কথা তাদের। আর কোভিড-১৯ এ স্থগিত হয়ে যাওয়া ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচের বদলে বাংলাদেশ সফরে এসে সীমিত ওভারের সিরিজ খেলতে চায় অস্ট্রেলিয়া। এ সফরের ব্যাপারে দুই বোর্ড ‘নীতিগতভাবে সম্মত’ বলে জানিয়েছেন নিজামউদ্দিন। 

    “আমরা অনেকগুলো অপশন বিবেচনা করে দেখছি। আপনারা জানেন যে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটা যেহেতু ভারতে নির্ধারিত আছে অক্টোবরে, তার আগে আমরা চেষ্টা করছি (এ সিরিজের)। এটা আমাদের এফটিপিতেই আছে, কয়েকটি দেশের বাংলাদেশ সফরের পরিকল্পনা রয়েছে, তার মধ্যে অস্ট্রেলিয়াও আছে। অস্ট্রেলিয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ সফরের ব্যাপারে আমরা দুই বোর্ড নীতিগতভাবে সম্মত আছি। আর এভাবেই আমাদের সূচি করা আছে”, বুধবার বলেছেন নিজামউদ্দিন।

    “আমরা আসলে কাজ করছি। এখনো পর্যন্ত কোনো (চূড়ান্ত) সিদ্ধান্ত হয়নি। এখনো পর্যন্ত যেটা আছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশ সফর করবে। এভাবেই আমাদের পরিকল্পনা আছে, এখন পর্যন্ত কোন ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজনের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।”

    কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ার হওয়ার কথা থাকা আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ স্থগিত হয়ে পিছিয়ে গেছে ২০২২ সালে, ২০২১ সালের আসর হবে ভারতে। বিশ্বকাপের আগে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে টি-টোয়েন্টি খেলাটা ভাল প্রস্তুতি বলে মনে করেন বিসিবি প্রধান নির্বাহী, “অস্ট্রেলিয়ার সাথে আমাদের তিন টেস্ট, দুই টি-টোয়েন্টি ছিল। এখন যেহেতু টি-টোয়েন্টিটা এখানে ফিট করা যাচ্ছে আমরা সেটা করছি। দুইটা টি-টোয়েন্টি বাড়িয়ে তিনটা করা হচ্ছে। এর মানে এই না যে, এটার বদলে ওটা-- যতটুকু ফিট করা যায়। যেমন যদি টেস্ট ফিট করার জায়গা থাকতো আমরা টেস্ট ফিট করতাম।”

    তবে এক সাইকেলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচ পরের সাইকেলে খেলার সুযোগ নেই বলে ফাইনালের পর স্থগিত হয়ে যাওয়া সিরিজ বাকি থাকলে সেসব আর হবে না, “টেস্ট এবং ওয়ানডেগুলো এখন (যথাক্রমে) টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ও বিশ্বকাপ সুপার লিগের অন্তর্ভুক্ত। আর এটার নির্দিষ্ট সময়সীমাও থাকে। ফলে আগের মতো স্থগিত হলে তিন বছর পরে ফাঁকা সময়েও ফিট করে দেওয়ার সুযোগ থাকছে না। এই কারণেই সুযোগ নেই, যেহেতু, এটার ফাইনাল হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ ফাইনাল হয়ে গেলে ঐ প্রতিযোগিতার কোনো খেলা খেলার সুযোগ নেই। সেক্ষেত্রে বাড়তি ম্যাচ খেলতে হবে। কিন্তু বর্তমান যে এফটিপির কমিটমেন্ট, তাতে বাড়তি ম্যাচ খেলার সুযোগ কমে যাচ্ছে। আমরাও যতটুকু পারি চেষ্টা করি, সর্বোচ্চসংখ্যক খেলাটা আয়োজন করতে। আর বড়দের (দলগুলির) জন্য তো আরও সম্ভব না।”

    স্থগিত হয়ে যাওয়া শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচ এপ্রিলের দিকে হতে পারে বলেও জানিয়েছেন নিজামউদ্দিন। 
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন