• লা লিগা
  • " />

     

    শেষ মুহূর্তে দেম্বেলের গোলে অ্যাটলেটিকোর আরও কাছে বার্সা

    শেষ মুহূর্তে দেম্বেলের গোলে অ্যাটলেটিকোর আরও কাছে বার্সা    

    ম্যাচের সময় প্রায় শেষের দিকে। ম্যাচে তখনও সমতা, বার্সেলোনা শংকায় শিরোপা লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়ায়। দশ জনের ভায়াদোলিদ বার্সাকে ঠেকিয়ে রেখেছে তখনো। সেই মুহূর্তে ডান দিক থেকে একটা ক্রস উড়ে এলো ভায়াদোলিদের বক্সে। সেটা ক্লিয়ার করতে গিয়ে বাঁদিকে ঠেলে দিলেন ভায়াদোলিদ ডিফেন্ডার, কিন্তু তক্কে তক্কে থাকা উসমান দেম্বেলে বাঁ পায়ের শটে কাছের পোস্ট দিয়ে বল জড়িয়ে দিলেন জালে। বার্সা পেল অনেক স্বস্তির একটা জয়। তার চেয়েও বড় কথা অ্যাটলেটিকোর ঘাড়ের ওপর নিঃশ্বাস ফেলছে তারা। দুই দলের ব্যবধান মাত্র এক পয়েন্ট। 

    গত বছরের শেষের কাদিজের কাছে হারার পর আর হারেনি বার্সা। এই বছরে এখন পর্যন্ত শীর্ষ পাঁচ লিগে একমাত্র অপরাজিত দল তারা। কাল অবশ্য জয় ছাড়া অন্য কিছু ভাবেনি। কিন্তু প্রথমার্ধে সেই সুযোগ খুব বেশি পায়নি। ভায়াদোলিদের রক্ষণ মেসিদের খুব একটা সুযোগ দেয়নি, নিজেদের মধ্যে বল বিনিময় করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে বার্সাকে বেশির ভাগ সময়। শুরুতে বরং কেনান কদ্রর হেডে এগিয়ে যেতে পারত ভায়াদোলিদ, কিন্তু সেটা ফিরে আসে পোস্টে লেগে। প্রথমার্ধের শেষের দিকে সুযোগ পেয়েছিল বার্সা, কিন্তু পেদ্রির শট ভায়াদোলিদ গোলরক্ষক ফিরিয়ে দেওয়ার পর ফিরে আসে পোস্টে লেগে। 

    কিন্তু সেভাবে বার্সা চাপ দিতে পারছিল না। ৭০ মিনিতে মেসি সুযোগ পেয়েছিলেন, কিন্তু বাইরে মেরে দেন। তার আগে আলবা পেনাল্টি বক্সের ভেতর হাত দিয়ে ধরেছিলেন, কিন্তু পেনাল্টির বাঁশি দেননি রেফারি। তবে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া মুহূর্ত আসে ৭৯ মিনিটে। দেম্বেলেকে পেছন দিক থেকে ফাউল করার জন্য সরাসরি লাল কার্ড দেখেন প্লানো, যদিও ভায়াদোলিদ কোচ ম্যাচ শেষে এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেছেন। এরপরেই বার্সা চাপ বাড়ায়, আর শেষ দিকে দেম্বেলে গোল করে এনে দেন স্বস্তির জয়। 

    এই জয়ের পর ২৯ ম্যাচে অ্যাটলেটিকোর পয়েন্ট ৬৬, বার্সার ৬৫, রিয়ালের ৬৩। সামনের সপ্তাহে এল ক্লাসিকো, তার পর আবার অ্যাটলেটিকোর মুখোমুখি বার্সা। লা লিগায় এখন হতে পারে যে কোনো কিছুই।