• " />

     

    চমক দেখিয়েই শুরু মুস্তাফিজের

    টেলিভিশনে সম্প্রচার নেই। ছিল বিবিসির রেডিও ধারাভাষ্য শুধু। কিন্তু চেমসফোর্ডের কাউন্টি মাঠে মুস্তাফিজের বোলিংটা যেন কল্পনাতেই দেখে নিলেন সবাই! অনেক কিছুর পর মুস্তাফিজ কাউন্টি খেলতে গেলেন, প্রথম ম্যাচেই হয়ে গেলেন ম্যাচসেরা! কল্পনার তরী কেউ না ভাসাতে পারলে আফসোসই করতে হবে যে শুধু! 

    সাসেক্সের ইনিংসে ফিফটি ছিল না, তবুও ২০ ওভার শেষে স্কোর ঠিক ২০০। সর্বোচ্চ ২৮ বলে ৪৫ রান করেছেন ক্রিস জর্ডান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে এসেক্স শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছিল নিল ব্রাউনকে হারিয়ে। টাইমাল মিলস আউট করেছিলেন, তাতেও ছিল মুস্তাফিজের নাম, ক্যাচটা ধরেছিলেন তিনিই! তবে 'মুস্তাফিজ-শো' শুরু হয়েছে আরেকটু পরে। প্রথমে অধিনায়ক রবি বোপারাকে লুক রাইটের ক্যাচ বানিয়েছেন। সেটি ছিল এসেক্স ইনিংসের পঞ্চম উইকেট। এরপর যে তিনটি উইকেট পড়েছে, তিনটিই নিয়েছেন মুস্তাফিজ! 

    জেমস ফস্টার ও ক্যালাম টেইলরকে বোল্ড করেছেন একই ওভারে; শেষ ওভারে রায়ান টেন ডেসকাটেকে ক্যাচ বানিয়েছেন। সব মিলিয়ে ৪ ওভারে ১৫ ডট বল, ২৩ রান, ৪ উইকেট! ব্যাটিং আধিপত্যের ম্যাচে এমন বোলিং ফিগার নিয়ে মুস্তাফিজ ছাড়া আর কেই-বা হবেন ম্যাচসেরা! 

    মুস্তাফিজকে পাওয়ার জন্য সাসেক্সের হাপিত্যেশের কারণটা তো শুরুর ম্যাচেই বুঝিয়ে দিলেন মুস্তাফিজ! 

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন