• রিও অলিম্পিক ২০১৬
  • " />

     

    সিদ্দিকুরের হাতে বাংলাদেশের পতাকা

    সম্মানটা যে তিনিই পাচ্ছেন, সেটা আগে থেকেই জানা ছিল। অলিম্পিকের  উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আজ বাংলাদেশের পতাকা তুলে ধরেছেন দেশসেরা গলফার সিদ্দিকুর রহমান। ২০১৬ রিও অলিম্পিকে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিযোগী হিসাবে সরাসরি অংশ নেয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন তিনি। অলিম্পিক গেমসের মার্চপাস্টে সিদ্দিকুরের সঙ্গে ছিলেন সাঁতারু মাহফিজুর রহমান সাগর ও সোনিয়া আক্তার টুম্পা, শ্যুটিংয়ে কমনওয়েলথ গেমসের রূপাজয়ী আবদুল্লাহ হেল বাকি, আর্চারিতে শ্যামলী রায় আর স্প্রিন্টার মেজবাহ আহমেদ ও শিরিন আক্তার।

    স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে মিউনিখ অলিম্পিকে বাংলাদেশ থেকে পর্যবেক্ষক ছিলেন কাজী আনিসুর রহমান। ১৯৭৬ মন্ট্রিল অলিম্পিকেও বাংলাদেশের প্রতীকী উপস্থিতি ছিল। ১৯৮০ সালে বেশ ক’টি দেশ মস্কো অলিম্পিক বয়কট করলে বাংলাদেশ থেকে কোনো প্রতিনিধি পাঠানো হয়নি।১৯৮৪ সালে লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিকে অ্যাথলেট সাইদুর রহমান ডন বাংলাদেশের পতাকা বহন করেন।১৯৮৮ সালে সিউল অলিম্পিকে পতাকা বহন করেন অ্যাথলেট শাহ আলম। ১৯৯২ বার্সেলোনায় মহিলা শ্যুটার কাজী শাহানা পারভীন পতাকা বহন করেন। ১৯৯৬ সালে সাইফুল আলম রিংকির হাতে ছিল  লাল-সবুজ পতাকা। ২০০০ সিডনি গেমসে সাবরিনা সুলতানা, ২০০৪ সালে আসিফ হোসেন, ২০০৮ অলিম্পিকে রুবেল রানা ও ২০১২ সালে অলিম্পিক গেমসে পতাকা বহন করেন সাঁতারু মাহফিজুর রহমান সাগর।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন