• কনফেডারেশনস কাপ ২০১৭
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    পুরো ফিট না হয়েই নেমেছিলেন ব্রাভো!

    গত মৌসুমে ম্যান সিটির হয়ে ছিলেন একেবারেই বিবর্ণ, পুরো মৌসুম জুড়ে তিনটি সেভও করতে পারেননি। অথচ সেই ক্লদিও ব্রাভোই কাল হয়ে গেলেন নায়ক। টাইব্রেকারে তিনটি পেনাল্টি ঠেকিয়ে চিলিকে নিয়ে গেছেন ফাইনালে। তার চেয়েও বড় ব্যাপার, সেমিফাইনালের পর ব্রাভো জানিয়েছেন তিনি নাকি পুরোপুরি ফিট ছিলেন না! 


    এই কনফেডারেশনস কাপের প্রথম ম্যাচেই পেশীর চোটের জন্য খেলতে পারেননি। পরের ম্যাচটাও দর্শক হয়ে থাকতে হয়েছে, ফিরেছেন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গ্রুপের শেষ ম্যাচে। তবে ব্রাভোকে আসল পরীক্ষা দিতে হয়েছে পর্তুগালের বিপক্ষে, চিলির মতো পুরো ম্যাচে বেশ কিছু সুযোগ পেয়েছিলেন রোনালদোরাও। নির্ধারিত সময়ে কোনো বিপদ হতে দেননি ব্রাভো, অতিরিক্ত সময়েও নিশ্চিদ্র রেখেছেন গোলপোস্ট। 


    তবে ব্রাভোর চূড়ান্ত পরীক্ষা হয়েছে টাইব্রেকারে এসে। কারেসমার প্রথম শটই ঠেকিয়ে দিয়েছেন ডান দিকে ঝাঁপ দিয়ে। মুতিনহোর পরের শটও একই ভাবে ফিরিয়ে দিয়েছেন। এরপর নানির শত বাঁদিকে লাফ দিয়ে আটকে হয়ে গেছেন নায়ক। পেনাল্টি বাঁচানোর হ্যাটট্রিক গড়ে নিয়ে গেছেন ফাইনালে। ম্যাচ শেষে ব্রাভো জানাচ্ছেন, তিনি পুরো ছন্দে ছিলেন না, 'আমি এখনো পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠিনি। আমি ঠিক নিজের স্বাভাবিক ছন্দে ছিলাম না।'


    তবে আগে পর পর দুই বছর আর্জেন্টিনার বিপক্ষে টাইব্রেকারের নায়ক ছিলেন। ব্রাভো জানাচ্ছেন, এবারও নিজের ওপর কোনো চাপ নেননি, 'এই ম্যাচটা আমাদের জন্য খুবই স্পেশাল ছিল। কিন্তু আমি বাড়তি কোনো চাপ নিইনি। নিজের কাজটা শুধু করতে চেয়েছি। ফাইনালে নিতে পেরে তো খুবই ভালো লাগছে। বিশেষ করে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নদের হারাতে পেরে। পর্তুগালের সঙ্গে ম্যাচটা সমানেই সমানেই হয়েছে। তবে আমরাই মাথা ঠাণ্ডা রাখতে পেরেছি।'

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন