• " />

     

    শেষটা জয় দিয়ে হলো না বোল্টের

    মঞ্চটা সাজানো ছিল তাঁর জন্য। লন্ডনের স্টেডিয়াম অপেক্ষায় ছিল, শেষবারের মতো তাঁকে বরণ করে নেবে বিজয়ীর বরমাল্যে। কিন্তু সবকিছু কি আর চিত্রনাট্য মেনে চলে? উসাইন বোল্টের শেষটাও তাই রূপকথার হলো না। নিজের শেষ একক দৌড়ে প্রথমবারের মতো কোনো বিশ্বমঞ্চে হারার স্বাদ পেলেন, বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ৯.৯৫ সেকেন্ড টাইমিং করে সন্তুষ্ট থাকতে হলো ব্রোঞ্জ নিয়ে। ৯.৯২ সেকেন্ড টাইমিং করে সোনা জিতেও যেন আড়ালেই থাকলেন জাস্টিন গ্যাটলিন। আরও একবার অবশ্য বোল্টকে দেখা যাবে, ১০০ মিটার রিলে দিয়েই ট্র্যাক থেকে বিদায় নেবেন সর্বকালের দ্রুততম মানব। 


    হিটে খুব ভালো টাইমিং করতে পারেননি। আজ সেমিফাইনালেও যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিস্টিয়ান কোলম্যানের পেছনে থেকে। তারপরও ফাইনালে বোল্ট নিজের শেষ ঝলকটা দেখাবেন, তার অপেক্ষাতেই ছিল সবাই। কিন্তু আগের দুবারের মতো এবার শুরুটা হলো ভুলে যাওয়ার মতো। ক্যারিয়ারে অনেক বারই সেটা হয়েছে, পরের দিকের উত্তুঙ্গু দৌড়ে সেটা পুষিয়েও দিয়েছেন। আজও একটা সময় বাকিদের চেয়ে পিছিয়েই ছিলেন। কিন্তু আগে শেষ দিকে যেভাবে বাকিদের পেছনে ফেলে দিতেন, আজ সেটা হলো না। কোলম্যান একটা সময় পর্যন্ত সবার সামনেই ছিলেন, শেষ দিকে এসে তাঁকে ছাড়িয়ে গেলেন গ্যাটলিন। সাবেক এই ডোপপাপির গলাতেই উঠল সোনা, রূপা পেলেন কোলম্যান। আর বোল্ট ব্রোঞ্জ পেয়েও অভিবাদনে জানিয়ে গেলেন, দিনটা ছিল তাঁরই। আর গ্যাটলিনও যেন তাঁকে কুর্নিশ করে বললেন, বোল্ট একজনই। তাঁর মতো কেউ আসেনি, হয়তো আর আসবেও না। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন