• সিরি আ
  • " />

     

    দুবার এগিয়েও জিততে পারল না জুভেন্টাস

     

    আটালান্টার বিপক্ষে সবশেষ কবে হেরেছিল জুভেন্টাস তা বোধহয় তাদের সমর্থকেরাও মনে করতে পারবেন না। প্রতিপক্ষের মাঠে হলেও ম্যাচের আগে তাই নির্ভারই ছিল জুভেন্টাস। ২৪ মিনিটের মধ্যে দুই গোলে এগিয়ে গিয়েছিল আরও এক ম্যাচ জয়ের দিকে। কিন্তু পরে দুই গোল হজম করে ম্যাচ ড্র করে বসেছে ২-২ এ। শেষদিকে পেনাল্টি মিস করেছেন পাউলো দিবালা। নাহলে জয় নিয়েই ফিরতে পারত জুভেন্টাস।

    দিবালার সেই পেনাল্টি কিক নিয়েও ছড়িয়েছে বিতর্ক। বক্সের বাইরে থেকে প্রথমে ফ্রি কিক নিয়েছিলেন দিবালা নিজেই। সেই শট আটালান্টা ডিফেন্ডারের হাতে লাগায় পেনাল্টি দিয়েছিলেন রেফারি। অথচ রিপ্লেতে দেখা গেছে বল হাতেই লাগেনি সেই ডিফেন্ডারের। এর আগে অবশ্য ভিডিও সহকারি রেফারির সিদ্ধান্তের জন্য সাহায্য চেয়েছিলেন। তাতেও সন্তুষ্ট না হয়ে রেফারি নিজেই দৌড়ে গিয়ে দেখেন রিপ্লে। পরে নিজের সিদ্ধান্তেই অটল থাকেন। পেনাল্টি পেয়ে যায় জুভেন্টাস। ভাগ্যের জোরে পাওয়া পেনাল্টিও কাজে লাগাতে পারেনি জুভরা। 

    স্পট কিক থেকে দিবালার নেওয়া দুর্বল শট ঠেকাতে সমস্যাই হয়নি আটালান্টা গোলরক্ষক এত্রিত বেরিশার। সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার মাশুল গুণে শেষ পর্যন্ত ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় ম্যাক্সিমিলিয়ানো অ্যালেগ্রির দলের। সাত নম্বর ম্যাচে এসে হোঁচট খেয়ে শীর্ষে থাকা নাপোলির চেয়ে এরই মধ্যে দুই পয়েন্ট পিছিয়ে গেছে জুভেন্টাস।

    অথচ জুভেন্টাসের জন্য শুরুটা ছিল একেবারেই অন্যরকম। ২১ মিনিটে জুভেন্টাসের জার্সি গায়ে নিজের প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন ফ্রেড্রেরিকো বার্নারদেস্কি। এর দুই মিনিট পরই গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন গঞ্জালো হিগুয়াইন। তখন মনে হচ্ছিল আরও একটি সহজ জয় নিয়েই মাঠ ছাড়বেন দিবালা, হিগুয়াইনরা। কিন্তু ৩১ মিনিটে মাত্তিয়া কালদারা গোল করে ম্যাচে প্রাণ ফিরিয়ে আনেন, জিয়ানলুইজি বুফনের ক্যারিয়ারে ৫০০ তম বারের মতো জালে বল ঢুকিয়ে।

    আটালান্টার ফিরে আসার লড়াই শেষ হয় ৬৭ মিনিটে। ব্রায়ান ক্রিস্টান্টের গোলে সমতায় ফেরে ঘরের দল। এর আগে অবশ্য আরও একবার বিতর্ক ছড়ায় রেফারির সিদ্ধান্তে। ৫৭ মিনিটে মারিও মাঞ্জুকিচের গোল বাতিল করায়। প্রথমে গোলের বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারিই। কিন্তু পরে রিপ্লে দেখে গোল বাতিল করেন তিনি। গোলের আক্রমণের সময় লিচস্টেইনারে আটালান্টার খেলোয়াড়কে ফাউল করায় গোলবঞ্চিত হন মাঞ্জুকিচ।

    জুভেন্টাস পা হড়কালেও সিরি আতে নাপোলির জয়রথ ছুটছেই। গতকাল ক্যালিয়ারিকে হারিয়ে সাত ম্যাচের সবগুলোতেই জিতল তারা। ইন্টার মিলান জিতলেও হেরে রোমার কাছে হেরে গেছে এসি মিলান। এডিন জেকো ও ফ্লোরেঞ্জির গোলে মিলানকে ২-০ তে হারিয়েছে রোমা।

    জার্মানিতে নতুন ম্যানেজারের অধীনেও ভাগ্য বদলায়নি বায়ার্ন মিউনিখের। ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়নদের মতো দুই গোলে এগিয়ে জার্মান চ্যাম্পিয়নদেরও গতকাল ভাগ্য মেনে নিতে হয়েছে। হার্থা বার্লিনের মাঠে ম্যাটস হামেলস ও রবার্ট লেভানডফস্কির গোলে লিড নেয় বায়ার্ন। কিন্তু ৫১ আর ৫৬ মিনিটে দুই গোল হজম করে আরও একবার পয়েন্ট হারিয়ে ফিরতে হয়েছে বাভারিয়ানদের।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন