• সিরি আ
  • " />

     

    ইকার্দির হ্যাটট্রিকে মিলান ডার্বি জিতল ইন্টার

     

    ম্যাচে তখন ২-২ গোলে সমতা। নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হতে এক মিনিটেরও কম সময় বাকি। ইন্টার মিলানের কর্নারের সময় ড্যানিলো অ্যাম্ব্রোসিওকে বক্সের ভেতর ফেলে দিলেন রিকার্ডো রদ্রিগেজ। রেফারি বাজালেন পেনাল্টির বাঁশি। পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেননি ইন্টার অধিনায়ক মাউরো ইকার্দি। তাঁর দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিকেই এসি মিলানকে ৩-২ গোলে হারিয়ে জমজমাট ‘মিলান ডার্বি’ জিতেছে ইন্টার মিলান।

     

    ১৩ মিনিটের মাথায়ই এগিয়ে যেতে পারত ইন্টার। আন্তোনিও কান্দ্রেভার শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ২৭ মিনিটে গোলের সুযোগ এসেছিল এসি মিলানের সামনেও। হেসুস সুসোর শট ঠেকিয়ে দেন ইন্টার কিপার। ২৮ মিনিটে ইন্টারকে এগিয়ে দেন ইকার্দি। কান্দ্রেভার দারুণ এক ক্রসে বল জালে জড়ান তিনি।

     

    ৩০ মিনিটে সমতা আনার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল এসি মিলান। আন্দ্রে সিলভার হেড বাঁচিয়ে ইন্টারকে এগিয়ে রাখেন কিপান স্যাম হ্যান্ডানোভিচ। ২ মিনিট পর সিলভার আরেকটি হেড পোস্টের ওপর দিয়ে চলে যায়। ৪৪ মিনিটে ফ্যাবিও বোরিনির শটও বাঁচিয়ে দেন হ্যান্ডানোভিচ। ৫১ মিনিটে আবারো বোরিনিকে হতাশ করেন তিনি।

     

    অবশেষে ম্যাচে সমতা আনেন সুসোই। ৫৬ মিনিটে বোরিনির পাসে বাঁ পায়ের জোরালো শটে বল জালে জড়ান। সেই সমতা অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৭ মিনিট পড়ে আবারো ইন্টারকে এগিয়ে দেন ইকার্দি। ইভান পেরিসিকের পাসে আলতো করে পা ছুঁইয়ে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এই আর্জেন্টাইন।

     

    পিছিয়ে থাকা এসি মিলান সমতা ফেরানোর জন্য আক্রমণের ধার বাড়ায়। তবে বারবারই তাদের ফিরিয়ে দিয়েছেন হ্যান্ডানোভিচ। কিন্তু সেই হ্যান্ডানোভিচের ভুলেই ম্যাচে আবার সমতা আসে। ৮১ মিনিটে আত্মঘাতী গোল করে ইন্টারকে হতাশায় ডোবান তিনি।

     

     

    জয়সূচক গোলের জন্য দুই দলই তখন মরিয়া। ৮৯ মিনিটে পাওয়া কর্নার নেওয়ার সময় রদ্রিগেজের ফাউলে পেনাল্টি পায় ইন্টার। যদিও এসি মিলানের ফুটবলাররা বারবারই বলছিলেন, ইচ্ছা করে অ্যাম্ব্রোসিওকে ফাউল করেননি রদ্রিগেজ। পেনাল্টি থেকে ঠাণ্ডা মাথায় জিয়ানলুইজি ডোনারুমাকে পরাস্ত করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ইকার্দি। এবারের মৌসুমে সিরি আতে ৮ ম্যাচে ইকার্দির গোলসংখ্যা দাঁড়ালো ৯। গোলের পর জার্সি উঁচিয়ে উদযাপন করতে গিয়ে অবশ্য কার্ডও দেখেছেন।

     

    ২১৯ তম মিলান ডার্বিতে জয়ের পর ৮ ম্যাচে ২২ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে আছে ইন্টার মিলান। অন্যদিকে ৮ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে ১০ম স্থানে নেমে গেছে এসি মিলান।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন