• এশিয়া কাপ ২০১৮
  • " />

     

    • এশিয়া কাপ ২০১৮

    তিন মাসের জন্য মাঠের বাইরে সাকিব

     

    এশিয়া কাপের মাঝপথেই দেশে ফিরতে হয়েছিল তাকে। বা হাতের সেই ইনজুরিটা বেশ ভালোই ভোগাচ্ছে সাকিব আল হাসানকে। এবার সাকিব নিজেই জানালেন, আঙ্গুলের এই ইনজুরির কারণে প্রায় তিন মাস মাঠের বাইরে থাকতে হবে তাকে।

    ইনজুরি নিয়েই এশিয়া কাপে খেলতে গিয়েছিলেন সাকিব। সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচও খেলেছেন ব্যথা নিয়েই। তবে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ব্যথা তীব্র হলে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। দেশে ফিরে বিদেশে যাওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত দেশের হাসপাতালেই ভর্তি হন সাকিব।

    হাসপাতালে ভর্তি থাকা সাকিব প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, পুরোপুরি সুস্থ হতে অনেক সময় লাগবে তার, ‘হাসপাতালে পৌঁছানোর সাথে সাথে ডাক্তাররা আমাকে বলেন, যত দ্রুত সম্ভব পুঁজ বের করতে হবে। একটু দেরি করলেই ইনফেকশন ছড়িয়ে যাবে পুরো হাতে। আমি যদি আর কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করতাম, তাহলে হয়ত আমার হাতই অকেজো হয়ে যেত। পুঁজ বের করার পর একটু ভালো লাগছে, কিন্তু ইনফেকশন এখনো দূর হয়নি। আমার আঙ্গুলে এখনই অস্ত্রোপচার হবে না। আরও ২-৩ সপ্তাহ লাগবে সেই অবস্থায় যেতে। অস্ত্রোপচারের পর ৮ সপ্তাহ লাগবে মাঠে ফিরতে। মানে সব মিলিয়ে আমি তিন মাসের মতো খেলতে পারব না।’

    ইনজুরির পর থেকেই বাংলাদেশ দলের ফিজিও টিহান চন্দ্রমহান নিয়মিত অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডে পাঠাতেন এক্সরে রিপোর্ট। সেখানে নাকি ইনফেকশনের আভাসও দেওয়া হয়েছিল। সাকিব বলছেন, এই ব্যাপারে ফিজিওর উচিত ছিল তাকে আগেই সতর্ক করা, ‘এই অবস্থায় আমি গত ১৪-১৫ দিন ধরেই ছিলাম। ডাক্তার সাথেই সাথেই বলেছিলেন কী হয়েছে, কিন্তু ফিজিও সেটা করেননি। এটা সত্যি যে ফিজিও ব্যাপারটা পুরোপুরি বুঝতে পারেন না। তবে এই ভুলের জন্য কিছুটা দায় তাকে নিতেই হবে। তবে তাকে দোষারোপ করতে চাইনা। কেউ আসলে জানত না যে ইনফেকশন হবে।’

    ফিজিওর পরামর্শেই ব্যথা নিয়ে এশিয়া কাপে খেলেছিলেন, বলছেন সাকিব, ‘নাজমুল হাসান আমাকে বলেছিলে যে এশিয়া কাপে খেলতে পারব নাকি অস্ত্রোপচার করাব। তিনি আমাকেই সিদ্ধান্তটা নিতে বলেছিলেন। যখন আমি ফিজিওকে জিজ্ঞাসা করি, তিনি আমাকে বলেছিলেন ইনজুরিটা বেশি ভয়াবহ হবে না। তাই আমি এশিয়া কাপে খেলার সিদ্ধান্ত নেই, কারণ এটা আমদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্ট। ৪-৫ ম্যাচ ব্যথা নিয়ে খেলতে চেয়েছিলাম।’