• এশিয়া কাপ ২০১৮
  • " />

     

    • এশিয়া কাপ ২০১৮

    একটা টুর্নামেন্ট জেতা খুব জরুরি: মাশরাফি

    খুব কাছে গিয়ে এবারো হলো না। শেষ ওভারে ভারতের কাছে হেরে এশিয়া কাপে আবারও স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে বাংলাদেশের। ছয় ফাইনাল খেলেও এখনো বড় শিরোপা জিততে পারল না মাশরাফির দল। এশিয়া কাপ শেষে মাশরাফি বলছেন, এই টুর্নামেন্ট জিতলেই ভবিষ্যতে ট্রফি জয়ের রাস্তাটা সহজ হয়ে যেত।

    অল্পের জন্য হেরে অনেকবারই স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে বাংলাদেশের। এবারের এশিয়া কাপেরও ঘটল একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। এবার ট্রফিটা জিতলে ভবিষ্যতে আরও ট্রফি জেতার রাস্তা সহজ হতো বলেই মানছেন মাশরাফি, ‘অনেক কারণেই হচ্ছে না ফাইনাল জেতা। এবার ট্রফি জিতলে পরে আরও ট্রফি জেতা সহজ হতো। শিরোপা জেতার জন্য একটা টুর্নামেন্ট জেতা খুব জরুরি। এবার আমাদের সুযোগ এসেছিল, জয়ের অনেক কাছে পৌঁছে গিয়েছিলাম। জিততে না পেরে হতাশ। তবে শেষ বল পর্যন্ত ম্যাচ নিয়ে গেছে বোলাররা, এটাও বড় ব্যাপার।’

    লিটন-মিরাজে শুরুটা দারুণ হয়েছিল বাংলাদেশের। তবে মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় বড় স্কোর দাড় করাতে পারেনি তারা। চাপেই ভেঙ্গে পড়েছিল মিডল অর্ডার, মানছেন মাশরাফি, ‘মিডল অর্ডারে সবাই হয়ত একটু নার্ভাস ছিল, তাই খুব একটা ভালো খেলতে পারেনি। পুরো টুর্নামেন্টেই কিন্তু তারা ভালো খেলেছে। বিশেষ করে মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ। তারা ক্রিজে দাড়িয়ে থাকলেই ২৬০-২৭০ হতে পারত, ৩০০ রানও হতে পারত। তবে মিডল অর্ডার যে প্রতিদিন ভালো করবে এটাও না। ফাইনালে ভালো একটা সুযোগ ছিল, সেটা কাজে লাগাতে পারেনি কেউ।’

    ফাইনালে হারলেও অনেক ইতিবাচক দিক খুঁজে পাচ্ছেন মাশরাফি, ‘টুর্নামেন্টে অনেক ইতিবাচক দিক আছে। লিটন ও মিথুনের কথা বিশেষভাবে বলতে হয়। দুই পজিশনে আমরা ক্রিকেটার খুজছিলাম, ওরা দুইজন ভালো পারফর্ম করেছে। এক ইনিংসে হয়ত বুঝা যায়না, তবে তারা বুঝতে পেরেছে নিজেদের সামর্থ্য। এছাড়া মুস্তাফিজ ফিরে আসছে আগের মতো, এটাও বড় পাওয়া। চেষ্টা করলে সবকিছুই সম্ভব, আশা করি এখান থেকে সবাই শিক্ষা নেবে।’

    বিশ্বকাপ আসতে খুব বেশি দেরি নেই। ক্লান্তিদায়ক এশিয়া কাপের পড়েও অবশ্য বিশ্রাম চাচ্ছেন না মাশরাফিরা, ‘আট দিনে পাঁচ ম্যাচ, দুই ঘণ্টার ভ্রমণ, গরম; ক্লান্তি তো আছেই। কিন্তু বিশ্রামের প্রয়োজন নেই। যদি কেউ চায় তাহলে সে নেবে।’

    লিটনের সেই স্ট্যাম্পিং নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। মাশরাফি অবশ্য ওই আউট নিয়ে কথা বলতে ইচ্ছুক নন, ‘এমনিও স্লো ওভার রেটের কারণে জরিমানা গুণতে হয়েছে। ওই আউট নিয়ে কথা বলে আরও জরিমানা গুণতে চাই না!’

    এদিকে ফাইনালে হারের পর হতাশ হলেও ইতিবাচক দিক খুঁজে পাচ্ছেন কোচ স্টিভ রোডস, 'অনেক ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছি এই টুর্নামেন্টে। লিটনের সেঞ্চুরি, মিথুনের ইনিংস, বেশ কিছু ভালো পার্টনারশিপ ও বোলিং। ফাইনালে জিততে না পেরে অবশ্যই হতাশ। কিন্তু বোলাররা যেভাবে ২২২ রান পুঁজি নিয়ে লড়াই করেছে, তা অসাধারণ। ভ্রমণ, তাপ, সাকিব তামিমের না থাকা; এতকিছুর পড়েও দল ভালো করেছে, সবাই সবটুকু উজাড় করেই খেলেছে। এই টুর্নামেন্টে আরও চার দল ছিল, তারা ফাইনালে খেলতে পারেনি। ভারত খুবই ভালো দল, এটা আমরা সবাই জানি, বেঞ্চেও তাদের অনেক ভালো ক্রিকেটার রয়েছে। তাদের বিপক্ষে ম্যাচ শেষ ওভারে নিয়ে যাওয়াটাও অনেক বড় ব্যাপার।'