• নেশনস কাপ
  • " />

     

    • নেশনস কাপ

    সুইজারল্যান্ডের অভাবনীয় ফেরায় বেলজিয়ামের বিদায়

     

    ফাইনাল রাউন্ডে যেতে হলে ড্রই যথেষ্ট ছিল। মাত্র ১৭ মিনিটের মাথায় ২-০ গোলে এগিয়ে গিয়ে বেশ নির্ভারই ছিল বেলজিয়াম। কিন্তু সুইজারল্যান্ড যে এভাবে ফিরে আসবে, সেটা হয়ত কল্পনাতেও ভাবেননি এডেন হ্যাজার্ডরা। হ্যারিস সেফেরোভিচের দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিকে বেলজিয়ামকে ৫-২ গোলে হারিয়ে ইউয়েফা নেশনস লিগের ফাইনাল রাউন্ডে উঠে গেল সুইসরা।

    মাত্র দুই মিনিটেই এগিয়ে যায় বেলজিয়াম। থোরগান হ্যাজার্ড এগিয়ে দেন দলকে। ১২ মিনিটে গ্রানিট জাকার শট ঠেকিয়ে দেন থিবো কোর্তোয়া। ১৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন হ্যাজার্ড। ইউরি টিলেমানসের পাসে বল পেয়ে সুইস গোলরক্ষককে বোকা বানান। দুই গোলে এগিয়ে গিয়ে তখন ফুরফুরে মেজাজে বেলজিয়াম, ফাইনাল রাউন্ডে যাওয়াটাও তখন সময়ের ব্যাপারই মনে হচ্ছিল।

    এরপরই ঘুরে যায় খেলার মোড়। ঝিমিয়ে থাকা সুইস আক্রমণভাগ জেগে ওঠে। ২৫ মিনিটে কেভিন এমবাবুকে ফাউল করে সুইজারল্যান্ডকে পেনাল্টি উপহার দেন নাসের চাডলি। পেনাল্টি থেকে ব্যবধান কমান রিকার্ডো রদ্রিগেজ। ৬ মিনিট পর ম্যাচে সমতা আনেন সেফেরোভিচ। জের্দান শাকিরির পাসে বক্সের ভেতর বল পেয়ে বা পায়ের শটে বল জালে জড়ান। ৪৩ মিনিটে আবারো বেলজিয়ামকে এগিয়ে দিতে পারতেন হ্যাজার্ড, তাঁর শট দারুণভাবে বাঁচিয়ে দেন সুইস কিপার।

    প্রথমার্ধের বাঁশি বাজার অল্প কিছুক্ষণ আগে সুইজারল্যান্ডকে লিড এনে দেন সেফেরোভিচ। এডিমিলসনের বাড়ান বলে ৪৪ মিনিটে কোর্তোয়াকে বোকা বানান তিনি। বিরতির পড়েও বেলজিয়ামের ওপর চাপটা ধরে রাখে সুইজারল্যান্ড। ৫২ মিনিটে সেফেরোভিচের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট না হলে হ্যাটট্রিকটা তখনই পেয়ে যেতেন। ৬২ মিনিটে সুইসদের চতুর্থ গোলটি আসে নিকো এলভেদির পা থেকে, অ্যাসিস্ট করেছেন শাকিরি।

    ম্যাচে ফেরার জন্য তখন মরিয়া বেলজিয়াম। ৬৯ মিনিটে আবার হ্যাজার্ড গোলের সুযোগ নষ্ট করেন। ৭৫ মিনিটে মারটিনসের শটও ঠেকিয়ে দেন সুইস কিপার। ৮৪ মিনিটে বেলজিয়ামের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকেন সেফেরোভিচই। এমবাবুর পাসে গোল করে পূর্ণ করেন হ্যাটট্রিক, দলকেও নিয়ে যান ফাইনাল রাউন্ডে।

    ৪ ম্যাচে বেলজিয়াম ও সুইজারল্যান্ড দুই দলে পয়েন্টই দাড়ায় ৯। কিন্তু গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বেলজিয়ামকে বিদায় করে দিল সুইসরা।