• ট্রিবিউট
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    শচিন জানতেন না কিভাবে দু'-তিনশ রান করতে হয়!

    ভারতবর্ষ তাঁকে মানে ক্রিকেট দেবতা হিসেবে। তাঁর নামের আগে-পরে চোখ বুজে এক গাদা বিশেষণ নির্দ্বিধায় বসিয়ে দেয়া যায়। তিনি শচিন টেন্ডুলকার। অথচ কিনা বলা হচ্ছে এই কিংবদন্তী নাকি জানতেনই না কিভাবে দুইশ, তিনশ কিংবা চারশ রান করতে হয়! বক্তাও হেলাফেলা করার মতো কেউ নন, ভারতীয় ক্রিকেটের আরেক কিংবদন্তী কপিল দেব।

     

    ‘৮৩ বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় কাপ্তান অবশ্য ব্যাখ্যাও দিচ্ছেন তাঁর অমন মন্তব্যের, “ভুল বুঝবেন না। কিন্তু আমি মনে করি শচিন আসলে তাঁর প্রতিভার প্রতি পুরোপুরি সুবিচার করে নি। আমি সবসময়ই ভাবতাম সে যা করেছে এর থেকে অনেক বেশী করার সামর্থ্য তাঁর ছিল।”

     

     

    কেমন সেটা কপিলের চোখে? “সন্দেহ নেই সে অনেক বড় মাপের ক্রিকেটার ছিল। অনায়াসেই সে শতক হাঁকাতে পারতো। কিন্তু সেটাকে কিভাবে দুইশ, তিনশ এমনকি চারশ পর্যন্ত টেনে নেয়া যায় সেটা সে জানতো না।”

     

    কপিলের ধারণা শচিনের আসলে তেমন মনোবৃত্তিই ছিল না, “সামর্থ্য তাঁর অবশ্যই ছিল। টেকনিকেও কোন খুঁত ধরার সুযোগ নেই। কিন্তু তাঁর লক্ষ্যই থাকতো শতরান পর্যন্ত এবং সেটা সে অনায়াসেই পেতো। ভিভ রিচার্ডদের মতো সে আগ্রাসী ক্রিকেটার ছিল না। তাঁর ক্রিকেটকে বরং নিখুঁত বা নির্ভুল বলাটাই যুক্তিযুক্ত। তাঁর সাথে আরও বেশী সময় কাটানোর সুযোগ হলে আমি তাঁকে পরামর্শ দিতাম নিজেকে উপভোগ করতে। বলতাম বিরেন্দর শেওয়াগের মতো খেলতে। তাতে সে আরও ভালোমানের ক্রিকেটার হতে পারতো।”

     

     

    শচিনের এমন আড়ষ্টতার কারণটাও বলে দিচ্ছেন ভারতের সাবেক খণ্ডকালীন কোচ, “সে মুম্বাইয়ের ক্রিকেটেই নিজেকে সীমাবদ্ধ করে ফেলেছিল। অথচ তাঁর সামনে সুযোগ ছিল নিজেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আরও বেশী করে মেলে ধরার। বোম্বের ছেলেদের সাথে গড়পড়তা মানের ক্রিকেট না খেলে তাঁর উচিৎ ছিল ভিভ রিচার্ডের মতো কিংবদন্তীদের সাথে আরও সময় কাটানো।”

    চৌদ্দ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারে শচিনের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ অপরাজিত ২৪৮ রান, ২০০৪ সালে ঢাকায় বাংলাদেশের বিপক্ষে। ২০০ টেস্ট খেলে তিনি দুই শতাধিক রান পেয়েছেন আরও পাঁচটি ইনিংসে। ৪৬৩ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে তাঁর একমাত্র ২০০ রানের ইনিংসটি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে, ২০১০ সালে। দুই ক্যারিয়ার মিলিয়ে তাঁর শতকের সংখ্যা ১০০টি।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন