• ট্রিবিউট
  • " />

     

    শিরোপা জেতার পাঁচ দিন পরেই অবসর !

    ২১০ টি রেস। ১০ বছর। অন্তহীন অপেক্ষা। অবশেষে ৩১ বছর বয়সে ফর্মুলা ওয়ানের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরলেন নিকো রসবার্গ। এটুকু পর্যন্ত ঠিক ছিল। দেরিতে সৌরভ তো অনেক ফুলই ছড়ায়। কিন্তু সেই ফুল এত জলদি ঝরে যাবে সেটা তো অভাবিতই। ক্যারিয়ারে প্রথম ফর্মুলা ওয়ান জেতার মাত্র পাঁচ দিন পরেই অবসর নিয়ে নিয়েছেন রসবার্গ। বোমা ফাটানো বললেও আসলে কম বলা হয়। 

     


    সেই ২০০৬ সালে অভিষেক। প্রথমবার শেষ করেছিলেন সাতে।  তার পর থেকে প্রতিবার চেষ্টা করেও ফর্মুলা ওয়ানের শিরোপা আর পাওয়া হয়নি। অবশেষে এই বছর এসে উঠতে পেরেছেন সেই চূড়ায়। দুবাই রেসে মার্সিডিস সতীর্থ লুইস হ্যামিল্টনকে হারিয়ে পেয়েছেন প্রথম শিরোপা। কিন্তু পাঁচ দিন পর সবাইকে স্তম্ভিত করে হেলমেট উঠিয়ে রাখলেন। রসবার্গ সেটির ব্যাখ্যাও দিয়েছেন, "২৫ বছর ধরে এটা আমার স্বপ্ন ছিল, আমি এটাই পেতে চেয়েছিলাম সবসময়। অবশেষে সেটি আমি পেয়েছি। আমি মনে করি এখনই আমার সরে যাওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। এখন আমার লক্ষ্য একজন বাবা ও স্বামী হওয়া।" সতীর্থ হ্যামিল্টন রসবার্গের কথায় একটু ব্যাখাও করেছেন, "তার একটা পরিবার আছে, সেখানে তাকে সময় দিতে হয়। আর ফর্মুলা অয়ান আপনার কাছ থেকে অনেক কিছুই কেড়ে নেয়। আমি এখনো ভাবতে পারছি না ওকে আর একই দলে পাব না।" ম্যাকলারেনের মালিক তোতো উলফও এই সিদ্ধান্তে বিস্মিত, "এটা খুবই সাহসী একটা সিদ্ধান্ত।"


    ২০০৬ সালে উইলিয়ামসের হয়ে অভিষেক হয়েছিল রসবার্গের। এর পর ২০১০ সালে ম্যাকলারেনে নাম লেখান,। সেখান থেকেই অবসর নিয়েছেন। এরপর ২৩টি গ্রাঁপি জিতেছেন, ৩০ বার পোল পজিশনেও ছিলেন। কিন্তু চ্যাম্পিয়নটা আর হওয়া হচ্ছিল না। অবশেষে সেই অতৃপ্তি ঘুঁচল। ফর্মুলা ওয়ান ইতিহাসেই তাঁর চেয়ে বেশি সময় প্রথম শিরোপার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে শুধু নাইজেল ম্যানসেনকে। অভিষেকের ১২ বছর পর পেয়েছিলেন প্রথম শিরোপা। তবে সবচেয়ে বেশি রেসের পর প্রথম শিরোপা পেয়েছেন রসবার্গই। 
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন