• বাংলাদেশের নিউজিল্যান্ড সফর
  • " />

     

    তামিমদের মতো ভাগ্য সহায় হয়নি যে নিউজিল্যান্ড গোলরক্ষকের

    মাত্র কয়েক মিনিট দেরিতে মসজিদের জন্য রওনা দেওয়ায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন তামিম-মুশফিকরা। ক্রাইস্টচার্চের সেই সন্ত্রাসী হামলায় বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা বেঁচে গেলেও নিহত হয়েছেন ৫০ জন। ঘটনার দুইদিন পর নিউজিল্যান্ড ফুটবল ফেডারেশন নিশ্চিত করেছে, নিহতদের মাঝে ছিলেন দেশটির জাতীয় ফুটসাল দলের গোলরক্ষক আতা এলায়ানও।

    ১৯৮৫ সালে কুয়েতে জন্ম নিয়েছিলেন এলায়ান। এরপর পরিবারের সাথে চলে আসেন নিউজিল্যান্ডে। এলায়ান ছিলেন ক্রাইস্টচার্চভিত্তিক অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি ‘এলডব্লিউএ সল্যুশনের’ প্রধান নির্বাহী। তবে তার নেশা ছিল ফুটসাল। ক্যান্টারবুরি ও নিউজিল্যান্ড জাতীয় ফুটসাল দলের হয়ে ১৯টি ম্যাচও খেলেছেন তিনি।

    গত শুক্রবার অন্য সব সপ্তাহের মতো এলায়ান নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন আল নুর মসজিদে। সেখানে অন্যদের সাথে গুলি করে হত্যা করা হয় তাকেও। নিউজিল্যান্ড ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান নির্বাহী অ্যান্ড্রু প্রাগনেল কিছুতেই এটা মানতে পারছেন না, ‘শুক্রবার যা হয়েছে, সেটা আসলে ব্যাখ্যা করা কঠিন। এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না যে এলায়ান নেই! যারা নিহত ও আহত হয়েছে, তাদের সবার পরিবারের প্রতি আমাদের সমবেদনা রইল। ফুটসালের সাথে জড়িত সবাই খুবই ব্যথিত।’

    এলায়ানের সতীর্থ জস মারগেট বলছেন, তাঁরা কখনোই তাদের বন্ধুকে ভুলবেন না, ‘এলায়ান দারুণ প্রাণবন্ত একজন মানুষ ছিলেন। তাকে দলের সবাই খুব পছন্দ করত।  তাকে হারানোর পর আমরা কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। তাকে সবাই খুব মিস করবো। তার শূন্যতা পূরণ হওয়ার নয়।’

     

     

    ভাগ্য সহায় না হলে হয়ত এলায়ানের সাথে উচ্চারিত হতো তামিমদের নামও!

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন