• ক্রিকেট, অন্যান্য
  • " />

     

    রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে টাই করল বাংলাদেশের যুবারা

    ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব ১৯ ৫০ ওভারে ২৫৬/৭

    বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ ওভারে ২৫৬/৬

    ফলঃ ম্যাচ টাই


    জয়ের জন্য শেষ ওভারে দরকার ছিল ৯ রান। প্রথম তিন বলে হলো দুই রান, পরের তিন বলে দরকার ৭ রান। চতুর্থ বলে দুই রান নিয়ে সেঞ্চুরি করলেন তৌহিদ হৃদয়, পরের বলে নিলেন আবারও ২ রান। শেষ বলে জয়ের জন্য দরকার ৩ রান, তৌহিদ নিতে পারলেন ২। ম্যাচ টাই হলো, সেঞ্চুরি করেও ঠিক সেটা উদযাপন করতে পারলেন না তৌহিদ। জয়ের আশা জাগিয়েও ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব ১৯ দলের বিপক্ষে শেষ পর্যন্ত ১ পয়েন্ট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ দলকে।

    এই ম্যাচটা অবশ্য এক দিক দিয়ে বাংলাদেশ দলের জন্য তেমন গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে তারা উঠে গেছে আগেই, বেকেনহামের কালকের ম্যাচটা ছিল কয়েকজন একাদশের বাইরে থাকা ক্রিকেটারকে বাজিয়ে দেখার একটা উপলক্ষও। শুরুতে বল করতে নেমে ৫৫ রানের ভেতর ইংল্যান্ডের তিনটি উইকেটও ফেলে দিয়েছিল বাংলাদেশ। ওপেনার চার্লসওর্থকে পেসার তানজিম হাসান সাকিব ফেরানোর পর বাঁহাতি স্পিনার রাকিবুল হাসান তুলে নেন হেনস ও গলসওর্দিকে। লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন সুযোগ পেয়েছিলেন আজ, টম ক্লার্ককে এলবিডব্লু করে পেয়ে যান নিজের প্রথম উইকেট। এরপর ১০৫ রানে জর্জ হিলকে আউট করে নিজের তৃতীয় উইকেটও পেয়ে যান রাকিবুল। ১৩২ রানের ড্যান মুসলিকে ফিরিয়ে অভিষেক দাসও পেয়ে যান ম্যাচে নিজের প্রথম উইকেট। আরও একবার বাংলাদেশের বোলারদের কাছে ইংল্যান্ড দিশেহারা।

    তবে এরপর থেকেই দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় ইংলিশ যুবারা। ওপেনার জর্ডান কক্স ও অধিনায়ক জর্জ বাল্ডেরসন সপ্তম উইকেটে যোগ করেন ১০৮ রান। বাল্ডেরসন ৫৬ রানে আউট হলেও কক্স শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ১৪৩ বলে ১২২ রান করে। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভার শেষে ২৫৬ রানের বড় পুঁজি পায় ইংল্যান্ড।

    সেই রান তাড়া করে বাংলাদেশের শুরুটাও ভালো হয়নি। ২০ রানে ওপেনার পারভেজ হাসান ইমন ফিরে যান। মাহমুদুল হাসান জয়কেও ৯ রানে ফিরিয়ে দেন বাল্ডেরসন। এরপর ওপেনার তানজিদ হাসানও ২৩ রানে আউট হয়ে গেলে ৬১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।

    এরপর চতুর্থ উইকেটে তৌহিদ ও শাহাদাত যোগ করেন ১৬০ রান। শাহাদাত ৭৬ রান করে তৌহিদ শেষ পর্যন্তই ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত একটুর জন্য জেতাতে পারেননি দলকে।