• " />

     

    উইলিয়ামসনের ‘ওয়ান্ডারল্যান্ড’

    ১.

    ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৫। ইডেন পার্ক, অকল্যান্ড। বিশ্বকাপের ২০তম ম্যাচ। হাতে ১ উইকেট, নিউজিল্যান্ডের দরকার ৬ রান। মিচেল স্টার্কের দুইটা গোলা কোনোরকমে সামলিয়ে নিলেন ট্রেন্ট বোল্ট, নিউজিল্যান্ডের শেষ ব্যাটসম্যান। বোল্টের কাজ শেষ, এবার পালা কেন উইলিয়ামসনের। বোলার প্যাট কামিন্স। কী করবেন তিনি? একটা ডাবলস, কিংবা বাউন্ডারি? নাকি বোলারের অসাধারণ কোনো ইয়র্কারে হবেন পরাস্ত! ফাইন লেগ বৃত্তের ভেতর, লং অন পেছনে। র‍্যাম্প শট নাকি? থার্ড ম্যান ওপরের দিকে, মিড অফ পেছনে। তবে কি রিভার্স সুইপ? নাকি এমনই কোনো ‘চিকি’ শট!

     

    গোটা নিউজিল্যান্ড দেখছিল, দেখছিল অস্ট্রেলিয়া, দেখছিল তো আসলে পুরো বিশ্বই! বোল্ট ঝড়ে এর আগে উড়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া, ব্রেন্ডন ম্যাককালামের ২১ বলের ফিফটিকেও বিস্মৃত করে দিয়েছেন আবার মিচেল স্টার্ক। সব এসে ঠেকেছে ওই বলে, সব রোমাঞ্চ, সব উত্তেজনা। কামিন্স বলটা করলেন গুড লেংথে।

     

    উইলিয়ামসন দুই ধাপের মতো সরে গেলেন, বলকে পাঠালেন গ্যালারিতে! যেন এটাই স্বাভাবিক। ধারাভাষ্যে ইয়ান স্মিথ চিৎকার করছেন, ইডেন পার্ক সমস্বরে চিৎকার করে উঠছে। উইলিয়ামসন শুধু ক্ষণিকের জন্য মুষ্ঠিবদ্ধ হাতটা উপরে তুললেন, উদযাপনের ওই শেষ! এটুকুও তাঁর জন্য ‘অস্বাভাবিক’ই! বাইরের এত এত উত্তেজনা তাঁকে ছুঁয়ে যায় না, স্পর্শ করে না কতশত রোমাঞ্চ!  হয়তো করে। তবে তার বহিঃপ্রকাশ মেলে না। কেন স্টুয়ার্ট উইলিয়ামসনের নিজস্ব জগতেই এসবের বিচরণ!

     

    উইলিয়ামসনের ‘ওয়ান্ডারল্যান্ডে’ স্বাগতম।

     

    ২.

    ডিসেম্বর, ২০০৭। নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টের হয়ে প্রথম শ্রেণীর অভিষেক ম্যাচ। সেই ‘বিস্ময়বালক’কে নিয়ে কথা শুরু হয়েছে সে ম্যাচের আগেই। ‘বে অব প্লেনটি’র উপকূলের শহর টউরেংগা। প্রথম শ্রেণীর অভিষেকের আগেই কতশত রান তাঁর ঝুলিতে; স্কুল ক্রিকেটে টানা তিন মৌসুমে একবারও তাকে আউট করতে পারেনি কোনো বোলার। সে ছেলেটা প্রথম ইনিংসে করলো ২ রান, ২ বলে। আন্দ্রে অ্যাডামসের বলে হলো এলবিডাব্লিউ। দ্বিতীয় ইনিংসে কোনো রানই করতে পারলো না, ১০ বলে খেলেও। একইভাবে, একই বোলারের বলে হলো এলবিডাব্লিউ। আন্দ্রে অ্যাডামস অল্প কয়েকটা যেসব কথা বলেছিলেন, তার অর্থ করলে দাঁড়ায়, ‘বাছা, স্কুলে ফিরে গিয়ে পড়াশুনাটাই করো!’

     

    এরপর এক বছর কোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ খেললো না ছেলেটা। ভড়কে কি গেল একটু! কিন্তু ১৪ বছর বয়স থেকেই যে বড়দের দলে খেলে, এরকম দু-চারটে কথা বা বাজে ম্যাচেও তো তার কিছু যায় আসে না! কিছু এসে যায়ওনি আসলে। পরের মৌসুমে প্লাঙ্কেট শিল্ডে কেন উইলিয়ামসন নামের ছেলেটার গড় ছিল পঞ্চাশের ওপর। এরপর তাঁকে ফিরেও তাকাতে হয়নি আর! উইলিয়ামসন ভড়কে যেতে পারেন, প্রকাশ যে করবেন না!

     

    ৩.

    বেসিন রিজার্ভে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে তৃতীয় টেস্ট সেবার। টেস্ট বাঁচাতে হলে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করতে হবে পুরো দিন। সামলাতে হবে ডেল স্টেইন, ভারনন ফিলান্ড্যার, মরনে মরকেল আর মার্চেন্ট ডি ল্যাঙ্গের পেস আর বাউন্সকে। অভিষেকের পর ১৯ ইনিংসে পঞ্চাশ পেরোনো ইনিংস ছিল চারটি, তবে উইলিয়ামসন সেই জাদুর তিন অঙ্কের দেখা পান নি তখনও! ইনিংসের শুরুতে থার্ড আম্পায়ারের একটা সিদ্ধান্তে অল্পের জন্য আউট হন নি, আফ্রিকানরা খেপে ছিল তা নিয়েই। স্টেইনের একটা বল ‘স্পর্শকাতর’ জায়গায় লাগলো উইলিয়ামসনের। আঘাতটা গুরুতর কিনা দেখতে স্টেইন এগিয়ে গেলেন না একবারও। বরং এরপর যেন আরও ক্ষীপ্র হয়ে উঠলেন। শুধু স্টেইন কেন, সব আফ্রিকান বোলারই। ভয়ঙ্কর সব ডেলিভারি মোকাবিলা করেই তিন অঙ্কের দেখা পেলেন উইলিয়ামসন। ২২৮ বলে ৩৩৭ মিনিট খরচ করে করলেন ১০২ রান। থাকলেন অপরাজিত। উইলিয়ামসন আঘাত পেতে পারেন, তিনি তো টলে পড়বেন না!

     

    ৪.

    দুই বছর বয়সে ঘরে একটা খেলনা ‘হুপ’ (বাস্কেটবলের যে অংশে বল ফেললে স্কোর করা হয়) আর বল ছিল। বাবা ব্রেট আর মা সান্দ্রা একদিন অবাক হয়ে খেয়াল করলেন, ছোট্ট উইলিয়ামসন দুই তিন ফুট পেছনে দাঁড়িয়ে দুহাতে বল ধরে হুপের মাঝে ফেলার চেষ্টা করছে, ঠিক বড়দের মতো করে!

     

    পরিবেশটা ছিল খেলাধুলার। কেন জন্মানোর কিছুক্ষণ পরেই জন্মেছিলেন লোগান, কেনের ছোটবেলার খেলার সাথী, জমজ ভাই। আশেপাশেই ছিলেন নিউজিল্যান্ডের হয়ে রাগবি খেলা তারকা। বাবা ব্রেট গোটা ‘বে অব প্লেনটি’তেই সুপরিচিত ছিলেন ক্রিকেটের জন্য। মা সান্দ্রা বাস্কেটবল খেলতেন। কেনের দুই বোন অ্যানা ও সোফি বয়সভিত্তিক বাস্কেটবলে নিউজিল্যান্ডের হয়ে খেলেছিলেন, কাইলি খেলেছিলেন প্রতিনিধিত্বমূলক পর্যায়ে। তবুও, সেদিন বাবা-মা অবাক হয়েছিলেন, কেনের এমন কান্ড দেখে!

     

    তবে অবাক হওয়ার এই শেষ নয়। সেদিন হয়তো জানালার পাশে দাঁড়িয়ে আছেন তাঁরা, ড্রাইভওয়ের বাস্কেটবল হুপের সামনে কেনকে দেখছেন বল নিয়ে ড্রিল করতে, ড্রিবলিং বা শ্যুটিং করতে। তাঁরা আবার অবাক হলেন, যখন দেখলেন, বাম হাতে বলটা নিয়ে ডান হাতের মতো করে ব্যবহার করছেন উইলিয়ামসন। তখন কারোরই বলে দেওয়ার কথা নয়, এভাবে খেলার সুবিধাটা কী! উইলিয়ামসন নিজে নিজেই তা বের করেছিলেন বোনদের দেখে!

     

    শুধু বাস্কেটবল নয়, উইলিয়ামসন যাই খেলতেন, সাফল্য পেতেন সেখানেই! কেন-লোগানদের রাগবি দল ‘রোলার মিল প্রাইমারি স্কুল’ একবার প্রতিপক্ষ ‘মাউন্ট মাউনগানুই’কে হারিয়েছিল ৭৯-০ ব্যবধানে। উইলিয়ামসন একাই ১৯ ‘স্কোর’ করেছিলেন।

     

    রাগবি চ্যাম্পিয়নশিপের শিল্ড নিয়ে উইলিয়ামসনদের দল, সামনে দুই ভাই তাঁরা

     

    ৫.

    অনূর্ধ্ব-১৪ ক্রিকেটে বে অব প্লেনটি দল নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। চার ম্যাচে উইলিয়ামসন করেছিলেন ১০১, ১২৮*, ১০০*, ৯১*। উইলিয়ামসন রানগুলো করেছিলেন ইংলিশ ব্যাটসম্যান গ্রাহাম থর্পের ব্যাট দিয়ে! তাঁর ব্যাট কিভাবে পেলেন উইলিয়ামসন? সেও এক গল্প বটে!

     

    উইলিয়ামসনকে ব্যাটটা দিয়েছিলেন ক্যানটারবেরির ক্রিকেটার বিল অলড্রিজ। অলড্রিজ ছিলেন নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টের অলরাউন্ডার গ্রায়েমের বাবা। প্রায় দুই বছর তাঁর কাছেই অব্যবহৃত অবস্থায় ছিল ব্যাটটা, যেটা আবার তিনি পেয়েছিলেন মাউন্ট মাউনগইয়ের জিম আরউইন নামের একজনের কাছে। আরউইন ব্যাটটা পেয়েছিলেন আয়ারল্যান্ড ও সারের পেসার মার্ক প্যাটারসনের কাছে, দুই বছর আগে যিনি মাউন্টের হয়ে খেলেছিলেন। জিমের হয়ে অলড্রিজ কিছু কাজ করেছিলেন, জিম তার বিনিময়েই বলেছিলেন, অলড্রিজের পরিচিত কেউ আছে কিনা, ব্যাটটা যার দরকার পড়তে পারে। কেনের কথাই মনে হয়েছিল অলড্রিজের। তবে বড়দের ব্যাট, উইলিয়ামসন ঠিক ব্যবহার করতে পারবেন কিনা, সেটা নিয়ে খোদ উইলিয়ামসনেরই সংশয় ছিল। তার ওপর আবার কদিন আগেই নতুন একটা ব্যাট কিনেছেন! কদিন ব্যাগ থেকে বেরও করেননি, তবে একবার খেলার পরই বুঝেছিলেন, ‘পরশপাথর’ তো থর্পের ওই কুকাবুরাই! থর্প জেনে থাকলে নিশ্চয়ই গর্বিতই হবেন!

     

    থর্পের সেই ব্যাট...

     

    উইলিয়ামসন রাগবি, ভলিবল, ফুটবল খেলতেন জমজ লোগানের সঙ্গেই। তবে ক্রিকেটে সেভাবে সঙ্গী হিসেবে লোগানকে পাননি, লোগানও হিসাববিজ্ঞানেই দেখেছেন নিজের ভবিষ্যত। আর কেন উইলিয়ামসন?

     

    সেই সেদিন, বাস্কেটবলের হুপের সামনে ছেলেকে ওভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে, বা ড্রিবলিং করতে দেখে বাবা ব্রেট ঠাউর করে উঠতে পারেন নি, আসলেই কি ছেলে অসাধারণ প্রতিভাধর, নাকি চরম প্রত্যয়ী। আজও নাকি বুঝে উঠতে পারেন নি তাঁরা। ওই যে কেন উইলিয়ামসনের নিজস্ব সে জগত!

     

    তবে উইলিয়ামসন ক্রিকেটের জগতে কী, তা নিশ্চয়ই অজানা নয় তাঁর বা তাঁদের!

     

    ড্যানিয়েল ভেট্টোরির সাথে 'ছোট্ট' উইলিয়ামসন 

     

    ৬.

    রাগবি পাগল দেশে উইলিয়ামসন হয়েছেন ক্রিকেটার। যে দেশের মাঠগুলো দুই উদ্দেশ্যেই ব্যবহৃত হয়, ক্রিকেট, রাগবি। মাঠ পরিচর্যা বলতে আঞ্চলিক কর্তারা তাই বোঝেন ঘাস কাটা, আর রোলিং করাকেই! প্রথম শ্রেণীর আগ পর্যন্ত ক্রিকেট পিচগুলোর অবস্থাও তাই রীতিমতো ‘ভয়ঙ্কর’! ‘ঢেউখেলানো’ লৌহকঠিন এসব পিচে খেলার সবচেয়ে ভাল উপায় তাই ফ্রন্টফুটে খেলা। নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা বেড়েই ওঠে এটা মাথায় নিয়ে, ‘পেছনে গেলেই সর্বনাশ’!

     

    মার্টিন ক্রো প্রথম এই প্রথা ভেঙ্গেছিলেন। ভেঙ্গেছেন উইলিয়ামসনও। এর পেছনেও কাহিনী আছে। বাবা ব্রেট কোনো এক সংবাদপত্রের লেখাতে পড়েছিলেন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বড় ধরনের সাফল্য পেতে হলে কিউই ব্যাটসম্যানদের দুই পায়েই খেলতে হবে। এরপর ছেলেকে শেখালেন দু'পায়ে খেলাটা! 

     

    উইলিয়ামসন প্রথা ভেঙ্গেছেন। উইলিয়ামসন রেকর্ডও ভাঙ্গছেন। কিউইদের মধ্যে কমপক্ষে ২০০০ রান করা ব্যাটসম্যানদের মধ্যেও উইলিয়ামসনের গড় এখন সবচেয়ে বেশি, ৪৯.৯৩। ৪৬ টেস্টে রান ৩৯৮৫। উইলিয়ামসন তাই এখন বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যান।

     

    উইলিয়ামসন সম্বন্ধে বলা হলেই তাই বলা হয়, নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসের ভবিষ্যত সেরা ব্যাটসম্যান, অধিনায়ক। তবে একটা ফরম্যাটের অধিনায়কত্বও নিশ্চিত হয়ে গেছে, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম অবসরের ঘোষণা দেয়ায় সামনের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কিউইদের নেতৃত্ব দিবেন উইলিয়ামসনই। টেস্ট, ওয়ানডেতেও ম্যাককালামের উত্তরাধিকার খুঁজে নিতে তো অসুবিধা হওয়ার কথা নয় খুব একটা!

     

    উইলিয়ামসন, ব্যাকফুটেও ভয়ঙ্কর...

     

    ৭.

    ‘একজন বিশ্বকাপজয়ীকে কল্পনা করুন তো। এমন একজন, যিনি বিশ্বকে দেখাবেন, শিখরে উঠতে তাঁকে কী কী করতে হয়েছে। তাঁর ত্যাগ, বছরের পর বছরের কঠোর পরিশ্রম। শিখরে ওঠার পুরো এই ভ্রমণটা। কে হবেন তিনি? একটা গর্বিত জাতির পক্ষে যিনি কাপটা তুলে ধরবেন!

     

    আমাকে বলতে বললে আমি বলবো একজন তরুণ, সাধারণ আর সাধাসিধে এক মানুষের কথা। যে বিনয়ী, বুদ্ধিদীপ্ত। যে বোঝে, কিভাবে বাঁচতে হয়। কারও সাতপাঁচে যে নেই, যাঁর দুশ্চিন্তারও তেমন কিছু নেই। যে ভড়কায় না, কারও দুর্নাম করে না। যে কাজটা করার জন্য তার জন্ম, এর বাইরে যে কিছুই খুঁজতে যায় না!

     

    সে কেন উইলিয়ামসন। শান্ত, কোলাহলমুক্ত সাগরঘেঁষা এক শহর টউরেংগা থেকে আসা কেন উইলিয়ামসন।’

     

    মার্টিন ক্রো বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে উইলিয়ামসনকে নিয়ে এমন আশাবাদ করেছিলেন।

     

    ‘আমি ম্যাককালামকেও এভাবে ভাবতে পারতাম। অথবা রস টেলর বা মার্টিন গাপটিলের নামও বলতে পারতাম, যেহেতু এ দুজনের সঙ্গে আমার ঘনিষ্টতা আছে। তবে এই মেধাবীদের মাঝেও উইলিয়ামসন এমন একজন, যার গন্তব্য সম্বন্ধে একটা পরিস্কার ধারণা আছে। যার কোনো দ্বিধা নেই, সন্দেহ নেই। আছে মন আর দেহের চরম স্বচ্ছতা। অনেক অনেক চাপের মধ্যে কী করবে উইলিয়ামসন?

     

    যা করবে, তা খুব স্বাভাবিক নয়, দুর্লভই বটে। তবে চিন্তা করবেন না, এরকম অবস্থা উইলিয়ামসন মনের মাঝেই অনেকবার কল্পনা করে নিয়েছে। চেষ্টা করেছে। এখানেই তো লুকিয়ে ব্যাপারটা। প্রথমে দেখার ব্যাপারটা। তারপর নিজের করে নেওয়ার ব্যাপারটা। তারপর গিয়ে নিয়ে আসার ব্যাপারটা।’

     

    উইলিয়ামসন সেবার পারেননি। তবে সুযোগ আসছে সামনে, নিশ্চিতই।

     

    উইলিয়ামসনের একটা ‘ওয়ান্ডারল্যান্ড’ আছে। নিউজিল্যান্ডকেও কি তিনি নিয়ে যাবেন না ক্রিকেটের এক 'ওয়ান্ডারল্যান্ড'-এ!

     

     আসছে উইলিয়ামসন যুগ...

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন