• জাতীয় ক্রিকেট লিগ
  • " />

     

    জাতীয় লিগে ফিটনেস টেস্ট নিয়ে উদ্বেগ আশরাফুলদের

    ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষ হয়ে গেছে, তবে মিরপুরে ক্রিকেটারদের আনাগোনা বরং বেড়েছে আরও। জাতীয় লিগ উপলক্ষে ক্রিকেটারদের অনুশীলন শুরু হয়ে গেছে, একাডেমি মাঠে নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছেন সবাই। সামনের মাসের প্রথম সপ্তাহে শুরু হওয়ার কথা লিগের, তার আগে হবে ক্রিকেটারদের ফিটনেস পরীক্ষার জন্য ব্লিপ টেস্টে। সেখানে উৎরাতে না পারলে খেলতে না দেওয়ার নীতিতে এখন পর্যন্ত অটল বিসিবি।

    প্রিমিয়ার লিগের আগে ব্লিপ টেস্ট চালু করেছে বিসিবি আগেই। গত মৌসুম থেকে শুরু করেছে জাতীয় লিগেও। এবারও সেটাতে নূন্যতম নম্বর না পেলে কাউকে খেলতে দেওয়ার পক্ষপাতী নয় বিসিবি। মিরপুর একাডেমি মাঠে তাই কদিন থেকেই নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছেন আশরাফুলরা। তরুণদের জন্য বড় চিন্তা না হলেও ত্রিশ পেরুনোরা ব্লিপ টেস্টে ভালো করার ব্যাপারে কতটা আশাবাদী? বিশেষ করে যেখানে আগের বার ৯ থেকে সেটি বেড়ে এবার ১১ পয়েন্ট হয়েছে?

    আশরাফুলের নিজেরও যেমন বয়স হয়ে গেছে ৩৫। এখনও পেশাদার ক্রিকেট খেলছেন। তবে ব্লিপ টেস্ট যে তার নিজের জন্যও খুব সহজ হবে না, সেটি স্বীকার করে নিলেন আজ, ‘যাদের বয়স কম তাদের জন্য সহজ হবে। বয়স ৩৫ হয়ে যাওয়ার পরও আপনি যদি ১১ চান (ব্লিপ টেস্টে) সেটাতো একটু কষ্টকরই। আমরা যেহেতু প্রফেশনাল ক্রিকেটার, বেতনভুক্ত ক্রিকেটার। যেটাই বলবে সেটাই করার চেষ্টা করবো। প্রফেশনাল ক্রিকেটার হিসেবে ১১ দিতে হলে ননস্টপ ১২-১৩ মিনিট রানিং করতে হবে। স্লো হতে পারে সেটা, ফাস্টও হতে পারে। এই জিনিসটা আমরা একমাস অনুশীলন করতে পারলে এটা করা সম্ভব। বয়স কোনো ব্যাপার না। ৩৫ কিংবা ২০ বছর বলেন। কারণ বাংলাদেশ টিমে অনেক ফাস্ট বলার আছে ৮-৯ দেয়। তাঁরা যে টানা ১৮ ওভার বোলিং করতে পারবে তা না।’

    ব্লিপ টেস্টের নূন্যতম নম্বর বেড়ে যাওয়ায় ক্রিকেটারদের মধ্যে যে উদ্বেগ আছে সেটাও স্বীকার করলেন আশরাফুল, ‘ব্লিপ টেস্টের যে মার্কটা দেয়া হয়েছে। আগে ছিল ৯ এবার ১১ দেয়া হয়েছে। এটা আমাদের জন্য যারা ডমেস্টিকে খেলছি। সবার মধ্যে একটা আলোচনা হচ্ছে। ফার্স্ট ক্লাস যারা খেলছি, সবাই যদি সুবিধাটা পেত, অফ সিজনে তাহলে ১১ দেয়া কোনো ব্যাপারই না। গত বছর আমি ১১.৫ পেয়েছিলাম। ওই সুযোগ সুবিধাটা কিন্তু আমরা পাই না। ন্যাশনাল টিম বা এইচপি, আন্ডার-২৩ ওই টিমে যারা না থাকে তাদের জন্য কিন্তু কঠিন হয়ে যায়। বিশেষ করে একা একা অনুশীলন করাটা।’

    সুযোগ সুবিধার কথাটা আরেকটু খোলাখুলিও বললেন আশরাফুল, ‘সুযোগ সুবিধা বলতে অনুশীলন করার জায়গাটা তো দরকার। বৃষ্টি তো এখন প্রায়ই হচ্ছে। ওই সময় অনুশীলন করার একটা জায়গা দরকার। এই জায়গা পাওয়া যায় খুব কম। যারা ন্যাশনাল টিম, এইচপি বা আন্ডার-২৩ টিমের বাইরে থাকে। তাদের জন্য একটু কষ্টকর। তাও চেষ্টা করছি।’

     

     

    মোশাররফ রুবেলও বললেন, খেলা শুরুর আগে বিভাগগুলো থেকে এক মাসের কন্ডিশনিং ক্যাম্প করলে ক্রিকেটারদের জন্য ভালো হতো। শুভাগত হোমও বললেন, জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের জন্য কাজটা বেশ কঠিন।