• জাতীয় ক্রিকেট লিগ
  • " />

     

    বিপ টেস্টে আশরাফুল-রাজ্জাকরা পাচ্ছেন নির্বাচকদের বিবেচনা

    ফিটনেস পরীক্ষার মানদন্ড বিপ-টেস্টে মোহাম্মদ আশরাফুল, আব্দুর রাজ্জাকদের মতো সিনিয়র ক্রিকেটারদের ফল নির্বাচকরা আলাদা করে বিবেচনা করবেন বলে জানিয়েছেন বিসিবির ট্রেইনার তুষার কান্তি দাস। এর আগে প্রথম দফা বিপ টেস্ট উৎরাতে না পারা ক্রিকেটারদের সবাই দ্বিতীয় দফায় উন্নতি করেছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। আর ক্রিকেটাররাও এটিকে দেখছেন ইতিবাচক হিসেবেই। 

    জাতীয় ক্রিকেট লিগের আগে ক্রিকেটারদের ফিটনেস পরীক্ষায় বিপ-টেস্টে অন্তত ১১ পেতে হবে বলে ‘মানদন্ড’ ঠিক করে দিয়েছিল বিসিবি। প্রথম দফা পরীক্ষায় সেটি পার হতে ব্যর্থ হয়েছিলেন সিনিয়র ক্রিকেটারদের বেশ কয়েকজন। আজ আবার সে পরীক্ষা দিয়েছেন তারা। এদিন সর্বোচ্চ ১২.১ পেয়েছেন পেসার আল-আমিন হোসেন, মোহাম্মদ আশরাফুল পেয়েছেন ১০। বাকিরাও করেছেন ‘উন্নতি’। 

    “৩০-৩৫ জন আজ বিপ-টেস্ট দিয়েছে। আশরাফুলদের মতো যারা, তাদের উন্নতি হয়েছে, তবে মানদন্ড ছুঁতে পারেনি। তবে তাদেরটি নির্বাচকরা বিবেচনা করবেন। তাদের মানদন্ড নির্বাচকরা ঠিক করবেন”, বলেছেন তুষার। 

    সিনিয়র ক্রিকেটাররা অবশ্য এখনও নিশ্চিত নন, তাদেরকে নিয়ে কী করা হবে। আশরাফুল বলছেন তেমনই, “৯.৭ ছিল শেষবার আমার, আজ ১০ দিয়েছি। আরও দিন গেলে আরও উন্নতি হবে আশা করি। তবে এখনও জানি না, কী হবে। উন্নতি হবে, এতটুকুই জানি।” 

    “ঠিক জানি না, পদ্ধতিটা কী, যদি আবার টেস্ট দিতে হয়, তবে দিব। খেলার মাঝে মাঝে হয়তো প্রস্তুতি নিতে হবে। তবে মানদন্ডের দিকে উন্নতি হয়েছে। আগে জাতীয় লিগ সিরিয়াসলি নিতাম না আমরা, ফিটনেস বলেন আর যেটিই বলেন। এখন অনেক উন্নতি হয়েছে। আর বিপ টেস্টে আমরা যারা ১১ দিতে পারিনি, সেটা করাও অসম্ভব কিছু না।” 

    আরেক সিনিয়র ক্রিকেটার আব্দুর রাজ্জাক বলছেন, বিপটেস্টের ব্যাপারটি ইতিবাচক, "দেখুন, সবার আগে পারফরম্যান্স। হ্যাঁ, কেউ যদি পারফর্ম খুব ভাল করে, তাহলে অবশ্যই তার ব্যাপারটি বিবেচনা করা হবে বলে জানি আমি। তবে একটু ন্যূনতম মান তো রাখতে হবে (বিপটেস্টে)। আমার মনে হয়, ফিটনেসের এ ব্যাপারটি বেশ ইতিবাচক। পদ্ধতিও বদলাচ্ছে, গতবারের চেয়ে এবার বেশ আগেভাগে বলা হয়েছে এ ব্যাপারে।"

    “আমাদেরকে বলা হয়েছে, যাতে ১১ তুলতে আমরা পরিশ্রম করি। তবে এরপরও একটু এদিক-ওদিক হলে উনারা দেখবেন, যেটা আমাদের জন্য খুবই স্বস্তির। খেলার বাইরে থাকার কথা চিন্তা করতে পারছি না, এখনও করিনি। সে কারণে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ”, বলছেন রাজ্জাক। ফিটনেস বাড়ানোর ব্যাপারে ক্রিকেট-সংস্কৃতি বদলানোর তাগিদও দিচ্ছেন তিনি। 

    এদিন বিসিবির বেঁধে দেওয়া মানদন্ড ১১ পেরিয়ে গেছেন ইমরুল কায়েস, এর আগে বিপ টেস্ট দিতে পারেননি তিনি। আর চোটের কারণে এদিন টেস্ট দিতে পারেননি পেসার মোহাম্মদ শহিদ। আরেক পেসার আল-আমিন সর্বোচ্চ ১২.১ পেলেও অবশ্য ঠিক খুশি নন, “দেখুন, বিপ টেস্ট বা ফিটনেস টেস্ট আর ম্যাচ ফিটনেস কিন্তু আলাদা জিনিস। এটা বজায় রাখতে হলে সারা বছর কাজ করতে হবে।” 

    “আসলে আমি নিজেকে নিয়ে অসন্তুষ্ট। লক্ষ্য ছিল ১৩। পায়ে ব্যথার কারণে ১২ দিতে পেরেছি”, বলছেন আল-আমিন।  

    এর আগে নির্বাচক হাবিবুল বাশার জানিয়েছিলেন, প্রয়োজন পড়লে একাধিকবার নেওয়া হবে ক্রিকেটারদের বিপ টেস্ট। ১০ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়ার কথা এবারের জাতীয় ক্রিকেট লিগ।