• জাতীয় ক্রিকেট লিগ
  • " />

     

    লিটন-নাঈমের সেঞ্চুরি, রাজ্জাক-আল-আমিনের বোলিং তোপ

    ১ম স্তর, ৩য় দিনশেষে
    ঢাকা ১ম ইনিংস ৫৫৬/৮ ডিক্লে. 
    রংপুর ১ম ইনিংস ৩৩৪/৫*
    রংপুর ৫ উইকেট নিয়ে ২২২ রানে পিছিয়ে 


    সাইফ হাসান করেছিলেন ডাবল সেঞ্চুরি, জবাবে রংপুরের এখন পর্যন্ত সেঞ্চুরি করলেন দুজন- লিটন দাসের পর নাঈম ইসলাম। লিটনের ১২২ রানের পর নাঈমের অপরাজিত ১২৪ রানের ইনিংসে ঢাকার রান-পাহাড় টপকাচ্ছে রংপুর, একদিন বাকি থাকতে এখনও এ ম্যাচের দুই ইনিংসই সম্পন্ন হয়নি। ড্র ছাড়া অন্য কোনও ফল আসতে হলে বেশ একটা নাটকই লাগবে চট্টগ্রামে। 

    আগেরদিন লিটন অপরাজিত ছিলেন ৫১ রানে, ৬৪ বলে। সেই টেম্পোটা ধরে রেখেছিলেন এদিনও, সেঞ্চুরিতে পৌঁছাতে খেলেছেন মোট ১৩৩ বল। লাঞ্চের আগেই মাইলফলকে পৌঁছে গেছেন, প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে এটি ১৪তম সেঞ্চুরি তার। লাঞ্চের পর ১১তম ওভারে গিয়ে সুমন খানের বলে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি, এর আগে করেছেন ১৮৯ বলে ১২২ রান।

    লিটনের পর দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল রংপুর। অধিনায়ক নাসির হোসেন ও আরিফুল হক যথাক্রমে সুমন ও নাজমুল ইসলামের বলে ক্যাচ দিয়েছিলেন জয়রাজ শেখের হাতে। অবশ্য একদিকে নাঈম ছিলেন দৃঢ়। সকালে প্রথম আগ্রাসী মনোভাব দেখিয়েছিলেন নাঈমই, সুমনের এক ওভারে দুই চার মেরে। 

    আগেরদিন ৮ রানে অপরাজিত থাকা নাঈম এদিন ফিফটি ছুঁয়েছিলেন ১১১ বলে, ক্যারিয়ারের ২৭তম সেঞ্চুরি তিনি পূর্ণ করেছেন ২২৯ বলে। দিনশেষে তিনি অপরাজিত আছেন ১২৪ রানে, সঙ্গী তানভীর হায়দার করেছেন ১০১ বলে ৫২ রান। দুজনের জুটি অবিচ্ছিন্ন আছে ১০৬ রানে। 

     


    ক্যারিয়ারে ২৭তম সেঞ্চুরি করেছেন নাঈম/ওয়ালটন


     

    ****

    ১ম স্তর, ৩য় দিনশেষে
    রাজশাহী ১ম ইনিংস ২৬১ ও ২য় ইনিংস ১৭০
    খুলনা ১ম ইনিংস ৩০৯ ও ২য় ইনিংস ১৫/১*
    খুলনার জয়ের জন্য ৯ উইকেটে ১০৮ রান প্রয়োজন


    প্রথমে লড়াই করলেন নুরুল হাসান, সেঞ্চুরির আক্ষেপে পুড়লেন ৩ রানের জন্য। নাজমুল হোসেন শান্তর ফিফটি ছাপিয়ে গেলেন এরপর আব্দুর রাজ্জাক ও আল-আমিন হোসেন, তাদের তোপে ১৭০ রানে গুটিয়ে গিয়ে খুলনাকে ১২৩ রানের লক্ষ্য দিল রাজশাহী। শেষবেলায় এনামুল হকের উইকেট নিয়ে অবশ্য রোমাঞ্চের ইঙ্গিতও দিয়ে রাখলো তারা। খুলনায় ১৫ উইকেটের তৃতীয় দিনশেষে সমীকরণটা সরল এখন- স্বাগতিকদের জয়ের জন্য প্রয়োজন ১০৮ রান, রাজশাহীর ৯ উইকেট। 

    ৬ উইকেটে ২২৭ রান নিয়ে দিন শুরু করা খুলনা শেষ পর্যন্ত ৩০৯ রান পর্যন্ত গিয়েছিল মূলত নুরুলের ইনিংসের কল্যাণেই। আব্দুর রাজ্জাক ও রুবেল হোসেন সকালে দ্রুতই ফিরলেও মোস্তাফিজুর রহমান ও আল-আমিন হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে খেলে যাচ্ছিলেন তিনি। তবে সঙ্গীর অভাবে ভুগতে হলো তাকে, শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে সানজামুলের বলে আল-আমিন আউট হওয়ার সময় নুরুল অপরাজিত ছিলেন ৯৭ রানে, ১২৭ বলের ইনিংসে তিনি মেরেছিলেন ১০টি চার, সঙ্গে ৪টি ছয়। 

    ৪৮ রানে পিছিয়ে থেকে ২য় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নামা রাজশাহী ইনিংসের চতুর্থ বলেই হারিয়ে ফেলে মিজানুর রহমানকে, তাকে ক্যাচ বানিয়েছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। এরপর ফরহাদ হোসেন ও জুনাইদ সিদ্দিককে ফিরিয়েছেন আল-আমিন হোসেন, ২৮ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল রাজশাহী। 

    সে দফা তাদেরকে উদ্ধার করেছেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম, দুজনের ৪র্থ উইকেট জুটিতে উঠেছে ৮৪ রান। রাজ্জাকের বলে আউট হয়েছেন দুজনই, প্রথমে শান্ত ফিরেছেন ৮২ বলে ৫৫ রান করে, মুশফিক ৪৪ রান করেছেন ৬২ বলে। রাজশাহীর কোনও জুটি আর বড় হয়নি তেমন, ১৭০ রানে গুটিয়ে গেছে তারা। ভারত সফরের টি-টোয়েন্টি দলে ডাক পাওয়া আল-আমিন ৪ উইকেট নিয়েছেন মাত্র ১৭ রানে, রাজ্জাক সমানসংখ্যক উইকেট নিতে খরচ করেছেন ৬২ রান। বাকি ২ উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। 

    রাজশাহী ২য় ইনিংসে ১ম উইকেট হারিয়েছিল ৪র্থ বলে, খুলনা হারিয়েছে ৩য় বলে। শফিউল ইসলামের বলে ক্যাচ দিয়েছেন এনামুল হক। ৩ ওভার ব্যাটিং করেছে খুলনা, ০ রানে অপরাজিত থাকা সৌম্য সরকারের সঙ্গী ৯ বলে ১১ রান করা ইমরুল কায়েস।