• জাতীয় ক্রিকেট লিগ
  • " />

     

    মাহমুদউল্লাহর ৯৫* রানের পর শেষদিনে রোমাঞ্চের অপেক্ষা

    ২য় স্তর, ৩য় দিনশেষে 
    চট্টগ্রাম ১ম ইনিংস ৩৫৬ ও ২য় ইনিংস ৫০/১*
    বরিশাল ১ম ইনিংস ২১৬
    চট্টগ্রামে ৯ উইকেট নিয়ে ১৯০ রানে এগিয়ে 


    চট্টগ্রামের বোর্ডে এখন ১৯০ রান, বাকি ৯ উইকেট। প্রথম ইনিংসে বরিশাল অল-আউট হয়ে গেছে ২১৬ রানে। চট্টগ্রাম কি শেষদিন হাঁটবে জয়ের পথে? প্রশ্ন সেটিই। নুরুজ্জামানের ৬০ রান ছাড়া বরিশালের প্রথম ইনিংসে এদিন বলার মতো নেই তেমন কিছু, প্রথম ইনিংসে চট্টগ্রাম লিড নিয়েছে ১৪০ রানের। চোট কাটিয়ে ফেরা নাঈম হাসান নিয়েছেন ৪ উইকেট, নোমান চৌধুরি, মেহেদি হাসান রানা ও মিনহাজুল আবেদিন আফ্রিদি নিয়েছেন ২টি করে। বৃষ্টি এসে বাগড়া বাঁধিয়েছে ফতুল্লায়, শেষদিনে তাই এ ম্যাচের ভাগ্যে থাকতে পারে সব রকমের ফলই। 

    এদিন বাকি ৬ উইকেটে বরিশাল তুলেছে আর ১১২ রান। দিনের শুরুতেই মোসাদ্দেক হোসেনের পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে তারা, নুরুজ্জামান ছাড়া দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন শুধু এদিন মোহাম্মদ আশরাফুল ও শামসুল ইসলাম। শেষ ৪ জন ব্যাটসম্যানকে নিয়ে নুরুজ্জামান যোগ করেছেন ৯১ রান, নিজে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে ১০৭ বলে ৫ চার ও ২ ছয়ে করেছেন ৬০। আগের ম্যাচে বোলিংয়ে ঝলক দেখিয়েছিলেন তিনি, এবার ফিরে এসেছেন তার মূল কাজের জায়গা ব্যাটিংয়ে। 
     


    বৃষ্টি বাধায় পড়েছে ফতুল্লায় জাতীয় লিগের ম্যাচ


    চট্টগ্রামের দ্বিতীয় ইনিংসের ৫ম ওভারে বৃষ্টি এসে চা-বিরতি এগিয়ে এনেছে, আবার খেলা শুরু হলে তারা হেঁটেছে নিরাপদ পথে। মোট ১৯ ওভার ব্যাটিং করেছে তারা। বরিশালকে ব্রেকথ্রু দিয়েছেন মোহাম্মদ আশরাফুল, তার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরেছেন ইরফান শুক্কুর। আলোকস্বল্পতায় খেলা শেষ হওয়ার সময় ৩০ রান করা পিনাক ঘোষের সঙ্গী অধিনায়ক মুমিনুল হক, যিনি অপরাজিত ১১ রানে। 

    ****

    ঢাকা মেট্রো-সিলেট
    ঢাকা মেট্রো ১ম ইনিংস ২৪৬ অল-আউট ও ২২৫/৬*
    ঢাকা মেট্রো ৬ উইকেট নিয়ে ১৫২ রানে এগিয়ে 


    আগের ম্যাচে একমাত্র ইনিংসে করেছিলেন ৬৩ রান, এরপর এই ম্যাচের প্রথম ইনিংসেও মাহমুদউল্লাহ করেছেন ওই ৬৩ রানই। দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরির খুব কাছে চলে গেছেন তিনি, ১৯৪ বল খেলে অপরাজিত আছেন ৯৫ রানে। এখন পর্যন্ত মেরেছেন ৫টি চার, ১টি ছয়।  দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেট হাতে নিয়ে ১৫২ রানে এগিয়ে আছে ঢাকা মেট্রো, বগুড়ায় তাদের মূল ভরসা হয়ে আছেন মাহমুদউল্লাহই। 

    সকালে দ্রুতই ব্রেকথ্রু পেয়েছিল সিলেট, নাইম শেখকে ফিরিয়েছিলেন ইমরান আলি। ২য় উইকেটে ৩২ রান যোগ করার পর ২ রানের ব্যবধানে আউট হয়েছেন রাকিন আহমেদ ও শামসুর রহমান। আল-আমিনকে নিয়ে ৪র্থ উইকেটে মাহমুদউল্লাহ ৩৪ রান। এরপর জাবিদ হোসেন ও আমিনুল ইসলামের সঙ্গে মাহমুদউল্লাহর জুটি যথাক্রমে ৬১ ও ২৯ রানের। তবে শহিদুল দারুণ সঙ্গ দিচ্ছেন মাহমুদউল্লাহকে, দিনশেষে তাদের জুটি অবিচ্ছিন্ন আছে ৬১ রানে। শহিদুল অপরাজিত আছেন ২৯ রান করে। 

    ৭ জন বোলার ব্যবহার করেছেন সিলেট অধিনায়ক অলক কাপালি। ইমরান ও এনামুল হক জুনিয়র নিয়েছেন ২টি করে উইকেট, ১টি করে নিয়েছেন রাহাতুল ফেরদৌস ও রেজাউর রহমান।