• জাতীয় ক্রিকেট লিগ
  • " />

     

    সানজামুল-সাকলাইনে রাজশাহীর ৬ রানের রুদ্ধশ্বাস জয়

    রাজশাহী বিভাগ ২০১ ও ১৯০

    রংপুর রিভাগ ২৭৪ ও ১১১

    ফলঃ রাজশাহী ৬ রানে জয়ী


     

    তৃতীয় দিন শেষেও ম্যাচের পাল্লা হেলে ছিল রংপুরের দিকে অনেকটাই। শেষ দিনে সেটা আরও বেশি হেলে গেল, জয়ের জন্য রংপুরের চতুর্থ ইনিংসে দরকার ছিল ১১৮ রান। কিন্তু কক্সবাজারে সেই রান তাড়া করতেই তারা অলআউট হয়ে গেল ১১১ রানে, লো স্কোরিং ম্যাচে ৬ রানের একটা রুদ্ধশ্বাস জয় পেল রংপুর।

     

    চতুর্থ দিনে যখন ৬ উইকেটে ১২৯ রান নিয়ে শুরু করেছিল রাজশাহী, ম্যাচ বাঁচানোটাই ছিল তাদের লক্ষ্য। কাল সারাদিন শম্বুকগতির ব্যাটিং করেছিল তারা, আজ সকালেও টকে থাকারই চেষ্টা করেছিল। সকালের সেশনের প্রায় অনেকটুকু কাটিয়ে দিয়েছিল, তবে সানজামুল ইসলামই যা একটু রান নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। শেষ পর্যন্ত ১০২.১ ওভার খেলে ১৯০ রানে অলআউট হয়ে গেছে রাজশাহী। সানজামুল ৮৭ বলে করেছেন ৩৬, আর মুক্তার আলী ১০৯ বলে করেছেন ২৪। রংপুরের হয়ে লেগ স্পিনার তানভীর হায়দার ছিলেন সফলতম বোলার, ৩ উইকেট নিয়েছেন। দুইটি করে উইকেট নিয়েছেন সোহরাওয়ার্দী শুভ, সঞ্জিত সাহা ও সাজেদুল ইসলাম।

    লাঞ্চের পর ১১৮ রান তাড়া করার জন্য দুই সেশন পেয়েছিল রংপুর। জয়টা ছিল; তাদের হাতের নাগালেই। প্রথম ধাক্কা খায় ১৯ রানে, সানজামুলের বলে ফিরে যান ওপেনার মাহমুদুল হাসান। সেই ১৯ রানেই নেই আরেক ওপেনার মেহেদী মারুফ। তানভীর হায়দার চারে উঠে এসে ২ রানের বেশি করতে পারেননি। এরপর সোহরাওয়ার্দী শুভও যখন ১৪ রানে ফিরে যান, ৫২ রানে ৪ উকেট হারিয়ে ফেলেছে রংপুর। সেই চারটি উইকেট ভাগাভাগি করে নিয়েছেন সানজামুল-সাকলাইন সজীব।

    তবে নাঈম ইসলাম ও আরিফুল হক রংপুরকে জয়ের দিকেই নিয়ে যাচ্ছিলেন। পঞ্চম উইকেটে দুজন তুলেছিলেন ৩৩ রান। আরিফুল ২৬ রানে আউট হওয়ার পরেই আবার ধস শুরু। দ্রুত ফিরে যান নাসির হোসেন ও ধীমান ঘোষ। তবে নাঈম ছিলেন, সাজেদুলকে নিয়ে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু জয় থেকে ৯ রান দূরে এসে ৩৬ রানে আউট হয়ে যান। পরের ওভারেই সাজেদুল ও মুকিদুলকে তুলে নেন সানজামুল, রাজশাহী পায় স্মরণীয় একটা জয়। ৫ উইকেট করে নিয়ে তাতে সমান কৃতিত্ব সানজামুল-সাকলাইনে