• জাতীয় ক্রিকেট লিগ
  • " />

     

    বরিশালকে ইনিংস পরাজয় ফিরিয়ে দিল সিলেট, ইনিংস জয় ঢাকা মেট্রোরও

    ২য় স্তর, চট্টগ্রাম
    ঢাকা মেট্রো ৪০৩ (সাদমান ১৭৮)
    চট্টগ্রাম ৯১ (শরিফুল্লাহ ৪/৩০, তাসকিন ৩/৩৪) ও ২৪৮ (ইয়াসির ৬৬, শহিদুল ৪/২৯)
    ঢাকা মেট্রো ইনিংস ও ৬৪ রানে জয়ী 


    পিনাক ঘোষ ও অধিনায়ক ইয়াসির আলি রাব্বির ফিফটি শুধু ইনিংস পরাজয়টাকেই বিলম্বিতই করতে পেরেছে চট্টগ্রামের জন্য, আটকাতে পারেনি। চট্টগ্রামে ঢাকা মেট্রোর বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ২৪৮ রানে গুটিয়ে গিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে স্বাগতিকরা।

    ইনিংস পরাজয় আটকাতে এদিন ৭ উইকেটে ২১৬ রান করতে হতো চট্টগ্রামকে। শরিফুল্লাহর বলে এদিন শুরুতেই এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরেছেন ৫৭ রান করা পিনাক। এরপর তাসামুল হকের সঙ্গে ৪৬ ও নাঈম হাসানের সঙ্গে ৬৬ রানের দুটি জুটি গড়েছিলেন ইয়াসির। তাসামুল ও নাঈম যথাক্রমে নিহাদুজ্জামান ও শহিদুল ইসলামের বলে আউট হয়ে ফিরেছেন। 

    মাঝে ইয়াসিরও ফিরেছেন শহিদুলের বলে, এর আগে করেছেন ১০০ বলে ৬৬ রান, ৭ চার ও ১ ছয়ে। ১৭ রানের ব্যবধানে শেষ ৪ উইকেট হারিয়েছে চট্টগ্রাম। ২৯ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ইনিংসে মেট্রোর সেরা বোলার শহিদুল, ২টি করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল্লাহ। ১টি করে নিয়েছেন আল-আমিন ও নিহাদুজ্জামান। 

    এ ম্যাচে চট্টগ্রামের ১ পয়েন্টের বিপরীতে ১০.৮ পয়েন্ট পেয়েছে ঢাকা মেট্রো। দ্বিতীয় স্তরে পয়েন্ট তালিকায় চট্টগ্রামকে টপকে দুইয়ে উঠে এসেছে ঢাকা মেট্রো। 

    ১৭৮ রানের ইনিংসের জন্য ম্যাচসেরা হয়েছেন সাদমান ইসলাম।   

    ****

    ২য় স্তর, কক্সবাজার
    বরিশাল ১৬২ অল-আউট (নুরুজ্জামান ৪০, এবাদত ৫/৩৬, নাসুম ৩/৫৭) ও ১২৮ (নাসুম ৪/৫)
    সিলেট ৩২২ (শানাজ ৭৩, জাকির ৫৩)
    সিলেট ইনিংস ও ৩২ রানে জয়ী 


    প্রথম রাউন্ডে সিলেটকে ইনিংস ব্যবধানে হারিয়েছিল বরিশাল। দ্বিতীয় দফা দেখায় এবার বরিশালকে সেই ইনিংস পরাজয় ফিরিয়ে দিল সিলেট। কক্সবাজারে নাসুম আহমেদ ও এবাদত হোসেনের বোলিং তোপে তিনদিনের ব্যবধানেই বরিশালকে দ্বিতীয়বার অল-আউট করে দিয়েছে সিলেট। 

    সিলেটকে আবার ব্যাটিং করাতে বরিশালকে এদিন করতে হতো ৯ উইকেটে আরও ১৪৮ রান। তৃতীয় দিন প্রথম বলেই এবাদতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরেছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। ফজলে রাব্বিকেও বেশিক্ষণ টিকতে দেননি এবাদত। চতুর্থ উইকেটে শাহরিয়ার নাফীস ও নুরুজ্জামানের ৩৯ রানের জুটির পর ৩ রানের ব্যবধানে ফিরেছেন এ দুজন। পঞ্চম উইকেটে সালমান হোসেনকে নিয়ে আরেক দফা চেষ্টা করেছিলেন সোহাগ গাজি, এ দুজনের জুটিতে উঠেছিল ৩২ রান। 

    তবে ১৩ রানের ব্যবধানে শেষ ৪ উইকেট হারিয়ে ১২৮ রানেই থামতে হয়েছে বরিশালকে। মূল ক্ষতিটা করেছেন নাসুম, ৪.১ ওভারে তিনি ৪ উইকেট নিয়েছেন মাত্র ৫ রান খরচ করে। আর ম্যাচসেরা এবাদত প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেটের পর এ ইনিংসে নিয়েছেন ২৮ রানে ৩ উইকেট। 

    সিলেট ৯.৮ পয়েন্ট পেয়েছে এ ম্যাচে, ২২.৫৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্তরের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে এখন সিলেট। ১৫.৬২ পয়েন্ট নিয়ে বরিশাল সবার নীচে।