• জাতীয় ক্রিকেট লিগ
  • " />

     

    মিরপুরের থ্রিলারে ১ উইকেটের জয় খুলনার, রাজশাহীকে উড়িয়ে দিল ঢাকা

    ১ম স্তর, মিরপুর
    রংপুর ১ম ইনিংস ২২৪ অল-আউট (নাসির ৪০, রাজ্জাক ৭/৬৯) ও ২য় ইনিংস ২১১ (নাসির ৭৬, আরিফুল ৫৮, রাজ্জাক ৫/৭১) 
    খুলনা ১ম ইনিংস ২৩৩ অল-আউট (মেহেদি ১১৯, রবিউল ৫/৪১) ও ২য় ইনিংস ২০৩/৯ (জিয়াউর ৫৩, মেহেদি ৫৬, শুভ ৬/৫৫)  
    খুলনা ১ উইকেটে জয়ী


    মিরপুরের থ্রিলারে রংপুরকে ১ উইকেটে হারিয়ে দারুণ এক জয় পেয়েছে খুলনা। ১৭৭ রানে ৫ উইকেট থেকে হুট করেই ১৮৭ রানে ৯ উইকেট পরিণত হয়েছিল ২০৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করা খুলনা। মইনুল ইসলাম ও আব্দুল হালিমের শেষ উইকেট জুটি এরপর পার করিয়েছে খুলনাকে। 

    ১৩০ রানে ৫ উইকেট নিয়ে দিন শুরু করেছিল খুলনা, মেহেদি হাসান ও জিয়াউর রহমানের ৬ষ্ঠ উইকেট জুটি তাদের অনায়াস জয় এনে দেবেই বলে মনে হচ্ছিল একসময়। দুজনই পেরিয়ে গেছেন ফিফটি, এরপর সোহরাওয়ার্দি শুভর পরপর দুই ওভারে ফিরেছেন দুজন। প্রথমে ৫৬ রান করে ক্যাচ দিয়েছেন মেহেদি, এরপর ৫৩ রান করা জিয়া হয়েছেন বোল্ড। 

    পরের ওভারে মাহমুদুল হেনেছেন জোড়া আঘাত। আব্দুর রাজ্জাক ক্যাচ দেওয়ার পর মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলেই এলবিডব্লিউ হয়েছেন রুবেল হোসেন। খুলনা ও জয়ের মাঝে ব্যবধান তখন ১৬ রান, রংপুরের সঙ্গে ব্যবধান ১ উইকেটের। 

    পরের ৪ ওভারে খুলনা তুলেছে ৪ রান, এরপর শুভকে একটি চার মেরে তাদেরকে এগিয়ে নিয়েছিলেন মইনুল। শেষ পর্যন্ত শুভর বলেই ২ রান নিয়ে জয় নিশ্চিত করেছেন মইনুল। ৬ উইকেট নিয়েও তাই হাসতে পারেননি শুভ, ১৬ রানের ইনিংস দারুণ মূল্যবান হয়ে গেছে মইনুলের কাছে। 

    এ জয়ে পাওয়া ৯.৫ পয়েন্ট দিয়ে খুলনা এখন প্রথম স্তরে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে, মোট ২৬.৪৬ পয়েন্ট নিয়ে। আর ৮.২২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তলানীতে রংপুর।  


    ****

    ১ম স্তর, কক্সবাজার
    রাজশাহী ১ম ইনিংস ২৩০ অল-আউট (শান্ত ৫৬, মুক্তার ৫৬*, সানজামুল ৪৯, সুমন ৩/৪৩, শুভাগত ৩/৫৭) ও ২য় ইনিংস ২৪১ অল-আউট (সাব্বির ৫৮, শান্ত ৫১, সাইফ ৩/১৫) 
    ঢাকা ১ম ইনিংস ৪৭৫/৭ ডিক্লে. (তাইবুর ১০২, শুভাগত ১০৪, নাদিফ ১০১*, সানজামুল ৪/১৬২)
    ঢাকা ইনিংস ও ৪ রানে জয়ী 


    বাকি তিন ম্যাচের মতো এ ম্যাচও দেখেছে জয়-পরাজয়। ৪ রানের জন্য ঢাকাকে আবার ব্যাটিং করানো হয়নি রাজশাহীর, যা হতে পারত তাদের জন্য সান্ত্বনা। জাতীয় লিগের চতুর্থ রাউন্ডে চারটি ম্যাচের তিনটিই দেখলো ইনিংস ব্যবধানের হারজিত। 

    ইনিংস পরাজয় আটকাতে রাজশাহীর এদিন ৭ উইকেটে করতে হতো আরও ১৬৮ রান। এদিন শুরুতেই জুনাইদ সিদ্দিককে ফেরান নাজমুল ইসলাম, আগেরদিনের সঙ্গে কোনও রান যোগ না করেই বোল্ড হয়েছেন জুনাইদ। 

    নাজমুল হোসেন শান্তর ৫১, ফরহাদ হোসেনের ২৮, সাব্বির রহমানের ৫৮ রানের ইনিংসে ভর করে বেশ কিছুদূর এগিয়ে গিয়েছিল রাজশাহী, তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো কাল হয়েছে তাদের।

    সাত নম্বরে বোলিং করতে আসা সাইফ হাসান নিয়েছেন ৩ উইকেট, সাব্বির রহমানের পর মুক্তার আলি ও ফরহাদ রেজা হয়েছেন তার শিকার। ২৪১ রানে দ্বিতীয় ইনিংসে গুটিয়ে গেছে রাজশাহী। 

    ২০.৬ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে উঠে এসেছে ঢাকা, চার রাউন্ড শেষে রাজশাহীর পয়েন্ট ১৩.৬১।