• আফগানিস্তান-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ
  • " />

     

    হোপ-চেজে হোয়াইটওয়াশই হলো আফগানিস্তান

    স্কোর

    আফগানিস্তান ৫০ ওভারে ২৪৯/৭ (আসগর ৮৬, নবী ৫০; পল ৩/৪৪)

    ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪৮.৪ ওভারে ২৫৩/৫ (হোপ ১০৯*, চেজ ৪২*; মুজিব ২/৪৯)

    ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৫ উইকেটে জয়ী 

    শাই হোপ-রস্টন চেজের ব্যাটে ভর করে সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সিরিজের শেষ ম্যাচে ফিরে এলো প্রথম ম্যাচের দেজা ভ্যু। হোপ-চেজ জুটিই ক্যারিবিয়ানদের এনে দিল কষ্টার্জিত এক জয়। লক্ষ্ণৌতে আফগানিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে রশিদ খানদের হোয়াইটওয়াশ করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২০১৪ সালের পর এই প্রথম ওয়ানডেতে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল তারা। 

    ২৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তিন ওভারের মাঝেই ফেরেন এভিন লুইস ও শিমরন হেটমেয়ার, স্কোরবোর্ডে তখন মাত্র ৪ রান। দুইজনকেই এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেছেন মুজিবুর রহমান। ব্রান্ডন কিংকে নিয়ে সেই পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন হোপ। ৬৪ রানের জুটি ভাঙ্গে কিং প্যাভিলিয়নে ফিরলে। এরপর নিকোলাস পুরানও খুব বেশি সঙ্গ দিতে পারেননি হোপকে।

    শাই হোপেই কপাল পুড়ল আফগানদের 

     

    ১১৯ রানে চার উইকেট হারানো ওয়েস্ট ইন্ডিজকে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে হোপ-পোলার্ড জুটি। এই জুটি গড়ার সময়ই হাফ সেঞ্চুরি পান হোপ। ফিফটি থেকে আট রান দূরে থাকতে মোহাম্মদ নবীর বলে আউট হয়েছেন পোলার্ড। 

    ৭২ বলে দরকার ৬৮ রান, শেষ দশ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে চ্যালেঞ্জটা কম ছিল না। সেটা দেখেশুনেই পার করেছে হোপ-চেজ জুটি। ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন এই দুই ব্যাটসম্যান। জয়ের পথে হোপ তুলে নিয়েছেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সপ্তম সেঞ্চুরি। আট চার ও তিন ছয়ে ১৪৫ বলে ১০৯ রানে অপরাজিত ছিলেন হোপ। ম্যাচ সেরাও হয়েছেন তিনি। আট বল বাকি থাকতেই তাই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ক্যারিবিয়ানরা। 

    ম্যাচের শুরুতে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল আফগানরা। এক হজরতউল্লাহ জাজাই ছাড়া টপ অর্ডারের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১১৮ রানে ৫ উইকেট হারানো আফগানদের পথ দেখিয়েছেন আসগর আফগান, তাদের দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন নজিবুল্লাহ জারদান ও মোহাম্মদ নবী। নবীর সাথে ১৩৭ রানের জুটি গড়ে দলের স্কোর ২৫০ এর কাছে নিয়ে গেছেন জাজাই। 

    তিন চার ও ছয় ছক্কায় আসগর করেছেন ৮৬ রান। আলজারি জোসেফের বলে আউট হলে সেঞ্চুরিটা পাওয়া হয়নি তার। নবী অবশ্য শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন, পেয়েছেন ফিফটিও। তবে তাদের এই লড়াইটা শেষ পর্যন্ত বৃথাই গেছে। এই নিয়ে ২০১৯ সালে টানা ১২ ওয়ানডেতে হারের স্বাদ পেলেন রশিদ খানরা।