• ক্রিকেট, অন্যান্য
  • " />

     

    পাকিস্তানে টেস্ট খেলতে যেতে চায় না বাংলাদেশ?

    বাংলাদেশের পাকিস্তান সফর ঘিরে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। একাধিক ফরম্যাটের সিরিজের জন্য পাকিস্তান যেতে হলে বাংলাদেশ ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফরা রাজি নাও হতে পারেন- এক বিসিবি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এমন জানিয়েছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

    ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের তিনটি টি-টোয়েন্টি ও দুটি টেস্ট খেলার কথা পাকিস্তানের বিপক্ষে। পাকিস্তান চায়, পুরো সিরিজটি তাদের মাটিতেই হোক। এমনিতে ২০০৯ সালে লাহোরে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার ও ম্যাচ অফিশিয়ালদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে টেস্ট খেলে আসছে পাকিস্তান। এর মাঝে পাকিস্তানে কিছু আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছে, সম্প্রতি সেখানে গেছে শ্রীলঙ্কা। সামনে টেস্ট সিরিজও পাকিস্তানে খেলতে শ্রীলঙ্কা রাজি হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে পিসিবির পক্ষ থেকে। 

    আইসিসির সাবেক প্রেসিডেন্ট এহসান মানি নতুন করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরাতে আরও জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশকে পাকিস্তানে নিতে চায় পিসিবি। 

    তবে নিরাপত্তার বেস্টনিতে লম্বা সফরে সেই দেশে যেতে আগ্রহী হবেন না বাংলাদেশ ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফের সদস্যরা- এক বিসিবি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এমন জানিয়েছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। তাদেরকে তিনি বলেছেন, “তিন সপ্তাহ ধরে চলা সফরে পাকিস্তান যেতে ক্রিকেটাররা রাজি নয়। কোচিং স্টাফের সদস্যরা এরই মাঝে নিজেদের অনীহার কথা জানিয়েছেন। তিনটি টি-টোয়েন্টি হলে ঠিক আছে, তখন সফর সাত-আট দিনে শেষ হয়ে যাবে। তবে ২১ দিনের জন্য তারা সেখানে যাবে না।” 

    সম্প্রতি শ্রীলঙ্কা সফরের পর এসএলসির প্রধান নির্বাহী শাম্মি সিলভা কড়া নিরাপত্তায় তাদের ক্রিকেটারদের অবস্থা প্রকাশ করেছিলেন। বিসিবির এই কর্মকর্তাও বলেছেন এমনই, “ক্রিকেটারদের মানসিক অবস্থার ক্ষেত্রে এটি বিশাল বাধা হতে পারে। টিম হোটেল, টিম বাস, ম্যাচ ভেন্যু- এই হবে তাদের রুটিন। তাদের বাইরে যাওয়ার অনুমতি মিলবে না। এমন অবস্থায় সেখানে এতদিন থাকা বেশ কঠিন হয়ে পড়বে।” 

    পাকিস্তানের সঙ্গে এ দুটি টেস্ট বাংলাদেশের ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ। সেক্ষেত্রে এমন পরিস্থিতিতে আইসিসির দ্বারস্থ হতে পারে বিসিবি, বলা হয়েছে এমন। 

    অবশ্য সম্প্রতি নিরাপত্তা পর্যবেক্ষকের রিপোর্ট ও বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে পাকিস্তান সফর শেষ করে এসেছে বাংলাদেশ উইমেন ও অনূর্ধ্ব-১৭ দল।