• বঙ্গবন্ধু বিপিএল
  • " />
    X

     

    'টি-টোয়েন্টিতে বেশি আক্রমণাত্মক হতে গিয়েছিল মুমিনুল'

    ২০১৮ সালের এশিয়া কাপে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক পরিসরে সীমিত ওভারের ক্রিকেট খেলেছিলেন মুমিনুল হক। শুরুতে বাংলাদেশ স্কোয়াডে না থাকলেও তিনি দলে এসেছিলেন অন্যদের চোট ও চোটের শঙ্কার কারণে, ১৬তম সদস্য হিসেবে। তবে মুমিনুলের সেভাবে দলে সুযোগ পাওয়াতে ঠিক খুশি ছিলেন না কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। তিনি বলেছিলেন, মুমিনুল যাতে দলে ‘সরাসরি’ সুযোগ পান, সেক্ষেত্রে সেটি তার আত্মবিশ্বাসের ক্ষেত্রে কাজে দেবে।

    এশিয়া কাপের পর মুমিনুল খেলেছিলেন বিপিএলে, এ বছরের শুরুতে। আরেকটি বিপিএলের সামনে এসে নিশ্চিতভাবেই আত্মবিশ্বাস খুব তুঙ্গে নেই তার। এবার সালাউদ্দিনের ঢাকা প্লাটুনেই খেলবেন মুমিনুল, গত মৌসুমে রাজশাহী কিংসের হয়ে সময়টা যার সুবিধার যায়নি মোটেও। ৭ ইনিংসে ১২.১৪ গড়ে মুমিনুল করেছিলেন ৮৫ রান, ৪৪ রানের একটি ইনিংসসহ। 

    মুমিনুল ‘ধীরে খেলেন’, এই ব্যাপারটি মানতে চাননি সালাউদ্দিন, তবে বলেছেন, ‘বেশি আক্রমণাত্মক হতে গিয়েই সময়টা ভাল যায়নি তার’।

    সালাউদ্দিন বলছেন, “আমার কাছে মনে হয় না সে ধীরে খেলে। আপনাদের কাছে মনে হতে পারে। আমার কাছে মনে হয় সে অন্যান্য অনেক ভালো ব্যাটসম্যানের চেয়ে স্ট্রাইক রোটেট খুব ভালো করতে পারে। টি-টোয়েন্টিতে হয়তো গত দুটি বছর সে ভালো খেলেনি, আমার মনে হয় সে একটু বেশিই আক্রমণাত্মক হতে গেছে। আমার কাছে মনে হয় তার যতটুকু সামর্থ্য আছে সেটা এখানে খেললে সে সাফল্য পাবে।”

    মুমিনুলকে ‘টেস্ট স্পেশালিস্ট’ আখ্যা দিতেও রাজি নন তিনি, “বাংলাদেশে এখনও প্রতিটি ফরম্যাটের স্পেশালিস্ট বের হয়েছে কি না আমি জানি না। আমার মনে হয় এরকম কাউকে আখ্যা না দেয়াটাই ভালো। আমরা যদি সেভাবে প্রস্তুতি নেই তাহলে বলতে পারবো সে ওয়ানডে ক্রিকেটার বা (এমন কিছু)।” 

    মুমিনুলকে নিয়ে নির্দিষ্ট পরিকল্পনাও আছে তাদের, “প্রতিটা দলের একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকে। কাউকে যদি নেয়া হয় তাহলে নির্দিষ্ট কোনো উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়। এটা পুরো পেশাদার একটি দল। এখানে কারো ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া কিছু নেই। দলের যেটা প্রয়োজন, ওই জায়গায় জন্য সে উপযুক্ত ক্রিকেটার কিনা সেটা দেখেই তাকে নেয়া হয়। কে কী করল না করল, কারো ইতিহাস নিয়ে আমরা টানাটানি করি না। আমার কাছে যদি মনে হয় আমার দলের জন্য সে উপযুক্ত তাহলে তাকে আমি নিব।”