• বুন্দেসলিগা
  • " />

     

    ৫ গোলে ৪ পয়েন্টের লিড উদ্ধার করলো বায়ার্ন

    ফুলটাইম
    বায়ার্ন মিউনিখ ৫-২ আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট


    এমন ম্যাচ ফাঁকা গ্যালারিতে হওয়া সম্ভবত 'অপরাধই'। বায়ার্ন মিউনিখ সমর্থকদের টিভির সামনে বসে আফসোসেই পোড়ার কথা। এমনিতে অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় প্রতি সপ্তাহে ৭৫ হাজার সমর্থক বাভারিয়ানদের খেলা উপভোগ করেন। বুন্দেসলিগা ফেরার পর বায়ার্ন এই প্রথম খেলল ঘরের মাঠে। সেই ম্যাচেও গুণে গুণে ৫ গোল দিয়েছে বায়ার্ন। মাঠের গর্জন বাদ দিলে দারুণ দিনই অবশ্য কাটিয়েছে বায়ার্ন। ডের ক্লাসিকেরের আগে আবারও ৪ পয়েন্টের লিড নিয়ে শীর্ষস্থানটা আরেকটু পোক্ত করেছে তারা।

    ৪৬ মিনিটের ভেতর বায়ার্ন ৩-০ তে এগিয়ে যাওয়ার পরও অবশ্য মাঝে উত্তেজনা ফিরেছিল খেলায়। ৩ মিনিটের ব্যবধানে মার্টিন হিন্টেরেগার জোড়া গোল করে আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্টকে দারুণ এক প্রত্যাবর্নের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন। তবে বাকি সময়ে আর দুই গোল হজম করে ফেরার গল্পটা লেখা হয়নি ফ্রাঙ্কফুর্টের।


    ঘরের মাঠে গোলের শুরুটা করেছিলেন লিওন গোরেতস্কা। থমাস মুলারের বাম প্রান্ত থেকে করা ক্রস বক্সের ভেতর গিয়ে পড়েছিল। গোরেতস্কা অনেকটা পথ দৌড়ে এসে বলের নাগাল পেয়ে প্রথম সুযোগেই করেছিলেন শট। দিক-নিশানা, গতির কাছে হার মেনে কেভিন ট্রাপ হজম করেন দিনে প্রথম গোল।

    আইনট্রাখট গোলরক্ষকের এরপরের সময়টাও ব্যস্তই কেটেছে। মুলার মৌসুমের ১৭তম অ্যাসিস্ট করার খানিক পরে নিজেও গোল করেছেন। বক্সের ভেতর বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পরের শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মুলার। রবার্ট লেভানডফস্কি অবশ্য সবার আগেই গোল পেতে পারতেন। ম্যাচের ১০ মিনিটে তার শট ফিরে এসেছিল বারপোস্ট কাঁপিয়ে। দ্বিতীয়ার্ধের একেবারে শুরুতেই সিক্স ইয়ার্ড বক্সের মাথা থেকে হেডে গোল করে স্কোরশিটে নাম লেখান তিনি।

    ম্যাচের বাকি অংশের অনেকটা জুড়েই হিন্টেরেগার। এরপরের ৪ গোলের ৩টিই করেছেন তিনি। ৫২ আর ৫৫ মিনিটে দুই কর্নারের সাহায্যে বক্সের ভেতর থেকে দুই গোল করেন তিনি। এরপর শেষে ৭৪ মিনিটে গিয়ে আত্মঘাতী গোল করে মিউনিখের ফাঁকা মাঠের উত্তেজনায়ও থিতিয়ে দেন হিন্টেরেগার। এর আগেই অবশ্য রক্ষণাত্মক ভুলে ৬১ মিনিটে ব্যবধান ৪-২ করেছিলেন আলফোন্সো ডেভিস।

    সব প্রতিযোগিতায় ১৭ ম্যাচে ১৬তম জয়ে শিরোপার আরেকটু কাছে গেল বায়ার্ন মিউনিখ। বরুশিয়া ডর্টমুন্ড ৫৭ পয়েন্ট নিয়ে আছে দুইয়ে। আর সবার ওপরে বায়ার্নের পয়েন্ট ৬১। দুই দল ডের ক্ল্যাসিকেরে মুখোমুখি হচ্ছে পরের ম্যাচেই। ২৬ তারিখ ডর্টমুন্ডকে হারাতে পারলে টানা অষ্টম শিরোপাটা একরকম নিশ্চিতই হয়ে যাবে বায়ার্নের।