• ক্রিকেট, অন্যান্য
  • " />

     

    লংকা দ্বীপের মানিকজোড়

    মোরা কেঁদেছি একই দুঃখে,
    হেসেছি একই সুখে।

    আপনার কাছে এটা অর্থ যা-ই হোক- তাঁদের কাছে এই দুইটি বাক্য মাঠ পেরিয়ে জীবনের সীমানা ছোঁয়ার ।

    আচ্ছা, ক্রিকেট মাঠ, মাঠের মাঝখানে লড়াইয়ের ক্ষেত্র ওই বাইশ গজে কি প্রতিপক্ষের সাথে প্রতিপক্ষের বন্ধুত্ব আর ভালোবাসা হয়? আপনার উত্তর যদি 'হ্যাঁ' হয় এই চিত্রটা আপনার জন্য। শীতল স্নায়ুযুদ্ধ আর কথার পিঠে কথার লড়াইয়ের মাঝখানে আপনি হঠাৎ দেখলেন জফরা আর্চারের মুঠো থেকে ধেয়ে আসা ১৫০ কি.মি গোলা সামলাতে স্টিভ স্মিথ ডাক করছেন অথবা নিশানায় পরাস্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ছেন। আর বোলার সামান্য পেছন ফিরে না তাকিয়ে দিব্যি হেঁটে তার বোলিং পজিশনে চলে যাচ্ছেন। তবে আজকের গল্পটা আরেকটু অন্যরকম।

     

     ধরুন ডেল স্টেইনের বলে ডি ভিলিয়ার্সের মায়াবী ওই পুল শট- যেটা আছড়ে পড়ছে গ্যালারির ভীড়ে। এটাই ক্রিকেট মহারণের বাইশ গজ। এখানে সতীর্থও যখন প্রতিপক্ষ হয় তবুও এক চুল পরিমাণ ছাড় নেই। হালের ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে এরকম তো হচ্ছেই। আবার হয়তো এমনও দেখছেন একটা ক্যাচ মিস হলে সতীর্থ বোলার তেড়ে যাচ্ছেন ওই ফিল্ডারের দিকে! ক্রিকেটের ময়দানে এসব তো চিরচেনা দৃশ্য। এসব দৃশ্যের এই জগতে আদৌ কি বন্ধুত্ব হতে পারে? কাঁধে কাঁধ জড়িয়ে একসাথে সবকিছু ভাগাভাগির বন্ধুত্ব? মাহেলা জয়াবর্ধনে আর কুমার সাঙ্গাকারা আপনাকে সেটাই মনে করিয়ে দেবে। 

    জয়াবর্ধনের কথা ধরুন। বলের সাথে মাহেলার ছিল পরম ভালোবাসার সম্পর্ক। কখনো লেট কাট কখনো আলস্য মায়াবী কাভার ড্রাইভ কখনোবা শিল্পীর তুলিতে আলতো ছোঁয়ায় বলকে সীমানাছাড়া করে যিনি বনেছেন ক্রিকেটের শিল্পী। আরেকজন- তিনি তো ক্রিকেট দার্শনিক। তিনি চিন্তায়-চেতনায় ক্রিকেট খেলতেন। খেলা ছেড়েও যিনি ধারাভাষ্য-কক্ষে বসে নিখুঁত কোন বিশ্লেষণে নিমেষেই ক্রিকেট দার্শনিক হয়ে যান। জয়াবর্ধনের মতো তিনিও ছিলেন শিল্পী। কখনো স্ট্রেইট ড্রাইভ কখনো ফ্লিক কখনো ওই মায়াবী লেগ গ্লেস কখনোবা হাঁটু গেড়ে বসে ওই কাভার ড্রাইভে দর্শককে মন্ত্রমুগ্ধ করতেন তিনি।
     


     

    ক্রিকেট মাঠে দুই বন্ধুর সুখ-দুঃখ আলিঙ্গন করে নেয়ার দিনগুলোয় একটু আসা যাক। দুই বন্ধুর নেতৃত্বে দুটি-দুটি চারটি বিশ্বকাপ থেকে গ্লানি নিয়ে ফিরেছে শ্রীলঙ্কা। যেন সমানহারে ওই ক্লান্তি মোড়ানো বোঝা ভাগাভাগির চেষ্টা! যেরকম ভাবছেন আপনার বন্ধুত্বের গ্লানিতে বন্ধু-বন্ধুর পিঠ চাপড়ে দেন। হ্যাঁ, তারাও দিয়েছেন। আর বলেছেন এবার হয়নি বন্ধু, পরেরবার হবে নিশ্চয়ই! ক্রিকেটকে যারা দুহাত পুরে দিয়েছেন- ক্রিকেট কি তাদের খালি হাতে ফিরিয়ে দেবে? তারা কি কোনদিন বিজয়ের মহানায়ক হবেন? নাকি ট্রাজেডির অসহায় নায়ক হওয়াই তাদের নিয়তি?

    ঘড়ির কাঁটাটা টাইম মেশিনে রেখে ঠিক চৌদ্দ বছর পেছনে ফিরে যাওয়া যাক! তার আগে আপনাকে একটা প্রশ্ন করি- টেস্ট ক্রিকেটে যেকোনো উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটি কাদের দখলে? দর্শককে যদি এই প্রশ্নটা করা হয়- আমি নিশ্চিত এক নিঃশ্বাসে উত্তর চলে আসবে। ২০০৬ সালে সিংহলিজ স্পোর্টস গ্রাউন্ডে টেস্ট ক্রিকেটে যেকোনো উইকেটে সর্বোচ্চ রানের সেই বিখ্যাত জুটির রুপকার এই মাহেলা জয়াবর্ধনে এবং কুমার সাঙ্গাকার। দুই বন্ধু মিলে প্রায় ৬০০ মিনিট ইচ্ছেমতো শাসন করেছিলেন প্রোটিয়া বোলিং লাইনআপকে।

    ৬২৪ রানের জুটিতে দুই মানিকজোড়ের ব্যাটের আগুনে পুড়েছিলেন একে-একে মাখায়া এনটিনি, ডেল স্টেইন, আন্দ্রে নেল, অ্যান্ড্রু হল ও নিকি বোয়ে। । শেষ পর্যন্ত অ্যান্ড্রু হলের বলে উইকেট-কিপারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ২৮৭ রানে আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেন সাঙ্গাকারা। সাঙ্গাকারা ট্রিপল সেঞ্চুরি মিস করলেও বন্ধু জয়াবর্ধনে ঠিকই খেলেছিলেন ৩৭৪ রানের ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস। এরকম ম্যারাথন জুটি গড়া বাইশ গজে একরকম হরহামেশা ব্যাপার বানিয়ে ফেলেছিলেন দু'জন। যদি মনে একটু খটকা জাগে তাহলে চলুন ক্রিকেটের প্রমাণপত্র পরিসংখ্যানের দিকে একটু চোখ বুলিয়ে আসা যাক। পরিসংখ্যান বলে দু'জন মিলে বাইশ গজে ৩৬ টি সেঞ্চুরি জুটি গড়েছেন। সাথে যোগ করে নিন ৬২ টি অর্ধ-শতকের জুটি। প্রতিপক্ষের বোলারদের হোটেল রাতগুলো দুঃস্বপ্নের মতো ভারি করেছেন দু'জন মিলে।

     

    ১৯৯৭ সালে ভারতের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক দিয়ে মাহেলার যাত্রা শুরু, বয়স তখন সবে ২০। বছর তিনেক পরে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাঙ্গাকারার পথচলা শুরু। ২০০৬ সালে মারভান আতাপাত্তুর চোটে আপৎকালীন হিসেবে প্রথমবার মাহেলা অধিনায়কত্বের ব্যাটন হাতে পান।আর সহকারী অধিনায়ক হিসেবে মাহেলা পেয়েছিলেন ততদিনে সবচেয়ে কাছের বন্ধু হয়ে যাওয়া সাঙ্গাকারাকেই।

     

    দুই বন্ধুর স্পর্শে ঐতিহাসিক ১৯৯৬ বিশ্বকাপ জয়ের পর প্রথমবার ২০০৭ বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চে উঠে শ্রীলঙ্কা। কিন্তু একজন অ্যাডাম গিলক্রিস্টের কাছে পেরে উঠলেন না তাঁরা। বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে অ্যাডাম গিলক্রিস্টের অতি-মানবীয় ১৪৯ হারের ইনিংসের কাছে হার মানে শ্রীলঙ্কা। গিলক্রিস্টের ইনিংসটি বিশ্বকাপ ফাইনালে কোন ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে শ্রীলঙ্কা হারে ৫৩ রানে। দুই বন্ধুর হাত ছোঁয়া দূরত্বে থাকা সোনালী ট্রফিখানা দূরত্বেই রয়ে গেলো।

    'এত কাছে তবু কত দূরে' এই বচন আপনাকে শুনিয়ে- দুই বন্ধু শূন্যে হাতে ফিরেছেন আরো তিনবার। ৫৪৮ রান করে ২০০৭ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তালিকায় 'দ্বিতীয় স্থানে' ছিলেন মাহেলা জয়াবর্ধনে। মিলটা দেখুন, ৪ টা স্ট্যাম্পিংস আর ১১ টি ক্যাচসহ মোট ১৫ টি ডিসমিসালস নিয়ে উইকেট-কিপারদের মধ্যে 'দ্বিতীয় স্থানে' ছিলেন কুমার সাঙ্গাকারা।

    অধিনায়ক মাহেলার জগৎ কেমন ছিল? মাহেলা অধিনায়ক হিসেবে মাঠে ছিলেন সবসময় চতুর এবং বিচক্ষণ। অধিনায়ক হয়ে শুধুমাত্র দল পরিচালনা আর নিজের ব্যাটিং নিয়ে পড়ে ছিলেন না তিনি। এ সময়টাতে নিজের ছায়াতলে রেখে গড়ে তুলেছিলেন শ্রীলঙ্কার ভবিষ্যৎ অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারাকে। যেহেতু অধিনায়ক মাহেলার কথা হচ্ছে তাই ভিভিএস লক্ষ্মণের একটা বচন দিয়ে শেষ করি:

    "You often took it for granted that Mahela was going to get a hundred but I will remember him as one of the best captain I played against."

    পনের বছরের ক্রিকেট মাঠে পথচলা মাহেলা-সাঙ্গাকে একবিন্দুতে মিলিত করেছে অসংখ্যবার। জন্মের তারিখটা খেয়াল করুন। জয়াবর্ধনে পৃথিবীর আলো দেখেছিলেন ১৯৭৭ সালের ২৭ মে। সাঙ্গাকারা সেই আলোর সন্ধান পেয়েছিলেন ১৯৭৭ সালের ২৭ অক্টোবর। পাঁচ মাসের ব্যবধানে একই দিনে এসেছিলেন দুজন।

    মাহেলা জয়াবর্ধনে হয়তো আপনার স্বপ্নের অধিনায়ক ইমরান খান কিংবা অর্জুনা রানাতুঙ্গা ছিলেন না। কিন্তু অধিনায়ক হিসেবে দলের প্রতি তার আত্মনিবেদন নিয়ে আপনাকে কখনো প্রশ্ন তোলার সুযোগ দেননি। ফেব্রুয়ারী ২০০৯ মাহেলা অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেন। উপলক্ষ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দল গুছিয়ে তোলার জন্য নতুন অধিনায়ককে সুযোগ দেয়া। সেই উপলক্ষে ২০০৯ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এবার অধিনায়কত্বের গুরুদায়িত্ব বর্তায় তারই বন্ধু সাঙ্গার হাতে।

     

     

    এরমধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় বসলো ২০০৯ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় আসর। পুরো আসরে দুর্দান্ত খেলে ফাইনালে উঠে বরাবরের মতো বৈশ্বিক আসরে নিজেদের সাফল্যের ধারা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছিল শ্রীলঙ্কা। কিন্তু শিরোপা জয়ের ভাগ্যের চাকা এবারও তাদের দিকে ঘুরলো না। এবার শহীদ আফ্রিদির বীরোচিত ৪০ বলে ৫৪ রানের কাছে হার মানে শ্রীলঙ্কা। ৮ উইকেটে হেরে এবারও খালি হাতে ফিরলেন মাহেলা-সাঙ্গা। তবে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ক্রিকইনফোর 'টিম অফ দ্য টুর্নামেন্টে' জায়গা করে নিয়েছিলেন সাঙ্গাকারা।

    উপমহাদেশে বসেছে ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপের দশম আসর। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড় স্টেডিয়ামে ফাইনালের মহারণে মুখোমুখি ভারত এবং শ্রীলঙ্কা। ক্রিকেট বিধাতা ঠিক করে রেখেছিলেন, ঘরের মাঠে শচীন রমেশ টেন্ডুলকারের অনন্ত আক্ষেপটা ঘোঁচাবেন এবার। তাই আবারও ভেস্তে গেল দলের বিপদের মুহূর্তে দুই বন্ধুর ৬২ রানের জুটি এবং শিল্পীর হাতে আঁকা ওই ১০৩ রানের ছবির মতো ওই ইনিংস। ম্যাচটা শ্রীলঙ্কা হারে ৬ উইকেটে। তৃতীয় বারের চেষ্টায়ও ছোঁয়া হয়নি পরম আকাঙ্ক্ষিত ওই সোনালী ট্রফি। বিশ্বকাপে ৯ ম্যাচে ৪৬৫ রান করে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারা। অধিনায়ক এবং উইকেট-কিপার হিসেবে জায়গা পান আইসিসির 'টিম অফ দ্য টুর্নামেন্ট' একাদশে। জায়গা পান ক্রিকইনফোর টিম অফ দ্য টুর্নামেন্ট একাদশেও। কিন্তু সেসব হয়ে থেকেছিল সান্ত্বনাই।

     

    একেকটা জুটির সময় হয়তো খেয়াল করেছেন,  বিরতির সময়গুলোতে দু'জন খুবই রিলাক্স মুডে থাকতেন। গল্প করতেন ক্রিকেটের বাইরের জীবন নিয়ে, অনেকসময় এমনও হয়েছে ডিনারে কি খাবেন সে সব বিষয়েও আলোচনা করতেন দুজন। প্রত্যেকটা সফরে নিজেদের জন্য সময় বের করে নিতেন। দুজনের জুটিতে ১৩৩৬৮ রান তো এমনি এমনি আসেনি। 


    ২০১২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর মাসখানেক আগে দেওয়া নিজের পূর্ব সিদ্ধান্ত মোতাবেক অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ান সাঙ্গাকারা। সৌন্দর্যের লীলা সাজিয়ে বসা ওই লঙ্কা দ্বীপে বসবে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম সংস্করণের তৃতীয় আসর। দুর্দিনে আবার দায়িত্ব এলো শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটের দুই দিকপালের প্রথমজন মাহেলা জয়াবর্ধনের কাছে। কিন্তু তীরে এসে ভেড়ানো হলো না তরী। ক্রিকেট বিধাতা একে-একে চারবার খালি হাতে ফিরালেন সমুদ্রের বিশালতায় ঘেরা দ্বীপ দেশটির দুই নায়ককে।
     

    শেষ পর্যন্ত এই বাংলাদেশেই, এই মিরপুরেই ২০১৪ সালে সাঙ্গ হলো দুজনের অপেক্ষার। সাঙ্গাকারাকে কখনো আবেগে ভেসে যেতে দেখেছেন কিংবা আনন্দে খুব বেশী উদ্বেলিত হতে? উত্তর যে 'না' আসবে সেটা সহজেই অনুমেয়। তবে হ্যাঁ, একটা উত্তর আপনি দিতে পারেন মাইক্রোফোন হাতে বিদায়বেলায় একবার আবেগে আপ্লুত হয়েছিলেন তিনি। সেই সাঙ্গাকারাও সেদিন আবেগের কাছে হার মানলেন। মাথাটা গুঁজে দিলেন বন্ধু মাহেলার বাহুতে। এটা সেই সাঙ্গাকারা হাত ছোঁয়া স্পর্শ থেকে ট্রফিটা চলে যাওয়ার মুহুর্তেও যিনি দিব্যি এক চিলতে হাসতে পারেন। ক্যারিয়ারের দিক থেকে সিনিয়র বলে কিনা মাহেলাও বন্ধুকে ঠাঁই দিলেন স্নেহে। মাথায় হাত বুলিয়ে যেনো বললেন 'হাত ছেড়ো না বন্ধু'। আবেগ মাহেলাকেও ছুঁয়ে গেছে। কাছ থেকে তো এক-দুবার নয় চারবার ফিরেছেন। ছোঁয়ারই কথা। দুজনের গল্পটা হতে পারত ট্র্যাজেডির। শেষ পর্যন্ত সেটা আর হয়নি। সেটা তো শুধু শ্রীলংকার নয়, ক্রিকেটের জন্যই গৌরবের।
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন