• ক্রিকেট, অন্যান্য
  • " />

     

    'নীতিগতভাবে' ইংল্যান্ড সফরে সম্মতি দিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    তিন টেস্টের সিরিজ খেলতে জুলাইতে ইংল্যান্ড সফর করার কথা ওয়েস্ট ইন্ডিজের। বৃহস্পতিবার সফরটি নিয়ে ‘নীতিগতভাবে’ অনুমোদন দিয়েছে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে জুনে ইংল্যান্ডে এই সিরিজটি খেলার কথা ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। তবে করোনা মহামারীর কারণে সিরিজটি প্রায় ১ মাস পিছিয়ে জুলাইতে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ৮ জুলাই থেকে সাউদাম্পটনে প্রথম টেস্ট শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সিরিজ খেলতে এর ঠিক ১ মাস আগে ৮ জুন ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে উড়াল দেবে। সেখানে সিরিজ শুরুর আগ পর্যন্ত আইসোলেশনে অবস্থান করবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। ওয়েস্ট ক্রিকেট বোর্ডের মেডিক্যাল টিম এবং ইসিবির মেডিক্যাল টিমের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা শেষে বোর্ড ইংল্যান্ডের সফর করার সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।

     


    ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের খেলোয়াড়দের দিয়ে গঠিত হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। আর তাই খেলোয়াড় এবং স্টাফদের দেশত্যাগের জন্য বিভিন্ন দেশের সরকারের অনুমতির প্রয়োজন রয়েছে। সেখান থেকে অনুমতি পাওয়ার পর চার্টার্ড প্লেন এবং যুক্তরাজ্য সরকারের বিমানে চড়ে ইংল্যান্ড উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

    ইংল্যান্ডের সফরের বিষয়টি নিয়ে শুরুতে কিছুটা সংশয়ে ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মূলত স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা থেকেই ছিল সেই অনীহা। তবে এখন ইংল্যান্ড সফরে কীভাবে সম্মত হল ওয়েস্ট ইন্ডিজ, সে বিষয়টি নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান নির্বাহী জনি গ্রেভ জানিয়েছেন, “দর্শকবিহীন মাঠে খেলা আয়োজন এবং জৈব নিরাপত্তা নিশ্চিতের ব্যাপারে ইসিবি বেশ ভালো পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। আমাদের মেডিক্যাল টিম তাদের পরিকল্পনার ব্যাপারে ক্রমেই আশাবাদী হয়ে উঠছে। কনফারেন্স কলের মাধ্যমে খেলোয়াড় এবং স্টাফদের সঙ্গেও আলোচনা করা হয়েছে। বর্তমান অবস্থায় ৭ সপ্তাহের একটি বিদেশ সফর কেমন হতে পারে সে বিষয়ে তাদের বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়েছে।”

    শুরুতে খেলোয়াড় এবং স্টাফদের সবার করোনা পরীক্ষা করা হবে। সবার পরীক্ষার নেগেটিভ আসলে তাদের সবাইকে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চার্টার্ড প্লেনে করে অ্যান্টিগায় আনা হবে। সেখান থেকে ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে বিমানে চড়বে দল। ইংল্যান্ডে পৌঁছে পাক্কা ৩ সপ্তাহ ট্রেনিং ফ্যাসিলিটিতে কোয়ারেন্টিনে থাকবেন তারা। সফর চলাকালে খেলোয়াড় এবং স্টাফদের নিয়মিত করোনা পরীক্ষা করা হবে। আর তখন যদি কেউ করোনায় সংক্রমিত হন, তাহলে আক্রান্ত ব্যক্তিক জৈব নিরাপদ পরিবেশেই আইসোলেশনে রাখা হবে।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন