• ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    লিভারপুলের লিগ জয়ের পর 'পুরনো শত্রু' ডালগ্লিশকে অভিনন্দন জানালেন ফার্গুসন

    ১৯৯০ সালে লিভারপুলের স্যার কেনি ডালগ্লিশের হাত ধরে শেষ লিগ জিতেছিল লিভারপুল। এরপর ধীরে ধীরে ইংলিশ ফুটবলে লিভারপুলের সূর্য অস্তমিত হয়েছে। ১৯৯৩ সালে স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের অধীনে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের লিগ জয়ের মাধ্যমে অ্যানফিল্ডের সেই কর্তৃত্বের ব্যাটন স্থানান্তরিত হয় ওল্ড ট্রাফোর্ডে। এরপর কেটে গেছে ৩০ বছর। লিভারপুলের আর সিংহাসননে আরোহণ করা হয়নি। ফার্গুসনের সঙ্গে কর্তৃত্বের ব্যাটনও বিদায় নিয়েছে ওল্ড ট্রাফোর্ড থেকে। তবে তিন দশক পর যখন লিভারপুল ইয়ুর্গেন ক্লপের হাত ধরে আবারও লিগ জয়ের স্বাদ পেল, তখন সব প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভুলে ডালগ্লিশকে অভিনন্দন জানালেন ফার্গুসন।


    অভিনন্দনের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন ডালগ্লিশ নিজেই, “সে (ফার্গুসন) আধুনিক মাধ্যমে আমাদের অভিনন্দন জানিয়েছে। সে সময়ে ফুটবলে আমরা যারা প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলাম যেমন ইউনাইটেডে ফার্গি, ব্রায়ান কিড, মাইক সামারবি; তাদের বছরের শেষে একজন আরেকজনকে সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানানো, এটা চলতেই থাকে। এটি দারুণ সৌজন্য। আপনি খেলার মাঠে দীর্ঘ সময় প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন, তবে এরপরও প্রতিপক্ষের সাফল্যে তাকে অভিনন্দন জানাতে বড় মন লাগে।”

    এদিকে শিরোপা জয়ের জন্য লিভারপুল অধিনায়ক জর্ডান হেন্ডারসনকে অভিবাদন জানিয়েছেন ডালগ্লিশ। ২০১১ সালে তিনি যখন দ্বিতীয় মেয়াদে অলরেডদের দায়িত্বে ছিলেন তখন সান্ডারল্যান্ড থেকে হেন্ডারসনকে অ্যানফিল্ডে এনেছিলেন। তাই তার অধিনায়কত্বে লিভারপুলের শিরোপা জয়ে ডালগ্লিশের আনন্দ একটু বেশিই, “সে ফুটবলে সফল হওয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করেছে। সে একমাত্র লিভারপুল অধিনায়ক যে ঘরোয়া লিগের সঙ্গে ক্লাব বিশ্বকাপও উঁচিয়ে ধরেছে। এছাড়া চ্যাম্পিয়নস লীগ জয়ী অধিনায়কদের সারিতেও তার নাম সমুজ্জ্বল।”

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন