• বুন্দেসলিগা
  • " />

     

    ২৯ বছর বয়সেই ফুটবলকে বিদায় বললেন বিশ্বকাপজয়ী শুর্লে


    ২৯ বছর বয়সেই ফুটবলকে বিদায় বললেন আন্দ্রে শুর্লে। বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের হয়ে খেলছিলেন এই জার্মান ফরোয়ার্ড, আরও এক বছর চুক্তি বাকি ছিল দুই ক্লাবের মধ্যে। কিন্তু পারস্পরিক সমঝোতায় সেটা শেষ করে দিচ্ছে দুই পক্ষই। এরপর পেশাদার ফুটবলকেই বিদায় বলেছেন্ শুর্লে।

    কিন্তু ২৯ বছর বয়সেই কেন ফুটবলে বিদায় বললেন শুর্লে? তার ভাষায়, ‘আমার মনে হয়েছে আমার আর তালির দরকার নেই। তাই ফুটবলকে বিদায় বলছি।’ ডর্টমুন্ডের হয়ে ২০১৬ সালে নাম লেখালেও একদম অনিয়মিত ছিলেন তিনি, ২০১৮ সালের পর থেকে আর খেলারই সুযোগ পাননি। ২০১৮ সালে ফুলহামে যান ধারে, পরের বছর আবার তাকে স্পার্টাক মস্কোতে খেলতে পাঠায় ডর্টমুন্ড। কিন্তু নতুন চ্যালেঞ্জ আর নিলেন না। এই বছরের চুক্তির জন্য আরও ৭ মিলিয়ন ইউরো পাওয়ার কথা ছিল শুর্লের, তবে তাকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে আড়াই মিলিয়ন ইউরো দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। জার্মান দৈনিক ডার স্পিজেলকে বলেছেন, ‘আমার মনে হয়েছে আমার ক্যারিয়ার শুধুই নিচের দিকে নামছে, হাইলাইট বলে আর কিছু নেই। পেশাদার ফুটবলে আপনার একটা নির্দিষ্ট ভূমিকা থাকে। সেটা পালন করতে না পারলে খেলা চালিয়ে যাওয়ার কোনো মানে নেই।’

    ২০০৯ সালে ১৮ বছর বয়সে মেইঞ্জের হয়ে বুন্দেসলিগায় অভিষেক হয় শুর্লের।  ২০১১ সালে চলে আসেন বেয়ার লেভারকুসেনে, সেখানে পারফরম্যান্সেই নজরে পড়েন চেলসির। ২০১৩ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত চেলসিতে কাটিয়েছিলেন এই জার্মান। প্রিমিয়ার লিগও জিতেছেন লন্ডনের ক্লাবের হয়ে। পরে ভলফসবুর্গের হয়ে জিতেছেন ডিএফবি পোকাল। এরপর ডর্টমুন্ডে নাম লেখান। সব মিলে ক্লাব ৩৭৩ ম্যাচ খেলে করেছেন ৮৬ গোল, করিয়েছেন ৫১টি। জার্মানির হয়ে খেলেছেন ৫৭ ম্যাচ। তবে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত এসেছিল ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনালে। সেবার তার পাস থেকেই অতিরিক্ত সময়ে গোল করে আর্জেন্টিনার হৃদয় ভেঙে জার্মানিকে বিশ্বকাপ এনে দিয়েছিলেন মারিও গোতশে।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন