• বিশ্বকাপ বাছাই
  • " />

     

    প্রিমিয়ার লিগের খেলোয়াড়েরা পারলে বাংলাদেশ কেন পারবে না, প্রশ্ন জেমি ডের

    মার্চের পর থেকে আর মাঠেই নামা হয়নি বাংলাদেশ ফুটবলারদের। অক্টোবরে বিশ্বকাপ ও এশিয়া কাপ বাছাইয়ের ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে যখন বাংলাদেশ মাঠে নামবে ততোদিনে প্রায় ৭ মাস কেটে যাবে। দীর্ঘদিন পর খেলতে নেমে বাংলাদেশ দল কেমন করবে তা নিয়ে স্বভাবতই তাই সংশয় আছে। তবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামার আগেই ৬ সপ্তাহের ট্রেনিং ক্যাম্প করবে জেমি ডের দল। বাংলাদেশ কোচ মনে করেন এই সময়টা ফিটনেস ফিরে পাওয়ার জন্য 'যথেষ্ট'। সঙ্গে তিনি প্রশ্নও ছুড়ে দিয়েছেন, পৃথিবীর সব জায়গায় সবাই ৬ সপ্তাহ ফিটনেস ক্যাম্পের পর খেলায় ফিরতে পারলে বাংলাদেশ কেন পারবে না?

    "আপনি যদি পুরো পৃথিবীর দিকে তাকান, যেমন প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোও প্রাক মৌসুমে ৬ সপ্তাহ ট্রেনিং করে মাঠে খেলতে নেমে যায়। ভারত সেপ্টেম্বরে ক্যাম্প শুরু করবে। ওদের ম্যানেজার বিশ্বকাপও খেলেছেন, প্রাক মৌসুমে কী করতে হয় সে সম্পর্কে তাদের স্পষ্ট  ধারণা আছে।" - ইংল্যান্ড থেকে যোগ দেওয়া সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন বাংলাদেশ কোচ।

    "১৫ সপ্তাহ ধরে ট্রেনিং করার মানে হয় না। শুধু আমার জন্য নয়, পৃথিবীর সব কোচের জন্যই ৬ সপ্তাহ যথেষ্ট সময় যদি সেটা কাজে লাগানো যায়। যদি আপনার ভালো পিচ থাকে, ভালো জিম থাকে- এই ৬ সপ্তাহই যথেষ্ট। এখানে একটাই সমস্যা যে প্রীতি ম্যাচ হয়ত আমাদের খেলা হবে না।"

    বাংলাদেশ দলের ট্রেনিং ক্যাম্প শুরু হবে আগস্টের ৭ তারিখ থেকে। অক্টোবরের ৮ তারিখ বাছাইপর্বের পঞ্চম ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান। হোম ম্যাচ খেলে ৫ দিন পর কাতারের মাঠে ম্যাচ বাংলাদেশের।

    লম্বা বিরতিতে খেলোয়াড়রা নিজেদের খাদ্যাভাস আর অনুশীলন চালিয়ে গেছেন বলেই বিশ্বাস ডের। একটা হুঁশিয়ারি বার্তাও অবশ্য দিয়ে রেখেছে ৪০ বছর বয়সী ব্রিটিশ কোচ। বলেছেন, "ওজন অতিরিক্ত বাড়িয়ে এলে তাদেরকে দলের জন্য বিবেচনা করা হবে না।"

    "গত ৩ মাসে তারা আমাকে তাদের ট্রেনিং সেশনের ভিডিও পাঠিয়েছে নিয়মিত, তাদের ওজন, ডায়েট চার্ট সম্পর্কেও আমরা অবগত। তারা দারুণ করেছে, আমার বিশ্বাস তারা নিয়ম মেনে চলেছে। দুই সপ্তাহ ট্রেনিংয়ের পর আমার মনে হয় বাকি যে ঝামেলাগুলো আছে সেগুলো কাটিয়ে উঠবে ওরা।"


    আরও পড়ুনঃ

    স্বাস্থ্য পরীক্ষা, আইসোলেশন : ৭ আগস্ট থেকে যেভাবে ফুটবলে ফেরার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ


    বাছাইপর্বের বাকি ম্যাচগুলোর জন্য ৩৬ সদস্যের দলও ঘোষণা করেছেন জেমি ডে। সেই দলে আছেন নতুন চার মুখ। প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন নরওয়ের অনুর্ধ্ব-১৭ দলে খেলা তারিক কাজী। আর চোট কাটিয়ে লম্বা সময় পর ফিরেছেন মাসুক মিয়া জনি ও আতিকুল ইসলাম ফাহাদ। আফগানিস্তান ম্যাচের আগে ৩৬ থেকে বাংলাদেশ স্কোয়াড কমিয়ে ২৪ জনে নামবে। নতুনদের সঙ্গে দীর্ঘ বিরতির পর জাতীয় দলে ফেরাদেরও প্রায় একই প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যেতে হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন বাংলাদেশ কোচ। 

    "নতুন যারা ডাক পেয়েছে তাদের সবার খেলাই আমি দেখেছি। তারা নিজেদের প্রমাণ করেই সুযোগ পেয়েছে। জনি আর ফাহাদ তো আগেও জাতীয় দলের হয়ে ভালো খেলেছে। ক্যাম্পে ওরা কতোখানি ভালো করে সেটার ওপরই এখন ওদের ভাগ্য নির্ধারণ করছে। প্রতি পজিশনে দুই, তিনজন খেলোয়াড় পেয়েছি আমরা এবার। দলে সেন্ট্রাল মিডফিল্ডারও এতো বেশি কখনও পাইনি একসঙ্গে। সম্ভবত এটাই আমার সেরা স্কোয়াড।"
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন