• ক্রিকেট, অন্যান্য
  • " />

     

    বিপিএল থেকে পুরান-নাইবদের পাওনা শোধ করে দেবে বিসিবি

    ক্রিকেটারদের বেতন-ভাতা প্রদানে গাফিলতি নিয়ে ফিকার রিপোর্টের পর নড়েচড়ে বসেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিপিএলে যেসব খেলোয়াড়ের পাওনা এখনও বাকি রয়েছে, সেসব দ্রুত পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    প্রথম দুই মৌসুমে বিপিএলে অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের বেতন-ভাতা নিয়ে মারাত্মক জটিলতা তৈরি হয়েছিল। এরপর এই বিষয়টিতে কাঠামোগত কিছু পরিবর্তন এনে সেই সমস্যার সমাধান করেছিল। এমনকি বিপিএলের ২০১৯-২০ মৌসুমেও বেশিরভাগ খেলোয়াড়ের পাওনা বিসিবি শোধ করে দিয়েছে। তবে ক্রিকইনফোর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ মৌসুমে সিলেট সিক্সার্সের হয়ে খেলা ওয়েস্ট ইন্ডিজের নিকোলাস পুরান এবং আফগানিস্তানের গুলবদিন নাইবের পাওনা এখনও শোধ হয়নি। গত ১২ মাসে বিসিবিকে এই দুইজনের পাওনার ব্যাপারে বারবার জানানো হলেও কোনও কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

    ট্যাক্স কেটে নেওয়ার পর ৩৫ হাজার ডলার পাওয়ার কথা ছিল পুরানের। কিন্তু তিনি এখন পর্যন্ত মাত্র ১০ হাজার ডলার বুঝে পেয়েছেন, এছাড়া একটি বিমান টিকিটের অর্থও এখনও পাওনা রয়েছেন তিনি। আর নাইবের এখনও ৩২ হাজার ডলার পাওনা বাকি।

    বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামুদ্দিন চৌধুরী দ্রুতই বিষয়গুলো নিষ্পত্তির চেষ্টা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন। তবে খেলোয়াড়দের পাওনা বুঝিয়ে না দেওয়া ফ্রাঞ্চাইজিগুলোর নাম উল্লেখ করেননি তিনি, “বিসিবির জন্য এটি চিন্তার বিষয়। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি, বিসিবিরও এই ঘটনার জন্য কোনও না কোনোভাবে দায়ী। ২০১৮-১৯ মৌসুমে কিছু ফ্রাঞ্চাইজি পাওনা শোধ করেনি বলে খেলোয়াড়দের এজেন্টদের মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি। আমরা খেলোয়াড় এবং ফ্রাঞ্চাইজিগুলোর সঙ্গে কথা বলে পাওনার অংকটা জানার চেষ্টা করছি। যেসব ফ্রাঞ্চাইজি অর্থ পরিশোধ করেনি তাদের বিরুদ্ধে আমাদের আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে।”

    ফিকার রিপোর্টে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ‘আইসিসি ইভেন্টের প্রাইজ মানি’ দেওয়া হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে এই বিষয়টি অস্বীকার করেছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী, “আমাদের কিছুটা দেরি হয়েছিল পেমেন্ট করতে, তবে আমরা পুরো অর্থ বুঝিয়ে দিয়েছি। বিসিবি সেই অর্থের সঙ্গে আরও কিছু বাড়িয়ে দেয়, যেটা গত বছরে দেওয়া হয়েছে। আইসিসির প্রাইজ মানি আমাদের অ্যাকাউন্টে আসার সঙ্গে সঙ্গেই সেটা বিতরণ করা হয়।”

    “আমাদের অ্যাকাউন্টে আইসিসি, এসিসি এবং মিডিয়া স্বত্বের অর্থ আসতে থাকে। শেষবার পুরো হিসাব করার পরই আইসিসির অর্থ এসেছে বলে বুঝতে পারি। এতে করে একটু দেরি হয়েছে। তবে আমরা অন্যান্য বছরের ন্যায় সেটা খেলোয়াড়দের বুঝিয়ে দিয়েছি।”

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন