• বাংলাদেশ-আফগানিস্তান
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    ফুটবলারদের চেয়েও বেশি ক্যালরি ঝরিয়েছেন বেইরস্টো

    মেদ-ভুঁড়ি নিয়ে চিন্তিত? স্বাস্থ্য সচেতন ব্রিটিশরা দলে দলে বিমানে চেপে বাংলাদেশে এলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। শরীরে মেদ জমার জন্য দায়ী যে ক্যালরি, তা পোড়ানোর জন্য বাংলাদেশের মতো জায়গা যে হয় না! না, কোনো পুষ্টিবিদের নয়- এ অভিজ্ঞতা ইংল্যান্ড ব্যাটসম্যান জনি বেইরস্টোর। ফতুল্লায় বিসিবি একাদশের বিপক্ষে গত মঙ্গলবারের ম্যাচে ফিল্ডিংয়ের সময় ২৭ বছর বয়সী ব্যাটসম্যানের শরীর থেকে ঝরেছে ২৫৬০ ক্যালরি! বলের পেছনে ছোটাছুটি করেন যে ফুটবলার, তার চেয়েও প্রায় ১২০০ ক্যালরি বেশি। আর সারা দিনে বেইরেস্টোর মোট ঝরেছে ৬০০০ ক্যালরি।

    উপমহাদেশে সফরের আগে ইংল্যান্ডের সংবাদমাধ্যমে প্রতিবারই ওঠে আবহাওয়া নিয়ে হাহাকার। উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের শীতল হাওয়া থেকে এ যেন বঙ্গোপসাগরের বাষ্পগরম জলে নেমে সিদ্ধ হওয়া! গরম নিয়ে ভাবনা ছিল এবারের বাংলাদেশ সফর নিয়েও। বাংলাদেশের গরম ও আর্দ্রতার কথা মাথায় রেখে শরীরে ফিটবিট নামের এক যন্ত্র বেঁধে ফতুল্লায় খেলতে নেমেছিলেন জনি বেইরেস্টো।তাতেই পাওয়া গেল এক চমকপ্রদ তথ্য। বিসিবি একাদশের বিপক্ষে পুরো মাঠে দৌড়িয়েছেন ১০.৩০ কিলোমিটার। তাতেই খরচ হয়েছে ওই ক্যালরি। প্রতি মিনিটে গড়ে হৃদস্পন্দন হয়েছে ১১৯ বার। যেখানে স্বাভবিক সময়ে একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের হৃদস্পন্দনের হার ৭২!

    একজন ফুটবলারের সাধারণত এই সময়ে পোড়ে ১৩০০ ক্যালরি। শারীরিক শক্তির খেলা যে রাগবি তাতেও পোড়ে না বেইরেস্টোর মতো ক্যালরি। ৮০ মিনিটের রাগবি খেলায় সাধারণত ১৮৫০ ক্যালরি পোড়ে একজন খেলোয়াড়ের। বাংলাদেশের গরম ও আর্দ্রতা রাজকীয় খেলা ক্রিকেটকে করেছে এসব খেলার চেয়েও অনেক বেশি পরিশ্রমসাধ্য। শুধুমাত্র টেনিসেই এরচেয়ে বেশি ক্যালরি ক্ষয় হয় খেলোয়াড়দের। বেইরেস্টো বলছেন এজন্য প্রয়োজন প্রচুর খাওয়া দাওয়া ও পানি পান। সেটা করছেনও ইংলিশরা। স্থানীয় হোটেলের খাবারের প্রশংসা করে বেইরেস্টো বলেছেন, ক্যালরির ঘাটতি মেটাতে পেট পুরে আমিষ সমৃদ্ধ খাবার খেতে হচ্ছে। ম্যাচের আগে করে নিতে হচ্ছে জম্পেশ প্রাতরাশ।

    ভাবছেন, ভালোই তো! সাকিব-মাশরাফিদের পাশাপাশি গরমও তাহলে ইংলিশদের প্রতিপক্ষ। এটা ভেবে স্বস্তি পেলে ভুল করবেন। গত বছর আরব আমিরাতের গরমে পাকিস্তানের মুখোমুখি হয়েছিল ইংল্যান্ড। সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইকেল ভন যাকে বলেছিলেন “ঝলসানো গরম”। সেই গরমে পাকিস্তানকে ৩-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজে হারিয়েছিল ইংলিশরা। তাই আবহাওয়া নয়, জয়-পরাজয়ের নিষ্পত্তিটা হবে মাঠের পারফরম্যান্সেই।

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন