• ইংল্যান্ড-বাংলাদেশ সিরিজ
  • " />

     

    ‘২৫০ এর নিচে আটকাতে পারলে ভাল’

    ‘২৫০ এর নিচে আটকাতে পারলে ভাল’    

    শুরুতে চাপে ফেলেও তা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ, মূলত এর পেছনে অনেক বড় ‘অবদান’ তাঁর সংগে আদিল রশিদের ৯৯ রানের জুটিটাই। ক্রিস ওকস নিজেও বলছেন, তাঁদেরকে ম্যাচে ফিরিয়েছে ওই জুটিটাই, ‘ রাশিদের সাথে জুটিটা ম্যাচের প্রেক্ষিতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এটা ম্যাচকে সমান-সমান অবস্থানে এনেছে।’

     

    সেই সমান-সমান অবস্থান থেকে ‘প্রায়’ এগিয়েই গিয়েছিল বাংলাদেশ, দিনের শেষ বলে মাহমুদউল্লাহর উইকেটটা যেন ইংল্যান্ডের কাছে হয়ে গেছে হঠাৎ পাওয়া উপহার! ‘টপ অর্ডারের উইকেট সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। দিনের শেষ বলে উইকেট পাওয়া তো দারুণ। কালকের জন্য কিছু ধারাবাহিকতা পাওয়া যাবে। উইকেটটা আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল’- বলেছেন ওকস।

     

    মাহমুদউল্লাহর উইকেট পেলেও এখনও আছেন ওপেনার ইমরুল, বাকি মুশফিক, সাকিব। ওকস মনে করছেন, ২৫০ রান পর্যন্ত তাড়া করতে পারবে ইংল্যান্ড, ‘১৩০ রানে এগিয়ে আছে তারা। ২৫০ এই উইকেটে তাড়া করার মতো। বেশী রান তাড়া করা সহজ না, তাদেরকে কম রানে আটকাতে পারলে সেটা দারুণ হবে। প্রার্থনা করি যেন কাল সকালে কিছু দ্রুত উইকেট নিতে পারি।’

     

    তবে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশকে কাবু করার অন্যতম অস্ত্র রিভার্স সুইংয়ের জন্য অপেক্ষা করতে হবে ইংল্যান্ডকে। ওকস মনে করিয়ে দিলেন," বল এখনও সেভাবে পুরোনো হয়নি। প্রথম ইনিংসে বল রিভার্স সুইং করছিল। আমরা সেটার সুবিধা নিয়েছিলাম। এ ইনিংসে এখনও সেভাবে  করেনি। এখন পর্যন্ত সিম সোজাই যাচ্ছে। আশা করি কাল আমরা দুইদিকেই বল ঘোরাতে পারবো।’

     

    তবে বরাবরের মতোই কাল সকালের সেশনটাকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ মানছেন ওকস।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন