• নিউজিল্যান্ড-ভারত ওয়ানডে সিরিজ
  • " />

     

    কারও কথায় কষ্ট পাননি ধোনি

    তাঁর অবসর নেওয়া নিয়ে গত দুই সপ্তাহে কম তোলপাড় হয়নি। ভিভিএস লক্ষণ বলেছিলেন, তরুণদের জায়গা করে দিতে এখনই সরে দাঁড়ানো উচিত মহেন্দ্র সিং ধোনির। বীরেন্দর শেহওয়াগ ও বিরাট কোহলি অবশ্য এটার বিপক্ষেই মত দিয়েছেন। এতকিছুর মাঝে মুখে কুলুপ এটে ছিলেন ধোনি। ধোনি এবার বলছেন, সবার মতামতকেই তিনি সম্মান করেন।

     

    দলে তাঁর জায়গা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। ধোনি জানালেন, কারো কথায় কষ্ট পাননি তিনি, “সবারই নিজস্ব মতামত আছে। সবার ভাবনা তো সমান হয় না। তবে সবার মতকেই সম্মান করতে হবে। আমিও সেটাই করি। আমার সরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে যা বলা হয়েছে সেটাকেও সম্মান জানাই।”

     

     

     

    জাতীয় দলের হয়ে খেলাই তাঁর জন্য সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা, বলছেন ধোনি, “আমরা খুব অল্প সময়ের জন্য ক্রিকেট খেলি। জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামাটাই আমার জন্য বড় অনুপ্রেরণা। আমরা কত বছরই বা বাঁচি, ৭০? কেউ ১০ বছর খেলে, কেউ ১৫ অথবা ২০; এই স্বল্প সময়েই আপনি গর্ব করে বলতে পারবেন, ‘আমি দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি’।”  

     

    নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ধোনির ধীরগতির ব্যাটিংকে দায়ী করা হয়েছে দলের পরাজয়ের জন্য। ম্যাচের ফলাফল নিজের পক্ষে না গেলেও খুব একটা চিন্তিত হন না ধোনি, “ব্যাটিং করতে নেমে আমি ফলাফলের চিন্তা করিনি কখনোই। ওই মুহূর্তে কী করা দরকার সেটাই করি। ১৪ রান দরকার না ৫ রান, সেটা কোনো বিষয় না। ম্যাচের ফলাফল যদি আমার পক্ষে নাও যায় তাও সেটা নিয়ে ভাবি না। ম্যাচের পর আয়নায় তাকিয়ে ভাবি, আমি নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, ফলাফল মেনে নেওয়ায় বুদ্ধিমানের কাজ।”

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন