• " />

     

    খেলায় খেলায় চারটি বছরের সমাপনী দিন

    বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম থেকে ক্রিকেট সরে যাচ্ছে, পিচের ওপর চালানো হচ্ছে কোদাল। সেই ফ্রেমেই আরেক ছবি, মিরপুর স্টেডিয়াম প্রস্তুত হয়নি তখনও, পিছিয়ে যাচ্ছে দিনক্ষণ। ফুটবল ক্রিকেটের এক পালাবদলের সাক্ষী যেন এই দুই ছবি, আপনাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে প্রায় এক যুগ আগে। 

    ‘একটা ঘোরলাগা মেজাজে লিখছি। আকর্ষণীয় আয়োজনে আমি মুগ্ধ।’ এসব দেখে শুভেচ্ছা বার্তায় লিখেছেন ক্রিকেট কোচ, ক্রীড়া লেখক জালাল আহমেদ চৌধুরি। প্যাভিলিয়নের চতুর্থ বর্ষপূর্তি উৎসবে ধানমন্ডির দৃক গ্যালারিতে হয়ে গেল দুই দিনব্যাপী উদযাপন উৎসব।  

    আয়োজনের দ্বিতীয় দিনে ক্রীড়া সাংবাদিকতা ও সাহিত্য বিষয়ক কর্মশালার সঙ্গে ছিল কুইজ প্রতিযোগিতা, বিভিন্ন অনলাইন ও অফলাইন সমর্থকগোষ্ঠির সঙ্গে মত-বিনিময় এবং পুরষ্কার বিতরণ। কর্মশালার সঞ্চালনায় ছিলেন কালের কন্ঠের উপ-সম্পাদক মোস্তফা মামুন, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকমের বিশেষ প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম রনি ও ইএসপিএনক্রিকইনফোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি মোহাম্মদ ইসাম। সঙ্গে ছিলেন জালাল আহমেদ চৌধুরিও। প্রথম দিন উদ্বোধন করতে এসেছিলেন স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সহ-অধিনায়ক প্রতাপ শংকর হাজরা। 

    অনুষ্ঠানের দুইদিন ধরেই ছিল ছবি, পেপার কাটিং ও স্কেচের প্রদর্শনী, যা মুগ্ধ করেছে প্রদর্শনীতে আসা দর্শকদের। তেমনই একজন আনাস লিখে গেছেন, ‘ভাল লেগেছে অনেক। বিশেষত পেপার কাটিংগুলো দেখে স্মৃতিকাতর লাগছিল অনেক।’ ছিল বিভিন্ন পোস্টার, ফিক্সচার ও ক্রীড়াবিষয়ক বইও।সব মিলিয়ে কোচ, সাংবাদিক, সমর্থকগোষ্ঠী- ক্রীড়াপ্রেমিদের মিলনমেলা বসেছিল দৃক গ্যালারিতে। 

    ‘আমি নিজেও ক্রীড়াপ্রেমী। প্রথমবারের মতো এতো সব ক্রীড়াপাগল লোকদের জমায়েত দেখে ভাল লাগল। প্যাভিলিয়ন এর জন্য শুভকামনা।’ প্রদর্শনীতে আসা তানিশার এ কথাতেই যেন ফুটে উঠেছে পুরো চিত্রটা। এমন আয়োজন সামনে আরও করার আহবান জানিয়েছেন সমাগমের উপস্থিত ক্রীড়াপ্রেমীরা।