• দক্ষিণ আফ্রিকা-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ
  • " />

     

    অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আর খেলা হবে না ওয়ার্নারের?

    অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আর খেলা হবে না ওয়ার্নারের?    

    অনেক কিছুই বললেন ডেভিড ওয়ার্নার, আবার অনেক কিছুই বললেনও না। স্টিভ স্মিথের মতো সেভাবে না হলেও আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না নিজের। কিন্তু কেন টেম্পারিং করেছিলেন, তাঁকে বলির পাঁঠা বানান হয়েছিল কি না, মূল পরিকল্পনা কার বা কীভাবে ছিল, এসব প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন। তবে স্বীকার করেছেন, আর কখনো অস্ট্রেলিয়া দলে নাও খেলতে পারেন।

    বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারিতে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট যখন টালমাটাল, কাঠগড়ায় তাঁকে নাটের গুরু মনে করছেন অনেকেই। ওয়ার্নারের সহ অধিনায়কত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে আগেই, আইসিসির রায়ে যদিও কোনো শাস্তি পাননি। তবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাঁকে নিষিদ্ধ করেছে এক বছরের জন্য। কদিন আগেই বলেছিলেন, আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনেই যা বলার বলবেন। তবে সিডনিতে আজ সাংবাদিকদের সামনে সবকিছু খোলাসা করে বললেন না।

    পরে অবশ্য টুইটারে বলেছেন, একে একে সব প্রশ্নের জবাব দেবেন। আপাতত ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে বলে সবকিছু বলতে পারেননি। তবে নিজের ভুল স্বীকার করে নিয়েছেন কাঁপা কাঁপা গলাতে।

    ‘খুবই খারাপ লাগছে আমি সতীর্থদের সাথে থাকতে পারছি না এখন, তাঁদের আমি হতাশ করেছি। সামনে কী হচ্ছে এখনই বলা মুশকিল, তবে আপাতত আমি পরিবারের ভালোর কথাই শুধু চিন্তা করছি।’

    ‘মনের গহীনে আমার এখনো একটু আশার আলো আছে, একদিন হয়তো আমি আবার অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলতে পারব। তবে আমি জানি, এটা কখনো আর নাও হতে পারে। আপাতত সামনের কয়েক মাসে আমি নিজেকে শুধরানোর চেষ্টা করব, নিজের আয়নায় নিজেকে দেখব। সত্যি বলতে আমি এখন জানি না কীভাবে করব। তবে নিজেকে বদলানোর জন্য আমি দরকার হলে বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নেব।’

    ‘আমি এরকম কাজের জন্য আমার পরিবারের কাছে, বিশেষ করে স্ত্রী ও দুই মেয়ের কাছে ক্ষমা চাইছি। তোমাদের ভালোবাসাই আমার কাছে সবকিছু, আমি এই আমি তোমাদের জন্য। আমার জন্যই তোমাদের এই পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে, সেজন্য আমি দুঃখিত। তবে কথা দিচ্ছি, আর কখনো এ ধরনের পরিস্থিতিতে পড়তে হবে না তোমাদের। আমি দায়িত্বটা নিজের কাঁধে নিচ্ছি, আমি জানি আমি কী ভুল করেছি। অস্ট্রেলিয়া দলের সহ অধিনায়কত্বের দায়িত্ব আমি ঠিকমতো পালন করতে পারিনি।'