• জাতীয় ক্রিকেট লিগ ২০১৮/১৯
  • " />

     

    ৫ রানে জিতল রংপুর, ৩ রানে সিলেট

    ৫ রানে জিতল রংপুর, ৩ রানে সিলেট    

    প্রথম স্তর 
    রংপুর-বরিশাল, রংপুর 
    টস- বরিশাল (ফিল্ডিং)
    রংপুর ১ম ইনিংস ১৪৭ (রাকিন ৪৬, নাঈম ৩৯, সোহাগ ৫/৪০, মনির ২/১১) ও ২য় ইনিংস ২২৯ (মাহমুদুল ৬৭, শুভ ৩৫, মনির ৫/২৪, রাব্বি ২/৩৫) 
    বরিশাল ১ম ইনিংস ১৪৭ (রাফসান ৪০, রাব্বি ২৭, শুভাশীষ ৫/৪৯, রবিউল ২/২৬) ও ২য় ইনিংস ২২৪ (আল-আমিন ৫২, নুরুজ্জামান ৪৬, রবিউল ৪/৬৩, সনজিত ২/৪৩)
    রংপুর ৫ রানে জয়ী 


    প্রথম ইনিংসে দুই দলের স্কোরই সমান, দ্বিতীয় ইনিংসে রংপুর করলো ২২৯ রান। বরিশালের শেষদিনে প্রয়োজন ছিল ১৫৯ রান, ৭ উইকেটে। রবিউল হকের বলে বদলি ফিল্ডার ফারদিন হাসানকে ক্যাচ দিলেন ৪৬ রান করা নুরুজ্জামান, জয় থেকে ৬ রান দূরে। রংপুর জিতল ৫ রানে, উঠে গেল পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে! 

    আগের দিন আল-আমিনকে সঙ্গ দেওয়া শামসুল এদিন ফিরেছেন দিনের শুরুতেই, শুভাশীষের বলে ক্যাচ দিয়ে। আল-আমিন এরপর মোসাদ্দেককে নিয়ে গড়েছেন ৪৩ রানের জুটি, নিজে ৫২ রান করে রান-আউট হওয়ার আগে। সাজিদুলের বলে ক্যাচ দিয়ে তাকে অনুসরণ করেছেন মোসাদ্দেক শীঘ্রই। 

    এরপর নুরুজ্জামানের সঙ্গে সোহাগ গাজির জুটি ৩১ রানের, রাব্বির সঙ্গে ১৮ রানের। ১৬৯ রানে ৮ উইকেট পড়েছে বরিশালের, জয় থেকে তারা তখনও ৬১ রান দূরে। তানভীরকে সঙ্গে নিয়ে সেই দূরত্ব ৬ রানে নামিয়ে আনলেন নুরুজ্জামান। 

    ৫৪ রানের সেই জুটি ভাঙলেন সনজিত সাহা, তানভীর হলেন এলবিডব্লিউ। পরের দুই ওভারে হলো ১ রান। আর তার পরে নুরুজ্জামান দিলেন ক্যাচ। রংপুরের শীর্ষে ওঠার দিনে পয়েন্ট টেবিলের তলানীতে পড়ে রইল খুলনা। 

     

    দ্বিতীয় স্তর 
    ঢাকা মেট্রো-সিলেট, রাজশাহী 
    টস- মেট্রো (ফিল্ডিং)
    সিলেট ১ম ইনিংস ৩১২ (শানাজ ৬০, শাহানূর ৫৪, জাকির ৫০, আসিফ ২/৪৩, অনিক ২/৬১, সানি ২/৬৩) ও ২য় ইনিংস ১৮৪ (এনামুল জুনিয়র ৩৬, অনিক ৫/৫৭)
    মেট্রো ১ম ইনিংস ২০০ (মার্শাল ৭৪, শামসুর ৬৩, খালেদ ৫/৮৫) ও ২য় ইনিংস ১৯৩ (সাদমান ৭৮, শামসুর ২৯, খালেদ ৫/৫৪, এনামুল জুনিয়র ২/৮)
    সিলেট ৩ রানে জয়ী 


    বরিশালের তবুও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়েছে, মেট্রোর ইনিংসে নেমেছে নাটকীয় ধস। ১৭৮ রানে ৫ উইকেট থেকে তারা অল-আউট হয়ে গেছে ১৯৩ রানে। রংপুরের চেয়েও কম ব্যবধান ৩ রানে জিতেছে সিলেট। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও পাঁচ উইকেট নিয়েছেন খালেদ আহমেদ। 

    শেষ দিনে মেট্রোর প্রয়োজন ছিল ১৬৯ রান, বাকি ছিল ৯ উইকেট। ২য় উইকেটে সাদমান ইসলাম ও শামসুর রহমান এদিন যোগ করেছেন আরও ৪৯ রান। তবে ঢাকা মেট্রোর মিডল অর্ডার এরপর গুঁড়িয়ে দিয়েছেন খালেদ, ২৮ রানের ব্যবধানে ফিরিয়েছেন মার্শাল আইয়ুব, মেহরাব জুনিয়র ও মোহাম্মদ আশরাফুলকে। 

    জাবিদ হোসেনের সঙ্গে ৬ষ্ঠ উইকেট জুটিতে সাদমানের যোগ করা ৫৯ রানে অনেকখানি এগিয়ে গিয়েছিল মেট্রো। বাকি ছিল শুধু শেষটা করা। উলটো শেষ হয়ে গেল তারাই। 

    শেষের শুরুটা করে দিলেন এনামুল, ৭৮ রান করা সাদমানকে বোল্ড করে। কাজি অনিককে ফিরতি ক্যাচে ফেরালেন শাহানূর, আসিফকে ক্যাচ বানালেন খালেদ। শহিদুল ক্যাচ দিলেন এনামুলের বলে। আর শেষ ব্যাটসম্যান আরাফাত সানি এলবিডব্লিউ ম্যাচে সিলেটের নায়ক খালেদের বলে।

    খালেদের পারফরম্যান্স রাডারে ছিল নির্বাচকদের, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই টেস্টের স্কোয়াডে ডাকও পেয়ে গেছেন তিনি।  

    এর এই হারের পরও দ্বিতীয় স্তরের শীর্ষেই থাকলো ঢাকা মেট্রো, আর সিলেট রইল সবার শেষেই।